
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে টানা আড়াই মাসেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জার পাশাপাশি হামলা হচ্ছে হাসপাতালেও। এতে করে গাজায় দেখা দিয়েছে তীব্র মানবিক সংকট।
এমনকি সংকট এতোটাই প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, ভূখণ্ডটির প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ ‘দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে’ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। ফিলিস্তিনে নিযুক্ত জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের এই সংস্থা সতর্ক করে বলেছে- ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অবরুদ্ধ গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবেশ করছে না এবং এতে করে গাজার মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ ‘দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে’ পড়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। নিহতদের মধ্যে ১৫ হাজারেরও বেশি নারী ও শিশু।
এই পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মবিষয়ক সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) বৃহস্পতিবার গাজা ইস্যুতে আবারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে। সংস্থাটি বলছে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ড ‘বিপর্যয়কর ক্ষুধার সাথে লড়াই করছে’। ইসরায়েলের অবিরাম বোমা বৃষ্টির মধ্যে গাজায় ‘মানবিক যুদ্ধবিরতির’ আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
গাজার ইউএনআরডব্লিউএ বিষয়ক পরিচালক থমাস হোয়াইটকে উদ্ধৃত করে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে বলা হয়েছে, ‘প্রতিটি দিন বেঁচে থাকার জন্য, খাদ্য এবং খাবার পানীয় খুঁজে বের করার জন্য (গাজাবাসীদের) সংগ্রাম করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তবতা হচ্ছে, আমাদের আরও সাহায্য দরকার। আর এই পরিস্থিতিতে আমাদের একমাত্রটি যে আশা অবশিষ্ট আছে তা হচ্ছে- মানবিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর।’
আল জাজিরা বলছে, গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের আরোপিত ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ এবং তার আগে টানা কয়েক বছর ধরে চলে আসা অবরোধের কারণে গাজার ফিলিস্তিনিরা খাদ্য, পানি, জ্বালানি ও ওষুধ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। মানবিক সহায়তার কনভয় প্রাথমিকভাবে মিসর হয়ে প্রবেশ করার মাধ্যমে তীব্র ঘাটতি বিক্ষিপ্তভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার বলেছে, গাজার প্রতিটি কোণায় ইসরায়েল বোমাবর্ষণ করে চলেছে এবং এতে কমপক্ষে আরও ৫০ জন নিহত হয়েছেন। গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ভূখণ্ডটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
এদিকে গাজায় আবারও খাদ্যসংকটের সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত বুধবার সংস্থাটির প্রধান এক বিবৃতিতে বলেছেন, এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভয়ঙ্কর খাদ্যসংকটের মুখে পড়বে গাজা। কয়েকলাখ মানুষ তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এর আগে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ ‘বিপর্যয়কর ক্ষুধার’ সম্মুখীন হয়েছেন বলে গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে। আর গাজার সমগ্র জনসংখ্যাই তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সংকটে রয়েছে বলে ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) রিপোর্টে জানানো হয়।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে টানা আড়াই মাসেরও বেশি সময় ধরে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। স্কুল, শরণার্থী শিবির, মসজিদ, গির্জার পাশাপাশি হামলা হচ্ছে হাসপাতালেও। এতে করে গাজায় দেখা দিয়েছে তীব্র মানবিক সংকট।
এমনকি সংকট এতোটাই প্রকট আকার ধারণ করেছে যে, ভূখণ্ডটির প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ ‘দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে’ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। ফিলিস্তিনে নিযুক্ত জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের জন্য জাতিসংঘের এই সংস্থা সতর্ক করে বলেছে- ইসরায়েলি নিষেধাজ্ঞার মধ্যে অবরুদ্ধ গাজায় পর্যাপ্ত ত্রাণ প্রবেশ করছে না এবং এতে করে গাজার মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশ ‘দুর্ভিক্ষের ঝুঁকিতে’ পড়েছেন।
গত ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভূখণ্ডটিতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ফিলিস্তিনিদের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। নিহতদের মধ্যে ১৫ হাজারেরও বেশি নারী ও শিশু।
এই পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ ও কর্মবিষয়ক সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) বৃহস্পতিবার গাজা ইস্যুতে আবারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে। সংস্থাটি বলছে, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ড ‘বিপর্যয়কর ক্ষুধার সাথে লড়াই করছে’। ইসরায়েলের অবিরাম বোমা বৃষ্টির মধ্যে গাজায় ‘মানবিক যুদ্ধবিরতির’ আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেছে সংস্থাটি।
গাজার ইউএনআরডব্লিউএ বিষয়ক পরিচালক থমাস হোয়াইটকে উদ্ধৃত করে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে বলা হয়েছে, ‘প্রতিটি দিন বেঁচে থাকার জন্য, খাদ্য এবং খাবার পানীয় খুঁজে বের করার জন্য (গাজাবাসীদের) সংগ্রাম করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাস্তবতা হচ্ছে, আমাদের আরও সাহায্য দরকার। আর এই পরিস্থিতিতে আমাদের একমাত্রটি যে আশা অবশিষ্ট আছে তা হচ্ছে- মানবিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর।’
আল জাজিরা বলছে, গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের আরোপিত ‘সম্পূর্ণ অবরোধ’ এবং তার আগে টানা কয়েক বছর ধরে চলে আসা অবরোধের কারণে গাজার ফিলিস্তিনিরা খাদ্য, পানি, জ্বালানি ও ওষুধ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। মানবিক সহায়তার কনভয় প্রাথমিকভাবে মিসর হয়ে প্রবেশ করার মাধ্যমে তীব্র ঘাটতি বিক্ষিপ্তভাবে কমানো সম্ভব হয়েছে।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার বলেছে, গাজার প্রতিটি কোণায় ইসরায়েল বোমাবর্ষণ করে চলেছে এবং এতে কমপক্ষে আরও ৫০ জন নিহত হয়েছেন। গত ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২১ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন এবং ভূখণ্ডটির মোট জনসংখ্যার প্রায় ৯০ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
এদিকে গাজায় আবারও খাদ্যসংকটের সতর্কতা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। গত বুধবার সংস্থাটির প্রধান এক বিবৃতিতে বলেছেন, এখনই পদক্ষেপ না নিলে ভয়ঙ্কর খাদ্যসংকটের মুখে পড়বে গাজা। কয়েকলাখ মানুষ তাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
এর আগে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার ৫ লাখ ৭৬ হাজার ৬০০ জনেরও বেশি মানুষ ‘বিপর্যয়কর ক্ষুধার’ সম্মুখীন হয়েছেন বলে গত সপ্তাহে জাতিসংঘের এক রিপোর্টে বলা হয়েছে। আর গাজার সমগ্র জনসংখ্যাই তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সংকটে রয়েছে বলে ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন (আইপিসি) রিপোর্টে জানানো হয়।

ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক উচ্চপদস্থ বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। দেশটির বার্তা সংস্থা মিজান নিউজ এজেন্সির বরাতে মিডল ইস্ট আই এ তথ্য জানিয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
এর আগে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের গত মঙ্গলবার ইসলামাবাদের পথে রওয়ানা দেওয়ার কথা ছিল। তবে ইরান আলোচনায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত না করায় তিনি ওয়াশিংটন ছাড়েননি। হোয়াইট হাউজ এখন বলছে, তার পাকিস্তান সফর বাতিল করা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আবু নাছের শামীম (৫০) নামের এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জোহানেসবার্গের পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১৬ ঘণ্টা আগে
কিন্তু ইসলামাবাদে যদি দুপক্ষকে শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসানোও যায়ে, তাতেও কি ফল মিলবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে দুই দেশের মধ্যে এখনো বেশকিছু ইস্যু নিয়েই রয়ে গেছে তীব্র মতবিরোধ, যা সমাধানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করতে পারে। এমন বিষয়গুলোই নিচে তুলে ধরা হলো।
১৭ ঘণ্টা আগে