
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে 'ফলপ্রসূ' বৈঠকেও কোনো সমাধান আনতে না পারার পর এবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টাত দিকে হোয়াইট হাউজে এ বৈঠক শুরু হয়েছে। এ বৈঠকের পরপরই আবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতেই ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ট্রাম্প।
বৈঠকের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে অনেক অগ্রগতি হচ্ছে। এ সময় জেলেনস্কি বলেন, কূটনৈতিকভাবে যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনায় ইউক্রেনের সমর্থন আছে।
এর আগে গত শুক্রবার আলাস্কার একটি সামরিক ঘাঁটিতে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞরা আগেই বলেছিলেন, সে বৈঠক থেকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু মিলবে না। তাদের আশঙ্কাই সত্য হয়েছে।
শুক্রবারের ওই বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, তাদের বৈঠক 'ফলপ্রসূ' হয়েছে। তবে রাশিয়ার নানা শর্তের বেড়াজালে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো স্থির সিদ্ধান্ত আসেনি। পরে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি চাইলে তাদের ক্রিমিয়া ছেড়ে দিতে হবে। ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়ায় আশাও বাদ দিতে হবে।
ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকে যেসব শর্ত আলোচনায় উঠে এসেছিল, ওইসব শর্তগুলোই জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বিস্তারিত আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকে রাশিয়ার কোনো প্রতিনিধি না থাকলেও পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের ধারাবাহিকতায় ট্রাম্প নিজেই রাশিয়ার শর্তগুলো আলোচনায় তুলে আনবেন বলে মনে করছে মস্কো।
ট্রাম্প এরই মধ্যে বলেছেন, ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিতে পারবে না। রাশিয়াও তার এই ঘোষণা বাস্তবায়ন চায়। ইউক্রেনের দনবাস এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণও চায় রাশিয়া। অর্থাৎ দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল রাশিয়ার কাছে ছেড়ে দিতে হবে ইউক্রেনকে।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের ক্ষেত্রে জেলেনস্কিকেই প্রধান বাধা মনে করা যেতে পারে। এ অবস্থায় জেলেনস্কি কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছেন বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।
ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের পর এটি স্পষ্ট, ট্রাম্প এবার জেলেনস্কিকে ইউক্রেনের কিছু এলাকার দাবি ছেড়ে দিতে চাপ দেবেন। কিন্তু জেলেনস্কির জন্য এসব এলাকা ছেড়ে দেওয়ার দাবি মেনে নেওয়া কঠিন। এর অন্যতম কারণ, যে দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল রাশিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার কথা উঠেছে, এসব অঞ্চল রক্ষা করতে গত তিন বছরের যুদ্ধে কয়েক হাজার ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ দিয়েছেন।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যেকোনো ধরনের চুক্তি করার ক্ষেত্রে ভূখণ্ড ছেড়ে না দেওয়ার বিষয়ে কিয়েভের অনড় অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
ক্রিমিয়া নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পর্কে সিবিহা বলেন, ক্রিমিয়া ইউক্রেনের। মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েই জেলেনস্কি ওয়াশিংটনে গেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাত এবারের নির্বাচনি প্রচারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা নিয়ে। তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির একটি ছিল, ক্ষমতায় এলে এই যুদ্ধ বন্ধ করবেন তিনি। তবে জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে খুব একটা অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়।
ট্রাম্প প্রশাসন গত সাত মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও যুদ্ধ বন্ধ তো দূরের কথা, বিরতি আনার উপযোগী কোনো সমাধান বের করতে পারেননি। এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের একমাত্র লক্ষ্য, যেকোনোভাবেই হোক, দুপক্ষকে নানা শর্ত মানিয়ে যুদ্ধবিরতির কৌশল বের করে আনা।
এদিকে গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত বন্ধের কৌশল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন ইউরোপীয় নেতারাও। এর মধ্যে দফায় দফায় তারা জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আজ ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠের পর ইউরোপীয় নেতারাও বৈঠক করবেন ট্রাম্পের সঙ্গে।
সোমবারের দ্বিতীয় এই বৈঠকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর শীর্ষ নেতাদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ইউরোপীয় নেতারা বলছেন, তারা ইউক্রেনের প্রতি সংহতি জানাচ্ছেন। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলে এর পরবর্তী সময়ে যেন ইউক্রেন ও ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা তৈরি না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে চান তারা।
আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের পর ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, ট্রাম্প অনেকটাই ঝুঁকে পড়েছেন রাশিয়ার প্রতি। কিন্তু রাশিয়াকে নিয়ে তাদের উদ্বেগ কমেনি। এটি তারা ট্রাম্পের কাছে স্পষ্ট করে তুলে ধরবেন বৈঠকে। ভবিষ্যতে রাশিয়ার সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে একটি বিশ্বাসযোগ্য অঙ্গীকার পেতে হবে বলেও মনে করছেন তারা।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে 'ফলপ্রসূ' বৈঠকেও কোনো সমাধান আনতে না পারার পর এবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বিবিসির খবরে বলা হয়, সোমবার (১৮ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টাত দিকে হোয়াইট হাউজে এ বৈঠক শুরু হয়েছে। এ বৈঠকের পরপরই আবার রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতেই ইউরোপীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ট্রাম্প।
বৈঠকের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে অনেক অগ্রগতি হচ্ছে। এ সময় জেলেনস্কি বলেন, কূটনৈতিকভাবে যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনায় ইউক্রেনের সমর্থন আছে।
এর আগে গত শুক্রবার আলাস্কার একটি সামরিক ঘাঁটিতে পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন ট্রাম্প। বিশেষজ্ঞরা আগেই বলেছিলেন, সে বৈঠক থেকে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আশাবাদী হওয়ার মতো কিছু মিলবে না। তাদের আশঙ্কাই সত্য হয়েছে।
শুক্রবারের ওই বৈঠকের পর ট্রাম্প জানান, তাদের বৈঠক 'ফলপ্রসূ' হয়েছে। তবে রাশিয়ার নানা শর্তের বেড়াজালে যুদ্ধবিরতি নিয়ে কোনো স্থির সিদ্ধান্ত আসেনি। পরে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেন যুদ্ধবিরতি চাইলে তাদের ক্রিমিয়া ছেড়ে দিতে হবে। ন্যাটোর সদস্যপদ পাওয়ায় আশাও বাদ দিতে হবে।
ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকে যেসব শর্ত আলোচনায় উঠে এসেছিল, ওইসব শর্তগুলোই জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প বিস্তারিত আলোচনা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিবিসির আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জেলেনস্কির সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকে রাশিয়ার কোনো প্রতিনিধি না থাকলেও পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের ধারাবাহিকতায় ট্রাম্প নিজেই রাশিয়ার শর্তগুলো আলোচনায় তুলে আনবেন বলে মনে করছে মস্কো।
ট্রাম্প এরই মধ্যে বলেছেন, ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দিতে পারবে না। রাশিয়াও তার এই ঘোষণা বাস্তবায়ন চায়। ইউক্রেনের দনবাস এলাকার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণও চায় রাশিয়া। অর্থাৎ দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল রাশিয়ার কাছে ছেড়ে দিতে হবে ইউক্রেনকে।
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর থেকে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত যেসব বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের ক্ষেত্রে জেলেনস্কিকেই প্রধান বাধা মনে করা যেতে পারে। এ অবস্থায় জেলেনস্কি কিছুটা ব্যাকফুটে রয়েছেন বলে মন্তব্য বিশেষজ্ঞদের।
ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের পর এটি স্পষ্ট, ট্রাম্প এবার জেলেনস্কিকে ইউক্রেনের কিছু এলাকার দাবি ছেড়ে দিতে চাপ দেবেন। কিন্তু জেলেনস্কির জন্য এসব এলাকা ছেড়ে দেওয়ার দাবি মেনে নেওয়া কঠিন। এর অন্যতম কারণ, যে দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল রাশিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার কথা উঠেছে, এসব অঞ্চল রক্ষা করতে গত তিন বছরের যুদ্ধে কয়েক হাজার ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ দিয়েছেন।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রেই সিবিহা বলেছেন, রাশিয়ার সঙ্গে যেকোনো ধরনের চুক্তি করার ক্ষেত্রে ভূখণ্ড ছেড়ে না দেওয়ার বিষয়ে কিয়েভের অনড় অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
ক্রিমিয়া নিয়ে ট্রাম্পের বক্তব্য সম্পর্কে সিবিহা বলেন, ক্রিমিয়া ইউক্রেনের। মিত্রদের সঙ্গে আলোচনা করে এ বিষয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েই জেলেনস্কি ওয়াশিংটনে গেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাত এবারের নির্বাচনি প্রচারে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করা নিয়ে। তার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির একটি ছিল, ক্ষমতায় এলে এই যুদ্ধ বন্ধ করবেন তিনি। তবে জানুয়ারিতে ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এ বিষয়ে খুব একটা অগ্রগতি দৃশ্যমান নয়।
ট্রাম্প প্রশাসন গত সাত মাসে রাশিয়া ও ইউক্রেনের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেও যুদ্ধ বন্ধ তো দূরের কথা, বিরতি আনার উপযোগী কোনো সমাধান বের করতে পারেননি। এ পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের একমাত্র লক্ষ্য, যেকোনোভাবেই হোক, দুপক্ষকে নানা শর্ত মানিয়ে যুদ্ধবিরতির কৌশল বের করে আনা।
এদিকে গত কয়েক মাস ধরে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত বন্ধের কৌশল খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন ইউরোপীয় নেতারাও। এর মধ্যে দফায় দফায় তারা জেলেনস্কির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। আজ ট্রাম্প-জেলেনস্কি বৈঠের পর ইউরোপীয় নেতারাও বৈঠক করবেন ট্রাম্পের সঙ্গে।
সোমবারের দ্বিতীয় এই বৈঠকে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ফিনল্যান্ড, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর শীর্ষ নেতাদের যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
ইউরোপীয় নেতারা বলছেন, তারা ইউক্রেনের প্রতি সংহতি জানাচ্ছেন। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলে এর পরবর্তী সময়ে যেন ইউক্রেন ও ইউরোপের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা তৈরি না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে চান তারা।
আলাস্কায় ট্রাম্প-পুতিন বৈঠকের পর ইউরোপীয় নেতারা মনে করছেন, ট্রাম্প অনেকটাই ঝুঁকে পড়েছেন রাশিয়ার প্রতি। কিন্তু রাশিয়াকে নিয়ে তাদের উদ্বেগ কমেনি। এটি তারা ট্রাম্পের কাছে স্পষ্ট করে তুলে ধরবেন বৈঠকে। ভবিষ্যতে রাশিয়ার সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে একটি বিশ্বাসযোগ্য অঙ্গীকার পেতে হবে বলেও মনে করছেন তারা।

এডওয়ার্ডস এয়ারফোর্স বেইসের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “রুটিন টেস্ট মিশনের অংশ হিসেবে বিমান বাহিনীর একটি বি-৫২ বম্বার এডওয়ার্ড বিমান ঘাঁটির রানওয়ে থেকে বেলা ১১টা ২০ মিনিটে উড্ডয়নের কিছুক্ষণের মধ্যেই বিধ্বস্ত হয়েছে। বিমানটিতে চালকসহ মোট ৮ জন যাত্রী ছিলেন। তাদের কেউই বেঁচে নেই।”
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা চুক্তি মানতে ইসরায়েল বাধ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী বেন গাভির। ওই চুক্তিতে লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপর হামলা বন্ধের শর্ত থাকলেও ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থি এই নেতা হিজবুল্লাহকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া পর্যন্ত আরও তীব্র হামলা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছে
২১ ঘণ্টা আগে
লেবাননের প্রেসিডেন্ট বলেন, এই সমঝোতা যেন কেবল কূটনৈতিক নথিতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তব পদক্ষেপে পরিণত হয়। এই সমঝোতায় যেন সহিংসতার চক্র শেষ হয়ে দেশটিতে শান্তি, নিরাপত্তা ও পুনর্গঠনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়।
১ দিন আগে
১৬ বছরের কম বয়সী শিশু-কিশোরদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। একই সঙ্গে গেমিং প্ল্যাটফর্ম ও লাইভস্ট্রিমিং সেবার ওপরও নতুন বিধিনিষেধ আরোপের পরিকল্পনা জানিয়েছে তার সরকার। প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর এ পদক্ষেপকে বিশ্বের সবচ
১ দিন আগে