
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির নিজস্ব ওয়েবসাইট সেপাহ নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু জীবিত থাকলে তাকে খুঁজে বের করে হত্যার অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে। বিবৃতিতে তাকে ‘শিশু হত্যাকারী অপরাধী’ বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। আগাম কোনো ঘোষণা বা ব্যাখ্যা ছাড়াই তার এই অনুপস্থিতি দেশটিতে নানা আলোচনা ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের বিশেষ নিরাপত্তা ক্যাবিনেট ও মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত এ ধরনের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
তবে ওই বৈঠকে নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীরা আলোচনায় নেতৃত্ব দেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বৈঠকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ সভাপতিত্ব করেন।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এর মধ্যেই আইআরজিসির পক্ষ থেকে তাকে হত্যার হুমকির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
আইআরজিসির নিজস্ব ওয়েবসাইট সেপাহ নিউজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু জীবিত থাকলে তাকে খুঁজে বের করে হত্যার অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে। বিবৃতিতে তাকে ‘শিশু হত্যাকারী অপরাধী’ বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে আঞ্চলিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর অনুষ্ঠিত এক গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। আগাম কোনো ঘোষণা বা ব্যাখ্যা ছাড়াই তার এই অনুপস্থিতি দেশটিতে নানা আলোচনা ও জল্পনার জন্ম দিয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের বিশেষ নিরাপত্তা ক্যাবিনেট ও মন্ত্রিসভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণত এ ধরনের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই।
তবে ওই বৈঠকে নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতিতে জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা ও মন্ত্রীরা আলোচনায় নেতৃত্ব দেন। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা বৈঠকে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ সভাপতিত্ব করেন।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এখন পর্যন্ত নেতানিয়াহুর অনুপস্থিতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এর মধ্যেই আইআরজিসির পক্ষ থেকে তাকে হত্যার হুমকির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

ট্রাম্পের ধারণা, ইরানের পক্ষ থেকে পাঠানো চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘গ্রহণযোগ্য’ হবে না। একই সঙ্গে এ-ও বলেছেন, তেহরান ‘খারাপ আচরণ’ করলে ইরানের ওপর আবারও হামলা চালানো হবে।
২০ ঘণ্টা আগে
তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং-তের সাম্প্রতিক আফ্রিকার দেশ কিংডম অব ইসওয়াতিনি (সাবেক বতসোয়ানা) সফর ঘিরেও ফের চীন ও তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাইকে ‘ইঁদুর’ আখ্যা দিয়ে এ সফরের নিন্দা জানিয়েছে চীন। জবাবে তাইওয়ানের পক্ষ থেকেও চীনকে ‘মাছের ব্যাপারী’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর তেহরান গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান এই রুটটি বন্ধ হওয়ার পর গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ ঘোষণা করে। পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই ব্যর্থ হওয়ার পর এই কঠোর
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্র শুরুতে দুই মাসের সময়সীমা দিয়ে সাময়িক যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাবে দ্বিমত পোষণ করে জানিয়েছে, উদ্ভূত সমস্যাগুলো ৩০ দিনের মধ্যেই সমাধান করতে হবে। তেহরান কেবল যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নয়, বরং স্থায়ীভাবে যুদ্ধের অবসান ঘটানোর ওপর বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করেছে।
১ দিন আগে