
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে একমত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।
এক্স পোস্টে কাজা কালাস লেখেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) যে নির্যাতন চালিয়েছে, তা উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। এ কারণেই আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করার ‘সাহসী সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ইরানের ২১টি সরকারি সংস্থা ও বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ জব্দের পদক্ষেপ নিয়েছে ইইউ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধান প্রসিকিউটরসহ আঞ্চলিক পর্যায়ের আইআরজিসি কমান্ডাররা।
এদিকে ইইউ’র এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় আইআরজিসি এটিকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং বিদ্বেষপ্রবণ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইনও এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। এটি অনেক দিন ধরেই প্রয়োজনীয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ইরানে মুদ্রার (রিয়াল) মূল্যপতন এবং অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। ধীরে ধীরে এই বিক্ষোভ দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থার দাবি, এই বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার ১২৬ জন নিহত হয়েছেন।

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীকে (আইআরজিসি) ‘সন্ত্রাসী সংস্থা’ হিসেবে ঘোষণা করার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে একমত হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য রাষ্ট্রগুলো।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাজা কালাস। তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড এ খবর জানিয়েছে।
এক্স পোস্টে কাজা কালাস লেখেন, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) যে নির্যাতন চালিয়েছে, তা উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। এ কারণেই আইআরজিসিকে ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে ঘোষণা করার ‘সাহসী সিদ্ধান্ত’ নেওয়া হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের পাশাপাশি ইরানের ২১টি সরকারি সংস্থা ও বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদ জব্দের পদক্ষেপ নিয়েছে ইইউ। নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধান প্রসিকিউটরসহ আঞ্চলিক পর্যায়ের আইআরজিসি কমান্ডাররা।
এদিকে ইইউ’র এই ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় আইআরজিসি এটিকে ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং বিদ্বেষপ্রবণ’ সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করেছে।
অন্যদিকে ইউরোপীয় কমিশনের সভাপতি উরসুলা ভন ডের লেইনও এই রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। এটি অনেক দিন ধরেই প্রয়োজনীয় ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, ইরানে মুদ্রার (রিয়াল) মূল্যপতন এবং অর্থনৈতিক সংকটের প্রেক্ষাপটে গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিক্ষোভ শুরু হয়। ধীরে ধীরে এই বিক্ষোভ দেশের বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থার দাবি, এই বিক্ষোভে অন্তত ৬ হাজার ১২৬ জন নিহত হয়েছেন।

অভিযানের সময় একটি বাড়িতে গোলাবর্ষণের ফলে এক ব্যক্তি, তার মা ও দাদি নিহত হন। একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ আরও কয়েকজন আহত হন এবং তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খলিফা গুল নওয়াজ হাসপাতালের একজন মুখপাত্র জানান, আহত চারজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে, যাদের মধ্যে দুই নারী ও দুই শিশু রয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
রয়টার্স ইরানের অভ্যন্তরে থাকা পাঁচ মানবাধিকার কর্মীর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনী দেশজুড়ে ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে তল্লাশি চৌকি বসিয়ে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের অনেককেই পরিচয় গোপন রাখা ‘সেফ হাউস’ বা গোপন কোনো স্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের বৈঠকের পর ভিসামুক্ত ভ্রমণ সুবিধা, বিনিয়োগসহ একগুচ্ছ চুক্তি ও সমঝোতার ঘোষণা আসে।
১ দিন আগে
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছেন আইনপ্রণেতা ডায়োজেনেস কুইন্তেরো আমায়া এবং আসন্ন কংগ্রেস নির্বাচনের প্রার্থী কার্লোস সালসেদো।
২ দিন আগে