
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় প্রতিবাদে নেমেছেন জনজাতি সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠেয় কপ৩০ সম্মেলনে জৈব জ্বালানির ব্যবহার কম করার প্রতিশ্রুতি আদায়েরও দাবি রেখেছেন এই প্রতিবাদীরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ২০২৩-এর আইন তাদের পৈত্রিক জমির অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এর ফলে চাষ ও কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছে জমি হারাচ্ছেন কোনো কোনো জনগোষ্ঠীর মানুষ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এই বিবাদ দেশের সুপ্রিম কোর্ট অবধি গড়িয়েছে। জনজাতি ও প্রভাবশালী কৃষি ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমঝোতা সূত্র খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু জনজাতিদের সংগঠন নতুন আইনকে চ্যালেঞ্জ করে অভিযোগ করেছে, জমির ওপর তাদের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে এ সপ্তাহের শুরুতে অ্যামাজন ও ওশেনিয়া থেকে আগত হাজার হাজার জনজাতিভুক্ত মানুষ ব্রাসিলিয়ায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক টেরা লিভ্র বা মুক্ত জমি প্রতিবাদ মঞ্চে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) এই জনজাতি সম্প্রদায়ের একাংশ কংগ্রেস অভিমুখে যাত্রা করলে দিকে স্থানীয় সুরক্ষা বাহিনী তাদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং তার থেকে উত্তেজনা ছড়ায়।
ব্রাজিল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, জনজাতিদের একাংশ কংগ্রেসে প্রবেশ করতে চাইছিল। বিক্ষোভকারীরা অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
নতুন করে তেল উত্তোলন ও জৈব গ্যাসের ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য বৃহস্পতিবারই ১৮০টি জনজাতি গোষ্ঠী ও সারা বিশ্বের জলবায়ু সংগঠনের প্রতিনিধিরা কপ সচিব আন্দ্রে কোরিয়া দো লাগোকে একটি চিঠি দেন।
জৈব গ্যাসের বদলে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার সহজতর করার জন্য এবং উষ্ণায়নের মাত্রাকে শিল্প-পূর্ববর্তী মাত্রা থেকে এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখারও আবেদন করা হয় ওই চিঠিতে।
ল্যাটিন অ্যামেরিকার সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক দেশ ব্রাজিল। প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভা অ্যামাজন নদীর মুখ থেকে ৫০০ কিমির মধ্যে তেলের জন্য ড্রিলিংয়ের অনুমতি দিতে চান।
প্রেসিডেন্ট বলসেনারোর শাসনকালে জনজাতির অধিকার এবং অরণ্য রক্ষা বিপন্ন হয়েছিল। ২০২২-এ ক্ষমতায় ফিরে লুলা সেই অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

নিজেদের অধিকার নিশ্চিত করতে ব্রাজিলের রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় প্রতিবাদে নেমেছেন জনজাতি সম্প্রদায়ের হাজার হাজার মানুষ। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরে ব্রাজিলের বেলেম শহরে অনুষ্ঠেয় কপ৩০ সম্মেলনে জৈব জ্বালানির ব্যবহার কম করার প্রতিশ্রুতি আদায়েরও দাবি রেখেছেন এই প্রতিবাদীরা।
বিক্ষোভকারীদের দাবি, ২০২৩-এর আইন তাদের পৈত্রিক জমির অধিকার কেড়ে নিয়েছে। এর ফলে চাষ ও কাঠ ব্যবসায়ীদের কাছে জমি হারাচ্ছেন কোনো কোনো জনগোষ্ঠীর মানুষ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, এই বিবাদ দেশের সুপ্রিম কোর্ট অবধি গড়িয়েছে। জনজাতি ও প্রভাবশালী কৃষি ব্যবসায়ীদের মধ্যে সমঝোতা সূত্র খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু জনজাতিদের সংগঠন নতুন আইনকে চ্যালেঞ্জ করে অভিযোগ করেছে, জমির ওপর তাদের সাংবিধানিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে এ সপ্তাহের শুরুতে অ্যামাজন ও ওশেনিয়া থেকে আগত হাজার হাজার জনজাতিভুক্ত মানুষ ব্রাসিলিয়ায় অনুষ্ঠিত বার্ষিক টেরা লিভ্র বা মুক্ত জমি প্রতিবাদ মঞ্চে অংশ নেন।
বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) এই জনজাতি সম্প্রদায়ের একাংশ কংগ্রেস অভিমুখে যাত্রা করলে দিকে স্থানীয় সুরক্ষা বাহিনী তাদের ওপর কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে এবং তার থেকে উত্তেজনা ছড়ায়।
ব্রাজিল পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছে, জনজাতিদের একাংশ কংগ্রেসে প্রবেশ করতে চাইছিল। বিক্ষোভকারীরা অবশ্য এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
নতুন করে তেল উত্তোলন ও জৈব গ্যাসের ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার জন্য বৃহস্পতিবারই ১৮০টি জনজাতি গোষ্ঠী ও সারা বিশ্বের জলবায়ু সংগঠনের প্রতিনিধিরা কপ সচিব আন্দ্রে কোরিয়া দো লাগোকে একটি চিঠি দেন।
জৈব গ্যাসের বদলে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার সহজতর করার জন্য এবং উষ্ণায়নের মাত্রাকে শিল্প-পূর্ববর্তী মাত্রা থেকে এক দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখারও আবেদন করা হয় ওই চিঠিতে।
ল্যাটিন অ্যামেরিকার সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদক দেশ ব্রাজিল। প্রেসিডেন্ট লুলা ডি সিলভা অ্যামাজন নদীর মুখ থেকে ৫০০ কিমির মধ্যে তেলের জন্য ড্রিলিংয়ের অনুমতি দিতে চান।
প্রেসিডেন্ট বলসেনারোর শাসনকালে জনজাতির অধিকার এবং অরণ্য রক্ষা বিপন্ন হয়েছিল। ২০২২-এ ক্ষমতায় ফিরে লুলা সেই অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ সরকারের ‘বিবেচনায় নেই’ বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সূত্র। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভিকে তারা বলেছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার শিক্ষামন্ত্রীর ‘পাশেই রয়েছে’। এদিকে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছ
১২ ঘণ্টা আগে
কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা বৈঠকের পর দলটি জানিয়েছে— শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ অথবা তাকে বরখাস্ত করা ছাড়া এই আন্দোলনের সমাধান হবে না। তবে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কেন্দ্রীয় সরকার শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় নিয়েছে। ততক্ষণ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
১৫ ঘণ্টা আগে
নিট প্রশ্নফাঁসকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে প্রশ্নফাঁস ও পরীক্ষায় অসদুপায় ঠেকাতে আইন আরও কঠোর করার উদ্যোগ নিয়েছে ভারতের মোদি সরকার। বিদ্যমান আইনে সংশোধনী এনে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ কোটি রুপি জরিমানার বিধান যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
এরপর দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, ‘আমাকে ভয় দেখিয়ে সরানো যাবে না। আমি ঠিক করেই নিয়েছিলাম, প্রয়োজন হলে পুলিশ আমাকে চাপা দিয়েই চলে যাক।’
১৬ ঘণ্টা আগে