
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিভিন্ন আরব কর্মকর্তার বরাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করতে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সঙ্গে মিলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে আবুধাবি।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পাল্টা হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জলপথটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউএই সক্রিয়ভাবে সামরিক ভূমিকা নেওয়ার উপায় খুঁজছে। এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ইউএইই হবে প্রথম, যারা সরাসরি এই সংঘাতে যুক্ত হবে।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা না করার জন্য সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়।
এদিকে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাব উত্থাপনের দিকেও এগোচ্ছে আমিরাত। যাতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমোদন পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি, যাতে হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করা যায়। তবে এই প্রস্তাবে রাশিয়া ও চীন বাধা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবুও প্রস্তাব পাস না হলেও সামরিক প্রচেষ্টায় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে ইউএই। এর মধ্যে মাইন অপসারণসহ বিভিন্ন সহায়ক কার্যক্রম থাকতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউএই যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ প্রণালীর কিছু দ্বীপ যেমন আবু মুসা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আমিরাত দাবি করে আসছে। এক বিবৃতিতে ইউএই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখা নিয়ে বিশ্বব্যাপী ঐকমত্য রয়েছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি।

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক জোটে যোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
বুধবার (১ এপ্রিল) বিভিন্ন আরব কর্মকর্তার বরাতে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করতে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের সঙ্গে মিলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে আবুধাবি।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে আমিরাত হবে প্রথম দেশ, যারা এই সরাসরি সংঘাতে যুক্ত হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের পাল্টা হামলার জেরে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে জলপথটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইউএই সক্রিয়ভাবে সামরিক ভূমিকা নেওয়ার উপায় খুঁজছে। এমন পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ইউএইই হবে প্রথম, যারা সরাসরি এই সংঘাতে যুক্ত হবে।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মিত্র দেশগুলোকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহযোগিতা না করার জন্য সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়।
এদিকে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাব উত্থাপনের দিকেও এগোচ্ছে আমিরাত। যাতে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার অনুমোদন পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়ার দেশগুলোকে নিয়ে একটি জোট গঠনের আহ্বান জানিয়েছে দেশটি, যাতে হরমুজ প্রণালী পুনরায় সচল করা যায়। তবে এই প্রস্তাবে রাশিয়া ও চীন বাধা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবুও প্রস্তাব পাস না হলেও সামরিক প্রচেষ্টায় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে ইউএই। এর মধ্যে মাইন অপসারণসহ বিভিন্ন সহায়ক কার্যক্রম থাকতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউএই যুক্তরাষ্ট্রকে হরমুজ প্রণালীর কিছু দ্বীপ যেমন আবু মুসা নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছে, যা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও আমিরাত দাবি করে আসছে। এক বিবৃতিতে ইউএই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখা নিয়ে বিশ্বব্যাপী ঐকমত্য রয়েছে এবং এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্ব রাজনীতিতে ঔপনিবেশিক আমলের মানসিকতা নিয়ে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে বিশ্ব জুড়ে আবারও 'জঙ্গলের আইন' (জোর যার মুল্লুক তার নীতি) ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে বলে যৌথভাবে সতর্ক করেছে রাশিয়া ও চীন।
১৯ ঘণ্টা আগে
ইউক্রেন যুদ্ধে চীন নিজেদের ‘নিরপেক্ষ মধ্যস্থতাকারী’ দাবি করলেও রুশ সামরিক বাহিনীর কিছু সদস্যকে চীনের মাটিতে ‘গোপনে’ ড্রোন ও যুদ্ধকৌশলের প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। পশ্চিমা গোয়েন্দারা দাবি করেছেন, গত বছরের শেষভাগে চীনের সশস্ত্র বাহিনী সে দেশের মাটিতে প্রায় ২০০ রুশ সেনাকে ‘গোপনে’ বিশেষ সামরিক প্রশি
২১ ঘণ্টা আগে
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার বেইজিংয়ে এই বৈঠক শুরু হয়েছে বলে চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা নিশ্চিত করেছে।
১ দিন আগে