
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানে আরও তিনজন মোসাদ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির বার্তা সংস্থা মেহের। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকৃত তিন মোসাদ গুপ্তচর হলেন- এদ্রিস আলী, আজাদ শোজায়ী ও রসুল আহমাদ। তারা ইরানি ব্যক্তিদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশটিতে সরঞ্জাম আমদানি করেছিলেন বলে অভিযোগ।
সম্প্রতি তাদেরকে গ্রেফতার করে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়। পুরো ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বুধবার সকালে তাদের সাজা কার্যকর করা হয়। মেহের জানিয়েছে, এই তিনজন গুপ্তচর তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য শাস্তিপ্রাপ্ত হন এবং বুধবার ইরানের উরমিয়া শহরে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
এদিকে গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইরান-ইসরাইল সংঘাতের অবসান হয়েছে ২৪ জুন। টানা ১২ দিনের এ সংঘাতে তথা ইসরাইলি বাহিনীর সামরিক আগ্রাসনে ইরানে নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে কেবল শেষ ২৪ ঘণ্টাতেই নিহত হন ১০৭ জন।
ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা জাফারকান্দির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা মেহের বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রী জানান, গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইহুদি রাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনে এ পর্যন্ত মোট ৬০৬ জন ইরানি শহীদ হয়েছেন এবং ৫,৩৩২ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগের ২৪ ঘণ্টা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ, এই সময়ে শহীদ হয়েছেন ১০৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১,৩৪২ জন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, শহীদদের ৯৫ শতাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন। আর মাত্র ৫ শতাংশ হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন।

ইরানে আরও তিনজন মোসাদ গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। বুধবার (২৫ জুন) এ মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় বলে জানিয়েছে দেশটির বার্তা সংস্থা মেহের। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকৃত তিন মোসাদ গুপ্তচর হলেন- এদ্রিস আলী, আজাদ শোজায়ী ও রসুল আহমাদ। তারা ইরানি ব্যক্তিদের হত্যার উদ্দেশ্যে দেশটিতে সরঞ্জাম আমদানি করেছিলেন বলে অভিযোগ।
সম্প্রতি তাদেরকে গ্রেফতার করে বিচার প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়। পুরো ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বুধবার সকালে তাদের সাজা কার্যকর করা হয়। মেহের জানিয়েছে, এই তিনজন গুপ্তচর তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য শাস্তিপ্রাপ্ত হন এবং বুধবার ইরানের উরমিয়া শহরে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
এদিকে গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইরান-ইসরাইল সংঘাতের অবসান হয়েছে ২৪ জুন। টানা ১২ দিনের এ সংঘাতে তথা ইসরাইলি বাহিনীর সামরিক আগ্রাসনে ইরানে নিহতের সংখ্যা ৬০০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে কেবল শেষ ২৪ ঘণ্টাতেই নিহত হন ১০৭ জন।
ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ রেজা জাফারকান্দির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা মেহের বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে।
মন্ত্রী জানান, গত ১৩ জুন থেকে শুরু হওয়া ইহুদি রাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনে এ পর্যন্ত মোট ৬০৬ জন ইরানি শহীদ হয়েছেন এবং ৫,৩৩২ জন আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকালে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার আগের ২৪ ঘণ্টা ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ, এই সময়ে শহীদ হয়েছেন ১০৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১,৩৪২ জন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, শহীদদের ৯৫ শতাংশই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন। আর মাত্র ৫ শতাংশ হাসপাতালে নেওয়ার পর মৃত্যুবরণ করেন।

দক্ষিণ আফ্রিকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আবু নাছের শামীম (৫০) নামের এক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জোহানেসবার্গের পার্শ্ববর্তী বারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৬ ঘণ্টা আগে
কিন্তু ইসলামাবাদে যদি দুপক্ষকে শেষ পর্যন্ত আলোচনায় বসানোও যায়ে, তাতেও কি ফল মিলবে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকৃতপক্ষে দুই দেশের মধ্যে এখনো বেশকিছু ইস্যু নিয়েই রয়ে গেছে তীব্র মতবিরোধ, যা সমাধানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করতে পারে। এমন বিষয়গুলোই নিচে তুলে ধরা হলো।
৭ ঘণ্টা আগে
ইরান বলছে, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনী যে অবরোধ দিয়ে রেখেছে, সে অবরোধ না তোলা পর্যন্ত তারা আলোচনায় যেতে রাজি না। অন্যদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সামনে এখন চুক্তিতে যাওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।
১৯ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। আমাদের কাছে পর্যাপ্ত গোলাবারুদসহ সব ধরনের সরঞ্জাম রয়েছে... আমরা এই সময়টাকে রসদ মজুতের কাজে ব্যবহার করেছি। সম্ভবত তারাও (ইরান) কিছুটা প্রস্তুতি নিয়েছে।’
১ দিন আগে