
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ দেখিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপের বাইরে থাকা মোট ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আফগানিস্তান, ইরান, সোমালিয়া, মিয়ানমারসহ যেসব দেশের ওপর আগে থেকেই আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছিল, তাদের অভিবাসন কাঠামোয় আরও কঠোরতা যুক্ত হলো।
ওয়াশিংটনে হামলার ঘটনায় আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তারের পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় এই নীতি পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন নীতি কঠোর করার এটি একটি নতুন আগ্রাসী উদ্যোগ।
সিদ্ধান্তটি মূলত সেই সব দেশের জন্য প্রযোজ্য, যাদের ওপর আগে থেকেই আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। নতুন নীতি কার্যকর হওয়ায় অভিবাসন কাঠামোয় আরও কঠোরতা যোগ হলো—যা ট্রাম্পের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচিত।
তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, সোমালিয়া, ইরান, সুদান, ইয়েমেন, লিবিয়া, মিয়ানমার, চাদ, ইরিত্রিয়া, হাইতি এবং কঙ্গোর মতো দেশ, যাদের ওপর জুনে সবচেয়ে কঠোর ভ্রমণ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। বাকি দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা—যাদের ওপর ইতিপূর্বে আংশিক নিষেধাজ্ঞা ছিল।
সরকারি স্মারকে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের এক নাগরিককে গ্রেপ্তারের পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা আরও বেড়ে যায়। এই ঘটনার পর নীতিটি পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি অপরাধও বিবেচনায় আনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অভিবাসন নীতি কঠোর করার বিষয়ে আগ্রাসী অবস্থান নিয়েছেন। সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থী ফেরত পাঠানো, বড় শহরগুলোতে ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন এবং অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারে জোর দেওয়ার পর এবার বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাতেও ব্যাপক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি—জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোরতা প্রয়োজন, এবং আগের প্রশাসনের নীতিই এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছিল।
নতুন নীতির আওতায় তালিকাভুক্ত দেশের সব ধরনের অভিবাসন আবেদন এখন ‘পূর্ণ পুনঃপর্যালোচনা’র নির্দেশনায় রয়েছে। প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকার নেওয়া হতে পারে, যাতে প্রত্যেক আবেদনকারীর ব্যাকগ্রাউন্ড ও সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নতুন করে যাচাই করা যায়।
স্মারকে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

জাতীয় নিরাপত্তা ও জননিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ দেখিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন ইউরোপের বাইরে থাকা মোট ১৯টি দেশের নাগরিকদের জন্য সব ধরনের অভিবাসন আবেদন প্রক্রিয়া অস্থায়ীভাবে স্থগিত করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আফগানিস্তান, ইরান, সোমালিয়া, মিয়ানমারসহ যেসব দেশের ওপর আগে থেকেই আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছিল, তাদের অভিবাসন কাঠামোয় আরও কঠোরতা যুক্ত হলো।
ওয়াশিংটনে হামলার ঘটনায় আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তারের পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা বেড়ে যাওয়ায় এই নীতি পুনর্বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসন নীতি কঠোর করার এটি একটি নতুন আগ্রাসী উদ্যোগ।
সিদ্ধান্তটি মূলত সেই সব দেশের জন্য প্রযোজ্য, যাদের ওপর আগে থেকেই আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ছিল। নতুন নীতি কার্যকর হওয়ায় অভিবাসন কাঠামোয় আরও কঠোরতা যোগ হলো—যা ট্রাম্পের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচিত।
তালিকায় রয়েছে আফগানিস্তান, সোমালিয়া, ইরান, সুদান, ইয়েমেন, লিবিয়া, মিয়ানমার, চাদ, ইরিত্রিয়া, হাইতি এবং কঙ্গোর মতো দেশ, যাদের ওপর জুনে সবচেয়ে কঠোর ভ্রমণ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছিল। বাকি দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান ও ভেনেজুয়েলা—যাদের ওপর ইতিপূর্বে আংশিক নিষেধাজ্ঞা ছিল।
সরকারি স্মারকে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার ঘটনায় আফগানিস্তানের এক নাগরিককে গ্রেপ্তারের পর নিরাপত্তাজনিত শঙ্কা আরও বেড়ে যায়। এই ঘটনার পর নীতিটি পুনর্মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে অভিবাসীদের সঙ্গে জড়িত কয়েকটি অপরাধও বিবেচনায় আনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অভিবাসন নীতি কঠোর করার বিষয়ে আগ্রাসী অবস্থান নিয়েছেন। সীমান্তে আশ্রয়প্রার্থী ফেরত পাঠানো, বড় শহরগুলোতে ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন এবং অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারে জোর দেওয়ার পর এবার বৈধ অভিবাসন ব্যবস্থাতেও ব্যাপক পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের দাবি—জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোরতা প্রয়োজন, এবং আগের প্রশাসনের নীতিই এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছিল।
নতুন নীতির আওতায় তালিকাভুক্ত দেশের সব ধরনের অভিবাসন আবেদন এখন ‘পূর্ণ পুনঃপর্যালোচনা’র নির্দেশনায় রয়েছে। প্রয়োজনে সাক্ষাৎকার বা পুনঃসাক্ষাৎকার নেওয়া হতে পারে, যাতে প্রত্যেক আবেদনকারীর ব্যাকগ্রাউন্ড ও সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নতুন করে যাচাই করা যায়।
স্মারকে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নিরাপত্তা ঝুঁকি নিরসন না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।

ইরানের হরমুজ প্রণালি নিজেদের দখলে নেওয়ার ‘চিন্তাভাবনা’ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
৯ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ কখন শেষ হবে তা যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইরানই ঠিক করবে বলে জানিয়েছে তেহরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের সময়সীমা নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তার জবাবে এই ঘোষণা দিয়েছে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।
৯ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনীর সামরিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ‘এমেক হা-এলা’ লক্ষ্য করে এক ঝাঁক আত্মঘাতী ড্রোন দিয়ে এই হামলা চালানো হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন অসমর্থিত সূত্র ও গোয়েন্দা তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হচ্ছে যে, নেতানিয়াহু যে বাঙ্কারে বা সুরক্ষিত স্থানে অবস্থান করছিলেন, সেখানে আইআরজিসি-র নজিরবিহীন নিখুঁত হামলার সময় তিনি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারেন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্
১১ ঘণ্টা আগে