
অরুণাভ বিশ্বাস

দক্ষিণ এশিয়া—একটি অঞ্চল যেখানে ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ইতিহাসে বৈচিত্র্য রয়েছে, আবার রয়েছে মিলও। একই ভূখণ্ডে এমন দেশগুলোর অবস্থান, যারা একে অপরের খুবই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, তবুও রাজনৈতিক বিভাজন ও অতীতের দ্বন্দ্ব তাদের মাঝে অনেক সময় দূরত্ব তৈরি করেছে। এই ভিন্নতা আর ঐক্যের টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই একসময় জন্ম নিয়েছিল একটি আঞ্চলিক সহযোগিতার সংগঠন—সার্ক (SAARC), যার পূর্ণরূপ হলো South Asian Association for Regional Cooperation বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
সার্কের সূচনার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রস্তুতি, নানা রাজনৈতিক সমঝোতা এবং কিছু সাহসী কূটনৈতিক উদ্যোগ। এর ইতিহাস শুরু হয় মূলত ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে, যখন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ে একে অপরের সঙ্গে বেশি যোগাযোগ গড়ে তোলার চিন্তা শুরু হয়। এই চিন্তার অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি বিশ্বাস করতেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো নিজেদের সমস্যার সমাধানে যদি একত্রে কাজ করে, তাহলে উন্নয়ন অনেক বেশি কার্যকর হবে। তাই ১৯৮০ সালে তিনি প্রস্তাব দেন, একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য।
এই প্রস্তাবে প্রথমদিকে অনেক দেশ দ্বিধা প্রকাশ করেছিল। বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকায় এমন একটি সংগঠনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু পরে ক্রমে আলোচনার মাধ্যমে দেশগুলো বুঝতে পারে, দ্বিপাক্ষিক সমস্যা বাদ দিয়ে যদি নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করা যায়, তাহলে উপকার হবে সবারই।
এই ধারাবাহিক আলোচনার ফলেই ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ—এই সাতটি দেশের শীর্ষ নেতারা ঢাকায় একত্রিত হয়ে সার্ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সার্কের অষ্টম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. রিচার্ড ফক বলেন, ‘সার্ক ছিল একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, কারণ এটি এমন একটি অঞ্চলকে একত্র করার চেষ্টা করেছিল, যেখানে অতীতে অনেক যুদ্ধ, সীমান্তবিরোধ ও আস্থার ঘাটতি ছিল। এটি শুধুমাত্র একটি অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি প্রয়াস।’
সার্কের প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ যে মূল ভূমিকা রেখেছে, তা আন্তর্জাতিক পরিসরেও স্বীকৃত। ভারতের খ্যাতনামা রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. সঞ্জয় শ্রীবাস্তব বলেন, ‘বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা ১৯৮০-এর দশকে একটি সাহসী ও কৌশলী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তারা এমন একটি সময় এই উদ্যোগ নেন, যখন অনেক দেশ নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যায় ব্যস্ত ছিল।’
সার্কের মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, কারিগরি ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। সংস্থাটি সদস্যদের মধ্যে মতবিনিময়ের মাধ্যমে আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। যেমন—দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম সম্মেলনে গৃহীত ঘোষণায় বলা হয়, ‘দক্ষিণ এশিয়ার জনগণকে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তির পথে এগিয়ে নিতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, সহযোগিতা ও শ্রদ্ধা গড়ে তোলা হবে।’ সেই থেকেই প্রতি দুই বছর পরপর সার্কের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
তবে সার্কের পথ চলা খুব সহজ ছিল না। বিভিন্ন সময় ভারত-পাকিস্তান বিরোধ এর কার্যক্রমে ছায়া ফেলেছে। কখনো কোনো দেশ একতরফাভাবে সম্মেলন বাতিল করেছে, কখনো আবার রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হয়েছে। তবুও সার্ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্জন করতে পেরেছে—যেমন, সার্ক ফুড ব্যাঙ্ক, সার্ক ইউনিভার্সিটি, এবং সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ড।
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মার্টিন রামার বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো যদি আন্তরিকভাবে সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলে, তাহলে সার্ক এশিয়ার সবচেয়ে কার্যকর আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হতে পারে। কিন্তু সেটা নির্ভর করছে সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর।’
আজ সার্কের বয়স প্রায় ৪০ বছর হতে চলেছে। এই সময়ে সংস্থাটি বেশ কয়েকবার গতি হারিয়েছে, আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ জনগোষ্ঠী, প্রযুক্তির প্রসার ও জলবায়ু সংকটের মতো বিষয়গুলো এখন সার্ককে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে দেখা গেছে, এক দেশের সমস্যা কিভাবে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজন এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
একজন তরুণ গবেষক হিসেবে ভারতের Jawaharlal Nehru University-এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ছাত্রী স্নেহা কুমারী বলেন, ‘আমরা যদি পারস্পরিক বিভেদকে পেছনে ফেলে আঞ্চলিক ঐক্যের দিকেই মনোযোগ দিই, তাহলে সার্ক শুধু কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবেও এক বিশাল পরিবর্তনের বাহন হয়ে উঠতে পারে।’
পরিশেষে বলা যায়, সার্ক শুধুই একটি কূটনৈতিক সংগঠন নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্ন—একটি এমন অঞ্চল যেখানে দেশগুলোর সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ, উন্নয়ন হবে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে, আর মানুষ পাবেন সম্মান ও শান্তিতে বসবাসের সুযোগ। এই স্বপ্ন হয়তো এক দিনে বাস্তবায়ন হবে না, তবে সার্ক তার পথ তৈরি করে দিয়েছে—চলতে হবে শুধু সেই পথ ধরেই।

দক্ষিণ এশিয়া—একটি অঞ্চল যেখানে ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্ম এবং ইতিহাসে বৈচিত্র্য রয়েছে, আবার রয়েছে মিলও। একই ভূখণ্ডে এমন দেশগুলোর অবস্থান, যারা একে অপরের খুবই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, তবুও রাজনৈতিক বিভাজন ও অতীতের দ্বন্দ্ব তাদের মাঝে অনেক সময় দূরত্ব তৈরি করেছে। এই ভিন্নতা আর ঐক্যের টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই একসময় জন্ম নিয়েছিল একটি আঞ্চলিক সহযোগিতার সংগঠন—সার্ক (SAARC), যার পূর্ণরূপ হলো South Asian Association for Regional Cooperation বা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
সার্কের সূচনার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ প্রস্তুতি, নানা রাজনৈতিক সমঝোতা এবং কিছু সাহসী কূটনৈতিক উদ্যোগ। এর ইতিহাস শুরু হয় মূলত ১৯৭০-এর দশকের শেষ দিকে, যখন দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও প্রযুক্তি বিষয়ে একে অপরের সঙ্গে বেশি যোগাযোগ গড়ে তোলার চিন্তা শুরু হয়। এই চিন্তার অন্যতম প্রবক্তা ছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি বিশ্বাস করতেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো নিজেদের সমস্যার সমাধানে যদি একত্রে কাজ করে, তাহলে উন্নয়ন অনেক বেশি কার্যকর হবে। তাই ১৯৮০ সালে তিনি প্রস্তাব দেন, একটি আঞ্চলিক সহযোগিতা প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার জন্য।
এই প্রস্তাবে প্রথমদিকে অনেক দেশ দ্বিধা প্রকাশ করেছিল। বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন থাকায় এমন একটি সংগঠনের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। কিন্তু পরে ক্রমে আলোচনার মাধ্যমে দেশগুলো বুঝতে পারে, দ্বিপাক্ষিক সমস্যা বাদ দিয়ে যদি নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করা যায়, তাহলে উপকার হবে সবারই।
এই ধারাবাহিক আলোচনার ফলেই ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান ও মালদ্বীপ—এই সাতটি দেশের শীর্ষ নেতারা ঢাকায় একত্রিত হয়ে সার্ক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে আফগানিস্তান সার্কের অষ্টম সদস্য হিসেবে যুক্ত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. রিচার্ড ফক বলেন, ‘সার্ক ছিল একটি ব্যতিক্রমী উদ্যোগ, কারণ এটি এমন একটি অঞ্চলকে একত্র করার চেষ্টা করেছিল, যেখানে অতীতে অনেক যুদ্ধ, সীমান্তবিরোধ ও আস্থার ঘাটতি ছিল। এটি শুধুমাত্র একটি অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের একটি প্রয়াস।’
সার্কের প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ যে মূল ভূমিকা রেখেছে, তা আন্তর্জাতিক পরিসরেও স্বীকৃত। ভারতের খ্যাতনামা রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. সঞ্জয় শ্রীবাস্তব বলেন, ‘বাংলাদেশের কূটনীতিকেরা ১৯৮০-এর দশকে একটি সাহসী ও কৌশলী ভূমিকা পালন করেছিলেন। তারা এমন একটি সময় এই উদ্যোগ নেন, যখন অনেক দেশ নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যায় ব্যস্ত ছিল।’
সার্কের মূল উদ্দেশ্য ছিল সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, কারিগরি ও বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা। সংস্থাটি সদস্যদের মধ্যে মতবিনিময়ের মাধ্যমে আঞ্চলিক সমস্যাগুলো সমাধানের পথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করে। যেমন—দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা এবং নারীর ক্ষমতায়ন ইত্যাদি।
ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম সম্মেলনে গৃহীত ঘোষণায় বলা হয়, ‘দক্ষিণ এশিয়ার জনগণকে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তির পথে এগিয়ে নিতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস, সহযোগিতা ও শ্রদ্ধা গড়ে তোলা হবে।’ সেই থেকেই প্রতি দুই বছর পরপর সার্কের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
তবে সার্কের পথ চলা খুব সহজ ছিল না। বিভিন্ন সময় ভারত-পাকিস্তান বিরোধ এর কার্যক্রমে ছায়া ফেলেছে। কখনো কোনো দেশ একতরফাভাবে সম্মেলন বাতিল করেছে, কখনো আবার রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব হয়েছে। তবুও সার্ক কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্জন করতে পেরেছে—যেমন, সার্ক ফুড ব্যাঙ্ক, সার্ক ইউনিভার্সিটি, এবং সার্ক ডেভেলপমেন্ট ফান্ড।
বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মার্টিন রামার বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো যদি আন্তরিকভাবে সহযোগিতার সংস্কৃতি গড়ে তোলে, তাহলে সার্ক এশিয়ার সবচেয়ে কার্যকর আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হতে পারে। কিন্তু সেটা নির্ভর করছে সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর।’
আজ সার্কের বয়স প্রায় ৪০ বছর হতে চলেছে। এই সময়ে সংস্থাটি বেশ কয়েকবার গতি হারিয়েছে, আবার নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেছে। দক্ষিণ এশিয়ার তরুণ জনগোষ্ঠী, প্রযুক্তির প্রসার ও জলবায়ু সংকটের মতো বিষয়গুলো এখন সার্ককে নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে দেখা গেছে, এক দেশের সমস্যা কিভাবে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তাই আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রয়োজন এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।
একজন তরুণ গবেষক হিসেবে ভারতের Jawaharlal Nehru University-এর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ছাত্রী স্নেহা কুমারী বলেন, ‘আমরা যদি পারস্পরিক বিভেদকে পেছনে ফেলে আঞ্চলিক ঐক্যের দিকেই মনোযোগ দিই, তাহলে সার্ক শুধু কাগজে-কলমে নয়, বাস্তবেও এক বিশাল পরিবর্তনের বাহন হয়ে উঠতে পারে।’
পরিশেষে বলা যায়, সার্ক শুধুই একটি কূটনৈতিক সংগঠন নয়, এটি দক্ষিণ এশিয়ার স্বপ্ন—একটি এমন অঞ্চল যেখানে দেশগুলোর সম্পর্ক হবে বন্ধুত্বপূর্ণ, উন্নয়ন হবে অংশীদারত্বের ভিত্তিতে, আর মানুষ পাবেন সম্মান ও শান্তিতে বসবাসের সুযোগ। এই স্বপ্ন হয়তো এক দিনে বাস্তবায়ন হবে না, তবে সার্ক তার পথ তৈরি করে দিয়েছে—চলতে হবে শুধু সেই পথ ধরেই।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল। মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ ও ঝুঁকি কমাতেই ওয়াশিংটন এই তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইরান কোনো লিখিত জবাব না দিয়ে তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে নিজ
৩ ঘণ্টা আগে
প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ এক লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের সবশেষ বাজেটের ২৩ দশমিক ১৯ শতাংশ বা প্রায় এক-চতুর্থাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রতিরক্ষা খাতে এর আগে কখনো এত বেশি বাজেট প্রস্তাব করা হয়নি।
১০ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকবি মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আগামী ৩০ দিনের জন্য ইসলামাবাদের সব গণপরিবহনের ভাড়া ফ্রি থাকবে। যা কাল শনিবার থেকে কার্যকর হবে। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৩৫০ মিলিয়ন রুপি ব্যয় বহন করবে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত
১৩ ঘণ্টা আগে
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ঘাতক যুবকের পরনে ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের ২৪ নম্বর লেখা একটি হলুদ রঙের বাস্কেটবল জার্সি এবং পায়ে হলুদ জুতা। পিঠে ছিল একটি সাদা ব্যাগ। ভিডিওতে দেখা যায়, যুবকটি হাতে একটি বড় হাতুড়ি নিয়ে ইয়াসমিনের ওপর উপর্যুপরি আঘাত করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে