
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লেবার পার্টির নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরই ব্রিটেনের জন্য নিজের ভবিষ্যৎ রূপরেখা ঘোষণা করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। আবেগঘন ভাষণে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন— ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’। একই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন— বিভক্তির রাজনীতি নয়, ঐক্যবদ্ধ একটি লেবার সরকার গড়ে তুলে তিনি ব্রিটেনে আবারও ‘আশা ফিরিয়ে আনবেন’।
বিবিসি ও গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিশেষ দলীয় সম্মেলনে লেবারের নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিয়েছেন বার্নহ্যাম। আগামী সোমবার (২০ জুলাই) তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর মধ্য দিয়ে কিয়ের স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। ১০ বছরের মধ্যে বার্নহ্যাম হবেন যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী।
লেবার পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বার্নহ্যাম বলেন, তিনি নিজের সব সিদ্ধান্তে সফল হননি এবং কোথাও কোথাও ব্যর্থও হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কোথাও যদি আমি প্রত্যাশা পূরণ করতে না পেরে থাকি, তার জন্য আমি দুঃখিত।’
লেবারের নতুন এই নেতা আরও বলেন, পথ চলতে চলতে তিনি মানুষের কথা শুনেছেন, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন এবং সেই কারণেই আরও পরিণত হয়েছেন। এরপরই দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি জানি আমি কী বিশ্বাস করি এবং আমি কী করতে চাই। আই হ্যাভ আ প্ল্যান। লেবার পার্টির নতুন নেতা হিসেবে আমি আবারও মানুষের আশা ফিরিয়ে আনব। আমি আপনাদের প্রত্যেকের ওপর বিশ্বাস করি এবং আমি আত্মবিশ্বাসী—আমরা এটা পারব।
বক্তব্য শেষ হতেই উপস্থিত নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে বার্নহ্যামকে অভিবাদন জানান এবং দীর্ঘ করতালিতে তাকে অভিনন্দিত করেন।
বার্নহ্যাম সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। সেদিন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশ করবেন বার্নহ্যাম।
লেবার পার্টির নেতারা জানিয়েছেন, সোমবার ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দেওয়া প্রথম ভাষণে বার্নহ্যাম ‘আরও ভালো ব্রিটেনের স্বপ্ন’ তুলে ধরবেন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম সপ্তাহেই জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে একাধিক নীতি ঘোষণা করবেন বলেও জানিয়েছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা নিয়ে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি উত্তর ইংল্যান্ডে সরকারের উপস্থিতি জোরদার করতে ‘নম্বর ১০ নর্থ’ সফর করবেন।
বার্নহ্যাম তার বক্তব্যে বলেন, গত ৪০ বছরের মধ্যে এটিই ব্রিটিশ রাজনীতির সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। তার ভাষায়, ‘এটাই লেবারের জন্য সবকিছু ঠিক করার শেষ সুযোগ। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আমাদের দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল করেছে। আজ আমরা সেই অধ্যায় অতিক্রম করেছি।’
বার্নহ্যাম প্রতিশ্রুতি দেন, তার নেতৃত্বে এমন একটি ‘স্বতন্ত্র লেবার সরকার’ গড়ে উঠবে, যা কনজারভেটিভ, গ্রিন বা রিফর্ম ইউকের নকল করবে না। তিনি বলেন, ‘পরিবর্তন আমাদের নিজেদের থেকেই শুরু হবে। আমি নিরলসভাবে একটি ঐক্যবদ্ধ লেবার দলের সংস্কৃতি গড়ে তুলব। আমরা যদি নিজেদের অভ্যন্তরীণ লড়াই আর টানাপোড়েনে ব্যস্ত থাকি, তাহলে ব্রিটেনের নতুন ডানপন্থাকে কখনোই পরাজিত করতে পারব না। এটি আত্মঘাতী বিলাসিতা।’
নতুন নেতা হিসেবে বার্নহ্যাম ব্রিটেনের জন্য স্পষ্ট বামঘেঁষা রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৮০–এর দশকের থ্যাচারবাদের প্রভাব থেকে দেশকে বের করে আনতে হবে।
বার্নহ্যামের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—
তবে বার্নহ্যাম একই সঙ্গে স্পষ্ট করে দেন, ব্যবসাবান্ধব অবস্থান থেকেও তিনি সরে আসবেন না। তিনি বলেন, ‘আমি ব্যবসাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হব, যেমনটা গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র থাকাকালেও ছিলাম।’
ওয়েস্টমিনস্টারে অতিরিক্ত ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ সেবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার সংস্কৃতি পরিবর্তন করতে হবে উল্লেখ করে লেবার পার্টির নতুন এই নেতা বলেন, আমি চাই মানুষ বুঝুক, আমি যে রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছি তার পেছনের চিন্তাটা কী।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বার্নহ্যাম বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তার সবচেয়ে জরুরি কাজ হবে সামাজিক সেবাখাতের দীর্ঘদিনের সংকট সমাধান করা। তিনি বলেন, ‘সামাজিক সেবার সংকট সমাধান না হলে এনএইচএস কখনোই পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কারণ প্রয়োজনীয় সেবার অভাবে অসংখ্য মানুষ হাসপাতালেই আটকে থাকছেন।’
এ কাজ সহজ হবে না স্বীকার করে নিয়েও বার্নহ্যাম বলেন, ‘এর জন্য কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কিন্তু আমি সমস্যাকে ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখব না। সামাজিক সেবাখাত সংস্কারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমি রাজনৈতিক মূলধন ব্যয় করব। আমি সময় নষ্ট করব না। কারণ আমরা যত বছর দেরি করব, তত হাজার হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন।’
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই অ্যান্ড বার্নহ্যামকে ‘উত্তরের রাজনীতিক’ হিসেবে দেখা হয়। এ প্রসঙ্গে বার্নহ্যাম বলেন, ‘আমি উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম— স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড— পুরো যুক্তরাজ্যের নেতা হতে চাই। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন দেশের প্রতিটি অংশের মানুষের হয়ে কথা বলতে হবে এবং সবাইকে একটি অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত করতে হবে। ‘আমি ওয়েস্টমিনস্টার ও হোয়াইটহল থেকে ক্ষমতা ফিরিয়ে এনে মানুষের স্থানীয় সম্প্রদায়ের হাতে তুলে দেবো।’
বার্নহ্যামের মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার ঘোষণা করা হবে। তবে এরই মধ্যে সম্ভাব্য কয়েকটি নিয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ অর্থমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। যদিও দলটির বামপন্থিরা এই পদে এড মিলিব্যান্ডকে দেখতে চান। এ ছাড়া বর্তমান চিফ হুইপ জোনাথন রেনল্ডসকে বর্তমান দায়িত্বের বাইরে বড় ব্যবসা ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও অ্যাঞ্জেলা রেইনারকে স্বাস্থ্যসচিব করে সামাজিক সেবাখাতের দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনাও চলছে।
বার্নহ্যামকে ‘ফাঁপা’ ও ‘ব্রিটিশ রাজনীতির সবচেয়ে বড় রং বদলানো রাজনীতিক’ বলে কটাক্ষ করেছেন রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ। অন্যদিকে কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান কেভিন হলিনর্যাক অভিযোগ করেন, পার্লামেন্ট অধিবেশন না থাকায় বার্নহ্যামকে এখনই জবাবদিহি করতে হচ্ছে না।
কেভিন ‘অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলছেন, তার একটি পরিকল্পনা আছে। তাহলে সেটি কী? লেবার পার্টির নেতা এবং হতে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার উচিত পার্লামেন্টে এসে সেটি ব্যাখ্যা করা। এখনো সময় আছে। সোমবার পার্লামেন্টে এসে নিজের পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করুন এবং এমপিদের প্রশ্নের উত্তর দিন।’

লেবার পার্টির নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার পরই ব্রিটেনের জন্য নিজের ভবিষ্যৎ রূপরেখা ঘোষণা করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। আবেগঘন ভাষণে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন— ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’। একই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন— বিভক্তির রাজনীতি নয়, ঐক্যবদ্ধ একটি লেবার সরকার গড়ে তুলে তিনি ব্রিটেনে আবারও ‘আশা ফিরিয়ে আনবেন’।
বিবিসি ও গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) বিশেষ দলীয় সম্মেলনে লেবারের নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নিয়েছেন বার্নহ্যাম। আগামী সোমবার (২০ জুলাই) তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এর মধ্য দিয়ে কিয়ের স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হবেন তিনি। ১০ বছরের মধ্যে বার্নহ্যাম হবেন যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী।
লেবার পার্টির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বার্নহ্যাম বলেন, তিনি নিজের সব সিদ্ধান্তে সফল হননি এবং কোথাও কোথাও ব্যর্থও হয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই আমার সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেছি। কোথাও যদি আমি প্রত্যাশা পূরণ করতে না পেরে থাকি, তার জন্য আমি দুঃখিত।’
লেবারের নতুন এই নেতা আরও বলেন, পথ চলতে চলতে তিনি মানুষের কথা শুনেছেন, ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছেন এবং সেই কারণেই আরও পরিণত হয়েছেন। এরপরই দৃঢ় কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমি জানি আমি কী বিশ্বাস করি এবং আমি কী করতে চাই। আই হ্যাভ আ প্ল্যান। লেবার পার্টির নতুন নেতা হিসেবে আমি আবারও মানুষের আশা ফিরিয়ে আনব। আমি আপনাদের প্রত্যেকের ওপর বিশ্বাস করি এবং আমি আত্মবিশ্বাসী—আমরা এটা পারব।
বক্তব্য শেষ হতেই উপস্থিত নেতাকর্মীরা দাঁড়িয়ে বার্নহ্যামকে অভিবাদন জানান এবং দীর্ঘ করতালিতে তাকে অভিনন্দিত করেন।
বার্নহ্যাম সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। সেদিন বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন। এরপর নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ডাউনিং স্ট্রিটে প্রবেশ করবেন বার্নহ্যাম।
লেবার পার্টির নেতারা জানিয়েছেন, সোমবার ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দেওয়া প্রথম ভাষণে বার্নহ্যাম ‘আরও ভালো ব্রিটেনের স্বপ্ন’ তুলে ধরবেন। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম সপ্তাহেই জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে একাধিক নীতি ঘোষণা করবেন বলেও জানিয়েছেন। কয়েক দিনের মধ্যেই তিনি প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা নিয়ে বৈঠক করবেন। পাশাপাশি উত্তর ইংল্যান্ডে সরকারের উপস্থিতি জোরদার করতে ‘নম্বর ১০ নর্থ’ সফর করবেন।
বার্নহ্যাম তার বক্তব্যে বলেন, গত ৪০ বছরের মধ্যে এটিই ব্রিটিশ রাজনীতির সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। তার ভাষায়, ‘এটাই লেবারের জন্য সবকিছু ঠিক করার শেষ সুযোগ। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আমাদের দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল করেছে। আজ আমরা সেই অধ্যায় অতিক্রম করেছি।’
বার্নহ্যাম প্রতিশ্রুতি দেন, তার নেতৃত্বে এমন একটি ‘স্বতন্ত্র লেবার সরকার’ গড়ে উঠবে, যা কনজারভেটিভ, গ্রিন বা রিফর্ম ইউকের নকল করবে না। তিনি বলেন, ‘পরিবর্তন আমাদের নিজেদের থেকেই শুরু হবে। আমি নিরলসভাবে একটি ঐক্যবদ্ধ লেবার দলের সংস্কৃতি গড়ে তুলব। আমরা যদি নিজেদের অভ্যন্তরীণ লড়াই আর টানাপোড়েনে ব্যস্ত থাকি, তাহলে ব্রিটেনের নতুন ডানপন্থাকে কখনোই পরাজিত করতে পারব না। এটি আত্মঘাতী বিলাসিতা।’
নতুন নেতা হিসেবে বার্নহ্যাম ব্রিটেনের জন্য স্পষ্ট বামঘেঁষা রাজনৈতিক দর্শনের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ১৯৮০–এর দশকের থ্যাচারবাদের প্রভাব থেকে দেশকে বের করে আনতে হবে।
বার্নহ্যামের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—
তবে বার্নহ্যাম একই সঙ্গে স্পষ্ট করে দেন, ব্যবসাবান্ধব অবস্থান থেকেও তিনি সরে আসবেন না। তিনি বলেন, ‘আমি ব্যবসাবান্ধব প্রধানমন্ত্রী হব, যেমনটা গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র থাকাকালেও ছিলাম।’
ওয়েস্টমিনস্টারে অতিরিক্ত ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ সেবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার সংস্কৃতি পরিবর্তন করতে হবে উল্লেখ করে লেবার পার্টির নতুন এই নেতা বলেন, আমি চাই মানুষ বুঝুক, আমি যে রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দিচ্ছি তার পেছনের চিন্তাটা কী।’
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বার্নহ্যাম বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তার সবচেয়ে জরুরি কাজ হবে সামাজিক সেবাখাতের দীর্ঘদিনের সংকট সমাধান করা। তিনি বলেন, ‘সামাজিক সেবার সংকট সমাধান না হলে এনএইচএস কখনোই পুরোপুরি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না। কারণ প্রয়োজনীয় সেবার অভাবে অসংখ্য মানুষ হাসপাতালেই আটকে থাকছেন।’
এ কাজ সহজ হবে না স্বীকার করে নিয়েও বার্নহ্যাম বলেন, ‘এর জন্য কঠিন কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কিন্তু আমি সমস্যাকে ভবিষ্যতের জন্য ফেলে রাখব না। সামাজিক সেবাখাত সংস্কারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আমি রাজনৈতিক মূলধন ব্যয় করব। আমি সময় নষ্ট করব না। কারণ আমরা যত বছর দেরি করব, তত হাজার হাজার মানুষ প্রয়োজনীয় সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন।’
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই অ্যান্ড বার্নহ্যামকে ‘উত্তরের রাজনীতিক’ হিসেবে দেখা হয়। এ প্রসঙ্গে বার্নহ্যাম বলেন, ‘আমি উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম— স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ড— পুরো যুক্তরাজ্যের নেতা হতে চাই। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন দেশের প্রতিটি অংশের মানুষের হয়ে কথা বলতে হবে এবং সবাইকে একটি অভিন্ন লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত করতে হবে। ‘আমি ওয়েস্টমিনস্টার ও হোয়াইটহল থেকে ক্ষমতা ফিরিয়ে এনে মানুষের স্থানীয় সম্প্রদায়ের হাতে তুলে দেবো।’
বার্নহ্যামের মন্ত্রিসভা আনুষ্ঠানিকভাবে সোমবার ঘোষণা করা হবে। তবে এরই মধ্যে সম্ভাব্য কয়েকটি নিয়োগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দলীয় সূত্রগুলো বলছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ অর্থমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে আছেন। যদিও দলটির বামপন্থিরা এই পদে এড মিলিব্যান্ডকে দেখতে চান। এ ছাড়া বর্তমান চিফ হুইপ জোনাথন রেনল্ডসকে বর্তমান দায়িত্বের বাইরে বড় ব্যবসা ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও অ্যাঞ্জেলা রেইনারকে স্বাস্থ্যসচিব করে সামাজিক সেবাখাতের দায়িত্ব দেওয়ার আলোচনাও চলছে।
বার্নহ্যামকে ‘ফাঁপা’ ও ‘ব্রিটিশ রাজনীতির সবচেয়ে বড় রং বদলানো রাজনীতিক’ বলে কটাক্ষ করেছেন রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ। অন্যদিকে কনজারভেটিভ পার্টির চেয়ারম্যান কেভিন হলিনর্যাক অভিযোগ করেন, পার্লামেন্ট অধিবেশন না থাকায় বার্নহ্যামকে এখনই জবাবদিহি করতে হচ্ছে না।
কেভিন ‘অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বলছেন, তার একটি পরিকল্পনা আছে। তাহলে সেটি কী? লেবার পার্টির নেতা এবং হতে যাওয়া প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার উচিত পার্লামেন্টে এসে সেটি ব্যাখ্যা করা। এখনো সময় আছে। সোমবার পার্লামেন্টে এসে নিজের পরিকল্পনা ব্যাখ্যা করুন এবং এমপিদের প্রশ্নের উত্তর দিন।’

পুলিশ জানায়, কিং ডেভিড জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাসটি একটি শিক্ষা সফর শেষে ফিরছিল। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নামার সময় বাসটিতে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। ফলে চালক বাসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। নিয়ন্ত্রণহীন বাসটি সড়ক থেকে ছিটকে গিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি বিশ
১২ ঘণ্টা আগে
গত মাসের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত আবারও প্রতিদিনের হামলা-পালটা হামলার পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেই ধারাবাহিকতায় টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে শুক্রবার উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় নতুন করে হামলা চালানোর দাবি
১৭ ঘণ্টা আগে
হুতিদের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানিয়েছে, জাহাজ চলাচলে হামলার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে গোষ্ঠীটি। ইয়েমেনের হোদেইদাহ ও এডেন উপসাগরের দিকে নজর রাখা পার্বত্য এলাকায় এবং লোহিত সাগরের প্রবেশপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালির আশপাশে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোতায়েন করেছে। এখন শুধু হামলা শুরুর নির্দেশের অপেক্ষায় রয়েছে তা
১ দিন আগে
স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা আর অনুমতি ছাড়া তাদের শিক্ষাগত লক্ষ্য পরিবর্তন করতে পারবেন না বা অন্য কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর হতে পারবেন না। এ ছাড়া ডিগ্রি বা প্রশিক্ষণ শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার জন্য যে ৬০ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ ছিল, তা কমিয়ে ৩০ দিন করা হয়েছে।
১ দিন আগে