নাইজেরিয়ার গ্রামে বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ১২, কয়েকজনকে অপহরণ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
নাইজেরিয়ার সকোটো রাজ্যের লাজিঞ্জে গ্রামে অস্ত্রধারীদের হামলার পর বিধ্বস্ত একটি বাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
নাইজেরিয়ার সকোটো রাজ্যের লাজিঞ্জে গ্রামে অস্ত্রধারীদের হামলার পর বিধ্বস্ত একটি বাড়ি। ছবি: সংগৃহীত

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় সকোটো অঙ্গরাজ্যের একটি গ্রামে সশস্ত্র বন্দুকধারীদের হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে একই পরিবারের ছয় সদস্যের প্রাণ গেছে আগুনে পুড়ে। হামলাকারীরা নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজনকে অপহরণ করেছে এবং বিপুল পরিমাণ গবাদিপশুও লুট করে নিয়ে গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার গভীর রাতে সাবন বিরনি এলাকার লাজিঞ্জে গ্রামে হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। ভোর পর্যন্ত তারা গ্রামটিতে তাণ্ডব চালায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা অনেক বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে আগুন দিলে পরিবারের সদস্যরা বের হতে পারেননি। ঘরে বন্দি হয়ে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ওই বাড়িতে থাকা ছয়জনের।

গ্রামের বাসিন্দা আউয়াল হাসান বলেন, ‘তারা অন্তত ১২ জনকে হত্যা করেছে, আরও চারজনকে আহত করেছে। নারী ও শিশুদের অপহরণ করেছে এবং অনেক গবাদিপশু নিয়ে গেছে।’

এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন সকোটো অঙ্গরাজ্য পুলিশের মুখপাত্র আহমেদ রুফাই। তিনি বলেন, তদন্তের অগ্রগতির বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

উত্তর-পশ্চিম নাইজেরিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই ‘ব্যান্ডিট’ নামে পরিচিত ভারী অস্ত্রধারী অপরাধী চক্রগুলোর তৎপরতা রয়েছে। তারা নিয়মিত গ্রামে হামলা চালিয়ে মুক্তিপণের জন্য মানুষ অপহরণ, গবাদিপশু লুট ও হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এসব হামলা দেশটির অন্যতম বড় নিরাপত্তা সংকটে পরিণত হয়েছে।

এই হামলার মাত্র এক সপ্তাহ আগে প্রতিবেশী জামফারা অঙ্গরাজ্যে আরেক হামলায় অন্তত ২৪ কৃষক নিহত হন। এ ছাড়া চলতি বছর জুড়েই সকোটো অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রামে ধারাবাহিকভাবে সশস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটছে, যা অঞ্চলটিকে নিরাপত্তা পরিস্থিতির দিক থেকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement