
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতশাসিত জম্মু কাশ্মিরের পর এবার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়াতে ‘মেঘ বিস্ফোরণ’ বা মেঘ-ভাঙা বৃষ্টিতে (ক্লাউড বার্স্ট) আচমকা বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ২০০ প্রাণহানি হয়েছে বলে খবর মিলেছে। এর মধ্যে ত্রাণবাহী একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।
বিবিসি উর্দুর খবরে বলা হয়েছে, ক্লাউডবার্স্ট বা মেঘ বিস্ফোরণ থেকে পাখতুনখোয়াতে অতি ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। প্রদেশটির বুনের, বাজাউর ও বাটগ্রামে এর প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকাতেই প্রাণহানিও ঘটেছে সবচেয়ে বেশি।
পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরেও অতি ভারী বর্ষণ থেকে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নিলম ও ঝিলম উপত্যকায় প্রায় ৫০০ পর্যটক আটকে পড়েছেন।
বিপর্যস্ত অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যেতে গিয়ে একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়া বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় দুজন পাইলট সহ মোট পাঁচজন মারা গেছেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একটি সূত্রে বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়াকে ‘বিপর্যস্ত এলাকা’ ঘোষণা করা হতে পারে।
বিবিসির কর্মী জুবেইর খান জানিয়েছেন, মেঘ-ভাঙা বৃষ্টির ফলে আকস্মিক বন্যাসহ ভূমিধস দেখা দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। ভূমিধসের কারণে বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছেন। এর মধ্যে শুধু গাডেজি তহশিলেই মারা গেছেন ১২০ জন।
বুনের এলাকার উপকমিশনারের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার করা মরদেহের মধ্যে মাত্র ৭৮টি হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকি মরদেহগুলো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
চাঘারজাই তহশিলে একটি ভবন চাপা পড়ে একই পরিবারের ২২ জন সদস্য মারা গেছেন। উদ্ধার কর্মীরা জানিয়েছেন, হিগুকান্দ ও পীর বাবা এলাকায় বন্যায় বহু নারী ও শিশু আটকে পড়েছে। আল মদিনা নামের একটি হোটেল সম্পূর্ণ ভেসে গেছে।
২৪ ঘণ্টায় খাইবার পাখতুনখোয়াতে ১৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি জানিয়েছে। এর মধ্যে ১৬৩ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী ও ১২টি শিশু।
মহামান্দ জেলা পুলিশ বিবিসির উর্দু বিভাগকে নিশ্চিত করেছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যবহার করা একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়েছে। বাজাউর জেলার সালারজাই এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছিল ওই এমআই-সেভেন্টিন হেলিকপ্টারটি।
খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই পাহাড়ি এলাকায় ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টারটি। দুই পাইলট সহ মোট পাঁচজন মারা গেছেন ওই ঘটনায়। ওই এলাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।
এদিকে ভারতেও মেঘ বিস্ফোরণ অব্যাহত রয়েছে। ভারতের অধীন জম্মু-কাশ্মিরের কিশতোয়ারে মেঘ-ভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসের ফলে বড়সড় বিপর্যয় হয় বৃহস্পতিবার। সেখানে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪৮, আহত শতাধিক।
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন। জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীও উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে সেখানে।

ভারতশাসিত জম্মু কাশ্মিরের পর এবার পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়াতে ‘মেঘ বিস্ফোরণ’ বা মেঘ-ভাঙা বৃষ্টিতে (ক্লাউড বার্স্ট) আচমকা বন্যা দেখা দিয়েছে। এতে অন্তত ২০০ প্রাণহানি হয়েছে বলে খবর মিলেছে। এর মধ্যে ত্রাণবাহী একটি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের।
বিবিসি উর্দুর খবরে বলা হয়েছে, ক্লাউডবার্স্ট বা মেঘ বিস্ফোরণ থেকে পাখতুনখোয়াতে অতি ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার। প্রদেশটির বুনের, বাজাউর ও বাটগ্রামে এর প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি। এসব এলাকাতেই প্রাণহানিও ঘটেছে সবচেয়ে বেশি।
পাকিস্তানশাসিত কাশ্মিরেও অতি ভারী বর্ষণ থেকে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এতে কমপক্ষে আটজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নিলম ও ঝিলম উপত্যকায় প্রায় ৫০০ পর্যটক আটকে পড়েছেন।
বিপর্যস্ত অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যেতে গিয়ে একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়েছে। খাইবার পাখতুনখোয়া বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় দুজন পাইলট সহ মোট পাঁচজন মারা গেছেন।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা পর্যালোচনায় প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সভাপতিত্বে একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একটি সূত্রে বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়াকে ‘বিপর্যস্ত এলাকা’ ঘোষণা করা হতে পারে।
বিবিসির কর্মী জুবেইর খান জানিয়েছেন, মেঘ-ভাঙা বৃষ্টির ফলে আকস্মিক বন্যাসহ ভূমিধস দেখা দিয়েছে বিভিন্ন এলাকায়। ভূমিধসের কারণে বহু মানুষ চাপা পড়ে আছেন। স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তিনি শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৫৭টি মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছেন। এর মধ্যে শুধু গাডেজি তহশিলেই মারা গেছেন ১২০ জন।
বুনের এলাকার উপকমিশনারের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, উদ্ধার করা মরদেহের মধ্যে মাত্র ৭৮টি হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। বাকি মরদেহগুলো হাসপাতালে নেওয়া সম্ভব হয়নি।
চাঘারজাই তহশিলে একটি ভবন চাপা পড়ে একই পরিবারের ২২ জন সদস্য মারা গেছেন। উদ্ধার কর্মীরা জানিয়েছেন, হিগুকান্দ ও পীর বাবা এলাকায় বন্যায় বহু নারী ও শিশু আটকে পড়েছে। আল মদিনা নামের একটি হোটেল সম্পূর্ণ ভেসে গেছে।
২৪ ঘণ্টায় খাইবার পাখতুনখোয়াতে ১৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বিপর্যয় মোকাবিলা এজেন্সি জানিয়েছে। এর মধ্যে ১৬৩ জন পুরুষ, ১৪ জন নারী ও ১২টি শিশু।
মহামান্দ জেলা পুলিশ বিবিসির উর্দু বিভাগকে নিশ্চিত করেছে, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর ব্যবহার করা একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়েছে। বাজাউর জেলার সালারজাই এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যাচ্ছিল ওই এমআই-সেভেন্টিন হেলিকপ্টারটি।
খারাপ আবহাওয়ার মধ্যেই পাহাড়ি এলাকায় ভেঙে পড়ে হেলিকপ্টারটি। দুই পাইলট সহ মোট পাঁচজন মারা গেছেন ওই ঘটনায়। ওই এলাকায় পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।
এদিকে ভারতেও মেঘ বিস্ফোরণ অব্যাহত রয়েছে। ভারতের অধীন জম্মু-কাশ্মিরের কিশতোয়ারে মেঘ-ভাঙা বৃষ্টি ও ভূমিধসের ফলে বড়সড় বিপর্যয় হয় বৃহস্পতিবার। সেখানে এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ৪৮, আহত শতাধিক।
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে স্থানীয় প্রশাসন। জাতীয় ও রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনীও উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছে সেখানে।

১৮ থেকে ৩৪ বছর বয়সী ভোটারদের মধ্যে সরকারের প্রতি অনাগ্রহ তৈরি হয়েছে। ২০২৭ সালের জাতীয় নির্বাচনে এই ভোটাররা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারেন। আগামী নির্বাচন মেলোনির ডানপন্থি জোট ও মধ্য-বামপন্থি বিরোধী জোটের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের দিকে এগোচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে
দুর্ঘটনার পরপরই ফোর্ট হুডের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং স্থানীয় জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ শুরু করেন। তবে দুর্ঘটনার সময়ে হেলিকপ্টারটি ঠিক কী ধরনের কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিল, সে বিষয়ে সামরিক কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।
১ দিন আগে
গত মে মাসে ভিভিয়ানা নামের দ্বিতীয় কন্যাসন্তানের মা হন ২৭ বছর বয়সি ক্যারোলিন লেভিট। মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে গত জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে তিনি হোয়াইট হাউসের কাজে ফিরেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি এক বিবৃতিতে তিনি জানান, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত পদে কাজ করার কা
১ দিন আগে
অবরুদ্ধ পরিবার দুটির সদস্যরা জানিয়েছেন, তাদের খাবার, পানি ও বিদ্যুতের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। খাবারের যে মজুত ছিল, তাও ফুরিয়ে আসছে। এ অবস্থায় তাদের রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
১ দিন আগে