
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

লিভার সিরোসিস এক ভয়াবহ ও নীরব রোগ, যা শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভারকে ধীরে ধীরে অকেজো করে দেয়। এই রোগের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে এর লক্ষণগুলো এতটাই অস্পষ্ট যে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাঁর লিভারে এত বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। যখন লক্ষণগুলো স্পষ্ট হয়, তখন অনেক সময়ই চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। তাই লিভার সিরোসিস সম্পর্কে জানার পাশাপাশি এর লক্ষণ চেনা অত্যন্ত জরুরি।
লিভার আমাদের শরীরের এক শক্তিশালী অঙ্গ, যা রক্ত পরিষ্কার করা, পুষ্টি সংরক্ষণ, হজমে সহায়তা, এবং টক্সিন দূর করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। যখন কোনো কারণে লিভারে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতি হতে থাকে—যেমন অতিরিক্ত মদ্যপান, হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস সংক্রমণ, চর্বিযুক্ত লিভারের জটিলতা বা কিছু ওষুধের অপব্যবহার—তখন লিভার আস্তে আস্তে শক্ত ফাইব্রাস টিস্যুতে পরিণত হয়, যাকে বলে সিরোসিস। এই ফাইব্রাস টিস্যু লিভারের স্বাভাবিক কোষের জায়গা দখল করে নেয় এবং অঙ্গটির কার্যকারিতা ব্যাহত করে।
প্রাথমিক পর্যায়ে সিরোসিসের লক্ষণ খুব সাধারণ হতে পারে। অনেক সময় রোগীরা শুধু ক্লান্তি, অরুচি বা সামান্য ওজন কমার মতো উপসর্গ অনুভব করেন। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের হেপাটোলজিস্ট ড. ক্রিস্টিনা লিন বলেন, “সিরোসিসের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, এটি নিঃশব্দে এগোয়। বেশির ভাগ মানুষ যখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, তখন লিভার প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে।” তাঁর মতে, তাই উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট করানো উচিত।
যখন সিরোসিস কিছুটা অগ্রসর পর্যায়ে যায়, তখন লক্ষণগুলো একটু বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—শরীর দুর্বল লাগা, সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়া, হাত-পায়ে পানি জমে যাওয়া (edema), পেটের ভেতর পানি জমা (ascites), চুলকানি, চোখ ও চামড়ায় হলুদাভ রঙ (জন্ডিস), পেট ফুলে যাওয়া এবং সহজে রক্তপাত বা রক্ত জমাট না বাঁধা। অনেক সময় পুরুষদের ক্ষেত্রে স্তনবৃদ্ধি (gynecomastia) ও টেস্টিকুলার সংকোচন দেখা দিতে পারে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো ‘হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি’, যা হচ্ছে লিভারের অকার্যকারিতার কারণে মস্তিষ্কে বিষাক্ত পদার্থ জমে গিয়ে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়া। এতে মনোযোগ কমে যাওয়া, ভুলভাল বলা, ঘুমে সমস্যা, এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ড. মাইকেল র্যামসে, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোতে লিভার রোগ নিয়ে গবেষণা করেন, বলেন, “সিরোসিস যখন হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন তা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং তৎক্ষণাৎ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরে রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সিরোসিস রোগীদের মধ্যে চামড়ায় হালকা চাপেই দাগ পড়ে যায়, এমনকি নাক ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে। এর বাইরে চামড়ায় ‘স্পাইডার অ্যাঞ্জিওমা’ নামে লালচে ছোপ ছোপ দাগ দেখা দিতে পারে, যা দেখতে মাকড়সার জালের মতো। নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চক্র অনিয়মিত হয়ে যায় এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন শক্তি কমে যেতে পারে।
একসময় রোগীর শরীরে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি ও প্লাটিলেট কমে যায়, যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসে। আবার যেহেতু লিভার ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে, সেহেতু অপুষ্টির লক্ষণও দেখা দিতে পারে—যেমন দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়া, হাড় ক্ষয় হওয়া এবং অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
এমনকি সিরোসিস দীর্ঘমেয়াদি হলে এটি লিভার ক্যানসারে পরিণত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ায়। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত আল্ট্রাসোনোগ্রাফি ও আলফা-ফেটোপ্রোটিন (AFP) টেস্ট করার পরামর্শ দেয়, যাতে লিভার ক্যানসার আগেভাগেই শনাক্ত করা যায়।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই যেখানে বেশি কার্যকর, সেখানে এই রোগের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের উচিত জীবনধারায় পরিবর্তন আনা। অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্যগ্রহণ, অপরিষ্কার সুচ বা রক্তের মাধ্যমে সংক্রমণ, অনিরাপদ যৌনাচার—এসব থেকে দূরে থাকলে হেপাটাইটিস ও সিরোসিসের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। বিশ্বখ্যাত লিভার বিশেষজ্ঞ ড. জেমস কাসপার বলেন, “যতক্ষণ না পর্যন্ত সিরোসিস সম্পূর্ণভাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত জীবনধারার পরিবর্তন এবং ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে লিভারের কার্যক্ষমতা রক্ষা করা সম্ভব।”
যদিও একবার সিরোসিস হয়ে গেলে পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়, তবে আগেভাগে লক্ষণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে রোগের অগ্রগতি ধীর করা যায়। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশে এখনো অনেক মানুষ সিরোসিস সম্পর্কে সচেতন নন। ফলে তারা অসুস্থ বোধ করলেও গুরুত্ব দেন না এবং যখন বুঝতে পারেন, তখন খুব দেরি হয়ে যায়। তাই জনসচেতনতা বাড়ানো, বিনামূল্যে হেপাটাইটিস বি টিকা প্রদান, মদ্যপানের কুফল নিয়ে প্রচারণা এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই হতে পারে লিভার সিরোসিস রোধে মূল উপায়।
সবশেষে বলা যায়, লিভার সিরোসিস কোনো হঠাৎ ঘটে যাওয়া রোগ নয়। এটি বছরের পর বছর ধরে শরীরে গড়ে ওঠে নীরবে। কিন্তু আমরা যদি এর লক্ষণগুলো চিনে রাখতে পারি, জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনতে পারি, এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেই, তবে এই রোগ থেকে জীবন রক্ষা করা সম্ভব। কারণ, প্রতিটি জীবনই মূল্যবান, এবং একটি সুস্থ লিভার মানেই একটি শক্তিশালী শরীর ও উন্নত জীবনমান।

লিভার সিরোসিস এক ভয়াবহ ও নীরব রোগ, যা শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ লিভারকে ধীরে ধীরে অকেজো করে দেয়। এই রোগের সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে এর লক্ষণগুলো এতটাই অস্পষ্ট যে অনেকেই বুঝতে পারেন না যে তাঁর লিভারে এত বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। যখন লক্ষণগুলো স্পষ্ট হয়, তখন অনেক সময়ই চিকিৎসার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ে। তাই লিভার সিরোসিস সম্পর্কে জানার পাশাপাশি এর লক্ষণ চেনা অত্যন্ত জরুরি।
লিভার আমাদের শরীরের এক শক্তিশালী অঙ্গ, যা রক্ত পরিষ্কার করা, পুষ্টি সংরক্ষণ, হজমে সহায়তা, এবং টক্সিন দূর করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে। যখন কোনো কারণে লিভারে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতি হতে থাকে—যেমন অতিরিক্ত মদ্যপান, হেপাটাইটিস বি বা সি ভাইরাস সংক্রমণ, চর্বিযুক্ত লিভারের জটিলতা বা কিছু ওষুধের অপব্যবহার—তখন লিভার আস্তে আস্তে শক্ত ফাইব্রাস টিস্যুতে পরিণত হয়, যাকে বলে সিরোসিস। এই ফাইব্রাস টিস্যু লিভারের স্বাভাবিক কোষের জায়গা দখল করে নেয় এবং অঙ্গটির কার্যকারিতা ব্যাহত করে।
প্রাথমিক পর্যায়ে সিরোসিসের লক্ষণ খুব সাধারণ হতে পারে। অনেক সময় রোগীরা শুধু ক্লান্তি, অরুচি বা সামান্য ওজন কমার মতো উপসর্গ অনুভব করেন। যুক্তরাষ্ট্রের মায়ো ক্লিনিকের হেপাটোলজিস্ট ড. ক্রিস্টিনা লিন বলেন, “সিরোসিসের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, এটি নিঃশব্দে এগোয়। বেশির ভাগ মানুষ যখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন, তখন লিভার প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গিয়েছে।” তাঁর মতে, তাই উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিয়মিত লিভার ফাংশন টেস্ট করানো উচিত।
যখন সিরোসিস কিছুটা অগ্রসর পর্যায়ে যায়, তখন লক্ষণগুলো একটু বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর মধ্যে অন্যতম হলো—শরীর দুর্বল লাগা, সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়া, হাত-পায়ে পানি জমে যাওয়া (edema), পেটের ভেতর পানি জমা (ascites), চুলকানি, চোখ ও চামড়ায় হলুদাভ রঙ (জন্ডিস), পেট ফুলে যাওয়া এবং সহজে রক্তপাত বা রক্ত জমাট না বাঁধা। অনেক সময় পুরুষদের ক্ষেত্রে স্তনবৃদ্ধি (gynecomastia) ও টেস্টিকুলার সংকোচন দেখা দিতে পারে।
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো ‘হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি’, যা হচ্ছে লিভারের অকার্যকারিতার কারণে মস্তিষ্কে বিষাক্ত পদার্থ জমে গিয়ে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ব্যাহত হওয়া। এতে মনোযোগ কমে যাওয়া, ভুলভাল বলা, ঘুমে সমস্যা, এমনকি অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। ড. মাইকেল র্যামসে, যিনি ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকোতে লিভার রোগ নিয়ে গবেষণা করেন, বলেন, “সিরোসিস যখন হেপাটিক এনসেফালোপ্যাথি পর্যায়ে পৌঁছে যায়, তখন তা অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং তৎক্ষণাৎ চিকিৎসার প্রয়োজন হয়।”
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শরীরে রক্ত জমাট বাধার ক্ষমতা কমে যাওয়ার কারণে সিরোসিস রোগীদের মধ্যে চামড়ায় হালকা চাপেই দাগ পড়ে যায়, এমনকি নাক ও মাড়ি থেকে রক্ত পড়তে পারে। এর বাইরে চামড়ায় ‘স্পাইডার অ্যাঞ্জিওমা’ নামে লালচে ছোপ ছোপ দাগ দেখা দিতে পারে, যা দেখতে মাকড়সার জালের মতো। নারীদের ক্ষেত্রে মাসিক চক্র অনিয়মিত হয়ে যায় এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে যৌন শক্তি কমে যেতে পারে।
একসময় রোগীর শরীরে হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি ও প্লাটিলেট কমে যায়, যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে আসে। আবার যেহেতু লিভার ভিটামিন ও খনিজ শোষণ করে, সেহেতু অপুষ্টির লক্ষণও দেখা দিতে পারে—যেমন দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হওয়া, হাড় ক্ষয় হওয়া এবং অস্থিসন্ধিতে ব্যথা।
এমনকি সিরোসিস দীর্ঘমেয়াদি হলে এটি লিভার ক্যানসারে পরিণত হওয়ার আশঙ্কাও বাড়ায়। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের নিয়মিত আল্ট্রাসোনোগ্রাফি ও আলফা-ফেটোপ্রোটিন (AFP) টেস্ট করার পরামর্শ দেয়, যাতে লিভার ক্যানসার আগেভাগেই শনাক্ত করা যায়।
প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই যেখানে বেশি কার্যকর, সেখানে এই রোগের ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের উচিত জীবনধারায় পরিবর্তন আনা। অতিরিক্ত মদ্যপান, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্যগ্রহণ, অপরিষ্কার সুচ বা রক্তের মাধ্যমে সংক্রমণ, অনিরাপদ যৌনাচার—এসব থেকে দূরে থাকলে হেপাটাইটিস ও সিরোসিসের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়। বিশ্বখ্যাত লিভার বিশেষজ্ঞ ড. জেমস কাসপার বলেন, “যতক্ষণ না পর্যন্ত সিরোসিস সম্পূর্ণভাবে অপ্রতিরোধ্য হয়ে যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত জীবনধারার পরিবর্তন এবং ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে লিভারের কার্যক্ষমতা রক্ষা করা সম্ভব।”
যদিও একবার সিরোসিস হয়ে গেলে পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব নয়, তবে আগেভাগে লক্ষণ শনাক্ত করে চিকিৎসা নিলে রোগের অগ্রগতি ধীর করা যায়। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশে এখনো অনেক মানুষ সিরোসিস সম্পর্কে সচেতন নন। ফলে তারা অসুস্থ বোধ করলেও গুরুত্ব দেন না এবং যখন বুঝতে পারেন, তখন খুব দেরি হয়ে যায়। তাই জনসচেতনতা বাড়ানো, বিনামূল্যে হেপাটাইটিস বি টিকা প্রদান, মদ্যপানের কুফল নিয়ে প্রচারণা এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই হতে পারে লিভার সিরোসিস রোধে মূল উপায়।
সবশেষে বলা যায়, লিভার সিরোসিস কোনো হঠাৎ ঘটে যাওয়া রোগ নয়। এটি বছরের পর বছর ধরে শরীরে গড়ে ওঠে নীরবে। কিন্তু আমরা যদি এর লক্ষণগুলো চিনে রাখতে পারি, জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনতে পারি, এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেই, তবে এই রোগ থেকে জীবন রক্ষা করা সম্ভব। কারণ, প্রতিটি জীবনই মূল্যবান, এবং একটি সুস্থ লিভার মানেই একটি শক্তিশালী শরীর ও উন্নত জীবনমান।

কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, ওড়িশা রাজ্যের তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ের সেটে রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ঘটেছে এমন ঘটনা। অভিনেতার মরদেহ দিঘা হাসপাতালে রাখা হয়েছে। সেখানেই তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
১৪ দিন আগে
ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ-এর কণ্ঠশিল্পী, একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
১৬ দিন আগে
ঈদের উৎসবমুখর আবহে প্রেক্ষাগৃহে নতুন প্রাণ ফিরিয়েছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। বড় বাজেটের অ্যাকশনধর্মী সিনেমার ভিড়েও ভিন্নধর্মী গল্প আর শক্তিশালী অভিনয়ের জোরে সিনেমাটি দর্শকদের কাছে আলাদা জায়গা করে নিয়েছে। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটিকে ঘিরে চলছে ইতিবাচক আলোচনা, যার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বক্সঅফিসের আয়েও।
১৮ দিন আগে
বরাবরের মতোই সামাজিক অসংগতি ও গ্রামীণ জীবনের নানা সমস্যা ফুটে উঠবে অনুষ্ঠানের বিভিন্ন নাট্যাংশে। এ ছাড়াও থাকছে মিউজিক্যাল ড্রামা, দর্শকদের নিয়ে বিশেষ প্রতিযোগিতা এবং বিদেশিদের অংশগ্রহণে একটি ব্যতিক্রমী পর্ব। সমসাময়িক প্রসঙ্গের পাশাপাশি বিনোদনের সব রসদ নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের পর্বটি।
২৩ দিন আগে