
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ-এর কণ্ঠশিল্পী, একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিল্পী।
বাংলা চলচ্চিত্রের শুরুর যুগে প্লেব্যাক সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মাহবুবা রহমান। মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রে ‘মনের বনে দোলা লাগে’ গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। গানটির সংগীত পরিচালনা করেন সমর দাস। পরবর্তীতে ফতেহ লোহানী পরিচালিত আসিয়া সিনেমায় ‘আমার গলার হার খুলে নে ওগো ললিতে’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
তার গাওয়া অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে—‘আমার যদি থাকত পাখির ডানা’, ‘আমার না বলা কথা’, ‘সোনালী এই ধানের ক্ষেতে’, ‘আগে জানি না রে দয়াল’, ‘তুমি দাও দেখা দরদী’, ‘আমার বন্ধু বিনোদিয়া’, ‘আজকে আমার মালঞ্চে ফুল ফোটে নাই’, ‘ও আমার মন ভালো না গো প্রাণ ভালো না গো’ প্রভৃতি।
মাহবুবা রহমান ঢাকার চলচ্চিত্রাঙ্গনের প্রাথমিক সময়ে একাধিক ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন। উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে জাগো হুয়া সাভেরা, আসিয়া, এ দেশ তোমার আমার, যে নদী মরুপথে, কখনো আসেনি, সূর্যস্নান, সোনার কাজল, নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং সাত ভাই চম্পা।
কয়েক দশক ধরেই আড়ালে-আবডালে নিভৃত জীবনযাপন করছিলেন এই শিল্পী। মাহবুবা রহমানের প্রকৃত নাম নিভা রানী রায়। ১৯৩৫ সালের ৩ মার্চ চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শৈশবে ঢাকায় এসে সংগীতশিক্ষা নেন সুধীরলাল চক্রবর্তী, পি.সি. গোমেজ এবং মোমতাজ আলী খান-এর কাছে। এছাড়া গীত ও গজল শেখেন কাদের জামেরী ও ইউসুফ কোরেশী-এর কাছে; লোকসংগীতে দীক্ষা নেন মমতাজ আলীর নিকট।
১৯৪৮ সালে ঢাকার কামরুননেসা গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন তিনি। এর আগের বছর অল ইন্ডিয়া রেডিও ঢাকা কেন্দ্র থেকে তার গান প্রথম সম্প্রচারিত হয়।
ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৫৮ সালে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাহবুবা রহমান। এর আগে তিনি আবুল হাসনাতকে বিয়ে করেছিলেন। খান আতাউর রহমানের সঙ্গে তার সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তাদের একজন সংগীতশিল্পী রুমানা ইসলাম।

ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ-এর কণ্ঠশিল্পী, একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন এই বরেণ্য শিল্পী।
বাংলা চলচ্চিত্রের শুরুর যুগে প্লেব্যাক সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন মাহবুবা রহমান। মুখ ও মুখোশ চলচ্চিত্রে ‘মনের বনে দোলা লাগে’ গানে কণ্ঠ দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। গানটির সংগীত পরিচালনা করেন সমর দাস। পরবর্তীতে ফতেহ লোহানী পরিচালিত আসিয়া সিনেমায় ‘আমার গলার হার খুলে নে ওগো ললিতে’ গানে কণ্ঠ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।
তার গাওয়া অন্যান্য উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে—‘আমার যদি থাকত পাখির ডানা’, ‘আমার না বলা কথা’, ‘সোনালী এই ধানের ক্ষেতে’, ‘আগে জানি না রে দয়াল’, ‘তুমি দাও দেখা দরদী’, ‘আমার বন্ধু বিনোদিয়া’, ‘আজকে আমার মালঞ্চে ফুল ফোটে নাই’, ‘ও আমার মন ভালো না গো প্রাণ ভালো না গো’ প্রভৃতি।
মাহবুবা রহমান ঢাকার চলচ্চিত্রাঙ্গনের প্রাথমিক সময়ে একাধিক ছবিতে প্লেব্যাক করেছেন। উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে জাগো হুয়া সাভেরা, আসিয়া, এ দেশ তোমার আমার, যে নদী মরুপথে, কখনো আসেনি, সূর্যস্নান, সোনার কাজল, নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং সাত ভাই চম্পা।
কয়েক দশক ধরেই আড়ালে-আবডালে নিভৃত জীবনযাপন করছিলেন এই শিল্পী। মাহবুবা রহমানের প্রকৃত নাম নিভা রানী রায়। ১৯৩৫ সালের ৩ মার্চ চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। শৈশবে ঢাকায় এসে সংগীতশিক্ষা নেন সুধীরলাল চক্রবর্তী, পি.সি. গোমেজ এবং মোমতাজ আলী খান-এর কাছে। এছাড়া গীত ও গজল শেখেন কাদের জামেরী ও ইউসুফ কোরেশী-এর কাছে; লোকসংগীতে দীক্ষা নেন মমতাজ আলীর নিকট।
১৯৪৮ সালে ঢাকার কামরুননেসা গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন তিনি। এর আগের বছর অল ইন্ডিয়া রেডিও ঢাকা কেন্দ্র থেকে তার গান প্রথম সম্প্রচারিত হয়।
ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৫৮ সালে সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব খান আতাউর রহমান-এর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মাহবুবা রহমান। এর আগে তিনি আবুল হাসনাতকে বিয়ে করেছিলেন। খান আতাউর রহমানের সঙ্গে তার সংসারে দুই মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে। তাদের একজন সংগীতশিল্পী রুমানা ইসলাম।

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
৯ দিন আগে
নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।
১২ দিন আগে
মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।
১২ দিন আগে