
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বায়ুদূষণের কারণে নানারকম স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে শ্বাসযন্ত্রের সিস্টেম সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে কারণ বিষাক্ত পদার্থ কেবল শ্বাসের মাধ্যমেই শরীরে পৌঁছায়।
এর ফলে হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যান্সার ও যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা খুব দ্রুত হারে বাড়ছে।
এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায় এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পাশাপাশি ধূমপান এড়িয়ে চলা, দূষিত এলাকা থেকে দূরে থাকা এবং নিয়মিত ব্যায়াম ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে পারে।
ফুসফুস ভালো রাখতে উপকারী খাবার-
কাঁচা মরিচ :
ভিটামিন সি-এর সবচেয়ে অন্যতম উৎসগুলির মধ্যে একটি কাঁচা মরিচ। এটি পানিতে দ্রবণীয় এমন এক পুষ্টি যা শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। এর ফলে ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো এবং প্রদাহ কমে।
হলুদ :
হলুদ থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে ব্যবহৃত হয়। হলুদের প্রধান সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করে।
আদা :
আদা ফুসফুসের ক্ষতি কমাতে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান হাইপারক্সিয়া এবং প্রদাহের কারণে ফুসফুসকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।যেসব খাবার পরিষ্কার রাখবে ফুসফুস।
ডালিম :
আয়রনের অন্যতম উৎস ডালিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় এবং পরিষ্কার রাখে।
শাকসবজি :
পালং শাক ক্যারোটিনয়েড, আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিনের চমৎকার উৎস। এই পুষ্টিতে প্রদাহ বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভাব রয়েছে, যা ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।
আখরোট :
আখরোটে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ-বিরোধী হিসেবে কাজ করে। এর ফলে ফুসফুসের প্রদাহ কমায় এবং শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায়।
রসুন :
রসুন প্রদাহ বিরোধী যৌগগুলির একটি দুর্দান্ত উৎস। এতে থাকা নানা উপাদান ফুসফুসের সমস্যাগুলির সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করতে পারে। খাবারের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া ছাড়াও প্রতিদিন সকালে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন খালি পেটে খেলে তা খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়।
গ্রিন টি :
গ্রিন টিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আমাদের শ্বাসযন্ত্রের প্রক্রিয়াকে ভালো রাখে এবং অক্সিডেটিভ চাপ থেকে দূরে রাখে।
ভিটামিন-ডি:
ভিটামিন-ডি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি দেখা দিলে ফুসফুসের রোগ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। সূর্যের আলো এর অন্যতম উৎস্য। পাশাপাশি দুধ, ডিম, দই, মাছ, মাংস ইত্যাদি থেকেও পাওয়া যায় ভিটামিন-ডি।

বায়ুদূষণের কারণে নানারকম স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। বিশেষ করে শ্বাসযন্ত্রের সিস্টেম সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে কারণ বিষাক্ত পদার্থ কেবল শ্বাসের মাধ্যমেই শরীরে পৌঁছায়।
এর ফলে হাঁপানি, ফুসফুসের ক্যান্সার ও যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা খুব দ্রুত হারে বাড়ছে।
এমন পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ায় এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
পাশাপাশি ধূমপান এড়িয়ে চলা, দূষিত এলাকা থেকে দূরে থাকা এবং নিয়মিত ব্যায়াম ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়াতে পারে।
ফুসফুস ভালো রাখতে উপকারী খাবার-
কাঁচা মরিচ :
ভিটামিন সি-এর সবচেয়ে অন্যতম উৎসগুলির মধ্যে একটি কাঁচা মরিচ। এটি পানিতে দ্রবণীয় এমন এক পুষ্টি যা শরীরে শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে। এর ফলে ফুসফুসের স্বাস্থ্য ভালো এবং প্রদাহ কমে।
হলুদ :
হলুদ থাকা শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে ব্যবহৃত হয়। হলুদের প্রধান সক্রিয় উপাদান কারকিউমিন ফুসফুসের কার্যকারিতা উন্নত করে।
আদা :
আদা ফুসফুসের ক্ষতি কমাতে কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান হাইপারক্সিয়া এবং প্রদাহের কারণে ফুসফুসকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।যেসব খাবার পরিষ্কার রাখবে ফুসফুস।
ডালিম :
আয়রনের অন্যতম উৎস ডালিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ফুসফুসের টিস্যুকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায় এবং পরিষ্কার রাখে।
শাকসবজি :
পালং শাক ক্যারোটিনয়েড, আয়রন, পটাসিয়াম, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিনের চমৎকার উৎস। এই পুষ্টিতে প্রদাহ বিরোধী এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভাব রয়েছে, যা ফুসফুসের প্রদাহ কমাতে এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে।
আখরোট :
আখরোটে থাকা ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রদাহ-বিরোধী হিসেবে কাজ করে। এর ফলে ফুসফুসের প্রদাহ কমায় এবং শ্বাস নেওয়ার ক্ষমতা বাড়ায়।
রসুন :
রসুন প্রদাহ বিরোধী যৌগগুলির একটি দুর্দান্ত উৎস। এতে থাকা নানা উপাদান ফুসফুসের সমস্যাগুলির সঙ্গে লড়াই করতে সহায়তা করতে পারে। খাবারের সঙ্গে রান্না করে খাওয়া ছাড়াও প্রতিদিন সকালে ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন খালি পেটে খেলে তা খুবই উপকারী বলে মনে করা হয়।
গ্রিন টি :
গ্রিন টিতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আমাদের শ্বাসযন্ত্রের প্রক্রিয়াকে ভালো রাখে এবং অক্সিডেটিভ চাপ থেকে দূরে রাখে।
ভিটামিন-ডি:
ভিটামিন-ডি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে থাকে। কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, শরীরে ভিটামিন-ডি এর ঘাটতি দেখা দিলে ফুসফুসের রোগ আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বেড়ে যায়। সূর্যের আলো এর অন্যতম উৎস্য। পাশাপাশি দুধ, ডিম, দই, মাছ, মাংস ইত্যাদি থেকেও পাওয়া যায় ভিটামিন-ডি।

লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
১০ দিন আগে
নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।
১২ দিন আগে
মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।
১৩ দিন আগে