ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন আরাগচি, পাক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২: ১১
বিমানবন্দরে ইরানি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। ছবি: সংগৃহীত
বিমানবন্দরে ইরানি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে রয়টার্সের খবরে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) একটি ছোট প্রতিনিধিদল নিয়ে ইসলামাবাদ পৌঁছেছেন তিনি। বিমানবন্দরে ইরানি প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি।

ইরানি প্রতিনিধিদের আগমন উপলক্ষ্যে নিশ্ছিদ্র করা হয়েছে ইসলামাবাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ইসলামাবাদে পৌঁছে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সোজা সেরেনা হোটেলে চলে যান। সেখানে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাগচি।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার ৪০ দিন পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। পরে গত ১১ এপ্রিল এই সেরেনা হোটেলেই প্রথম দফা সংলাপে বসেছিলেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিরা।

তখন মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতা ছিলেন দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।

১১ এপ্রিলের সেই সংলাপের লক্ষ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি ও সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর। কিন্তু ২১ ঘণ্টা ধরে বৈঠক ও আলোচনার পরও ব্যর্থ হয় সেই সংলাপ, চুক্তি স্বাক্ষর না করেই ফিরে যান ভ্যান্স এবং গালিবাফ।

এবারের দ্বিতীয় দফা সফরে ইরানি প্রতিনিধি দলে নেই গালিবাফ। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাতে জানা গেছে, ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় সংলাপের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন প্রতিনিধিদল এবং সেই দলে জে ডি ভ্যান্স অনুপস্থিত। অর্থাৎ, সম্ভাব্য এই দ্বিতীয় দফা সংলাপ যদি অনুষ্ঠিত হয়, সেখানে ভ্যান্স এবং গালিবাফ— কেউই থাকছেন না।

সৈয়দ আরাগচি পাকিস্তানে পৌঁছানোর পর কাতারের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা দেশটির আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির দপ্তরের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলেছে, কাতারের আমির এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে কথা হয়েছে এবং ফোনকলে আমির বলেছেন, যুদ্ধের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তানের এই প্রয়াসকে কাতার পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে দোহা।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement