সৌদিতে সড়কে নিহত ৭ জনই কক্সবাজারের: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়

সৌদি আরবের মদিনা থেকে জেদ্দায় ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত সাত বাংলাদেশির সবাই কক্সবাজারের বাসিন্দা। তারা জেলার তিন পরিবারের সদস্য। এ ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।
শনিবার রাতে দেওয়া মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার রাতে সৌদি আরবের আল-হিমনা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে জিয়াউর রহমান, তার মেয়ে বুশরা এবং দুই ছেলে ইয়াসির ও ইয়াযান রয়েছেন। তাদের মরদেহ আল-হিমনা জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
জিয়াউর রহমানের স্ত্রী শাকিরা খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের আরেক মেয়েকে জেদ্দার বাদশা আব্দুল আজিজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আলম শাহ নামে আরেক প্রবাসীর স্ত্রী সানজিদা ও মেয়ে ফারিয়া মারা গেছেন। সানজিদার মরদেহ আল-হিমনা জেনারেল হাসপাতালে এবং ফারিয়ার মরদেহ খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। আলম শাহের ছেলে ফায়সালকে ইস্ট জেদ্দা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আলম শাহ প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
নিহত অপর বাংলাদেশির নাম আফসানা বিবি। তার স্বামী ইলিয়াস। কয়েক দিন আগে ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব গিয়েছিলেন আফসানা। তার মরদেহও খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে রাখা হয়েছে। ইলিয়াস প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
এ ঘটনায় আহত গফুর আলম নামে আরেক বাংলাদেশিকে খোলাইস জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জেদ্দায় বাংলাদেশ কনসুলেট ও খোলাইস ট্রাফিক অফিসের বরাতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দুর্ঘটনার সময় গাড়িটি চালাচ্ছিলেন পাকিস্তানের এক নাগরিক। গাড়িটির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৬০ কিলোমিটার।
সৌদি ট্রাফিক পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, অতিরিক্ত গতির কারণে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। তবে গাড়ি চালকের দাবি, চাকা ফেটে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
এর আগে জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা প্রথমে সাত বাংলাদেশির মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিলেন। পরে তা সংশোধন করে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুর কথা জানানো হয়। তবে সর্বশেষ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন সাত বাংলাদেশি।

-1c8763.jpg)






-1c8763-256x144.webp)
-984704-256x144.webp)

-b3e939-256x144.webp)
