যুদ্ধ-ক্ষুধা-অবিনাশী সৌন্দর্য— মারাহ খালেদের ক্যানভাসে গাজার দিনলিপি

আহমেদ হোসাইন
নিজের তাঁবুর মধ্যে মারাহ খালেদ আল-জা’নিন। ছবি: মারাহর ইনস্টাগ্রাম থেকে

ফিলিস্তিনের ধূসর বালুমাখা ইট-কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপের ভেতর যেখানে প্রতিদিনের জীবনই জীবন আর মৃত্যুর প্রবল অনিশ্চয়তায় জড়িয়ে থাকে, সেখানে আর্ট বা শিল্পের জন্ম হলে তা আর কোনো শৌখিন বা নান্দনিকতার বিষয় থাকে না; সেটি হয়ে ওঠে বেঁচে থাকার একটি ভাষা, একটি অভিব্যক্তি। মারাহ খালেদ আল-জা’নিন সেই ভাষারই একজন একান্ত নিবিড় শিল্পী।

মারাহ একজন ফিলিস্তিনি নারী শিল্পী। তার তুলির আঁচড়ে ধরা পড়েছে ফিলিস্তিনের রক্তমাখা ভূমির যুদ্ধ, ক্ষুধা, ধ্বংস, হারানো শৈশব; আবার একইসঙ্গে অবিশ্বাস্য মানবিক সৌন্দর্য। আমি যখন তার কাজগুলো প্রথম দেখি, এক অদ্ভুত নীরবতা ঘিরে ধরে; যেন শব্দহীন অসংখ্য মানুষের আর্তনাদ ধীরে ধীরে আমার ভেতরে ঢুকে পড়ছে, আর আমি বুঝতে পারছি তার আঁকা ছবিগুলোর মধ্যে মানুষ আছে, জীবন আছে, আর আছে অদম্যভাবে টিকে থাকার অবিনাশী সত্ত্বা।

গাজার কথা তো আমরা খবরের কাগজে পড়ি, টেলিভিশনের স্ক্রিনে দেখি। কিন্তু সেসব দৃশ্য খুব দ্রুতই আমাদের চোখের সামনে দিয়ে চলে যায়। গাজার মানুষরা শুধু সংখ্যা না, একটা পরিসংখ্যান, একটা বিরোধপূর্ণ আন্তর্জাতিক ইস্যু হয়েই শুধু আমাদের কাছে ধরা দেয়। কিন্তু মারাহর ছবিতে সেই গাজা হঠাৎই খুব কাছের আর গভীর হয়ে যায়; অস্বস্তিকরভাবে কাছের যেন আমি আর দূরে দাঁড়িয়ে নেই, বরং সেই তাঁবুর ভেতরেই বসে আছি। সেই চোখগুলোর ভেতর তাকিয়ে আছি যেগুলো ক্লান্ত, তবু প্রবল উদ্যমে প্রতিটা দিন বেঁচে আছে। এতটুকু ভেঙে পড়েনি।

নিজের তাঁবুই নিজের ক্যানভাস। সেখানে বসে মারাহ খালেদ। ছবি: মারাহর ইনস্টাগ্রাম থেকে
নিজের তাঁবুই নিজের ক্যানভাস। সেখানে বসে মারাহ খালেদ। ছবি: মারাহর ইনস্টাগ্রাম থেকে

মারাহর শিল্পকর্মকে চিন্তার জগতে স্থাপন করলে আমি কেমন জানি কল্পনায় হারিয়ে যাই। মনে হয় আমি হাঁটছি মৃত বিধ্বস্ত শহরের ভাঙা কংক্রিটের ওপর দিয়ে। মনে হয় হাজার গল্প, কথা, হাসি, কান্না, আর্তনাদ সব মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। বাতাসে পোড়া ধাতুর গন্ধ, তার সঙ্গে মিশে আছে রান্নার হালকা ধোঁয়া, জীবন আর ধ্বংস যেন অদ্ভুতভাবে হাঁটছে এখানে। কোথাও দেয়াল নেই, কিন্তু দেয়ালটা দাঁড়িয়ে আছে। কিংবা কোথাও ঘর নেই, কিন্তু জানলার ফ্রেম এখনো আকাশের দিকে খোলা। আবার গাজার মানুষদের যখন দেখি তখন মনে হয়, এই অসম্পূর্ণতাগুলোই যেন এখানে পূর্ণতার সংজ্ঞা।

মারাহর শিল্পের সংজ্ঞাটা যতই জানি, ততই মনে হয় এ কোনো শিল্পীর গল্প না, বরং একধরনের বেঁচে থাকার কাব্য। ছোটবেলা থেকেই আঁকার প্রতি টান ছিল তার। কিন্তু সেই টানটা ধীরে ধীরে একধরনের প্রয়োজন হয়ে দাঁড়ায়, যখন চারপাশের বাস্তবতা ক্রমশ অসহনীয় হয়ে ওঠে। যুদ্ধ, বাস্তুচ্যুতি, ভয়— এই শব্দগুলো আমরা খুব সহজেই উচ্চারণ করি। কিন্তু সেগুলোর ভেতর যে প্রতিদিনের ক্ষয়, প্রতিদিনের অদৃশ্য ভাঙন, যে নিরাকার ভগ্ন যাপন, সেটা আমরা খুব কমই অনুমান করতে পারি।

আমি ভাবি, একজন মানুষ কতটা চাপের মধ্যে থাকলে তার আশেপাশের বাস্তবতাকে গ্রহণ করার জন্য তাকে ক্যানভাসে কল্পনা আনতে হয়? মারাহর কাছে আঁকা মানে তাই যেন বেঁচে থাকা, নিজেকে টিকিয়ে রাখার একটা উপায়। অর্থাৎ নিজেকে বোঝানো, এই কষ্টেরও এক অর্থ আছে, এক গল্প আছে, যা বলা দরকার। তার নিজের কথায়, ‘রূঢ় বাস্তবতা’কে (হার্শ রিয়েলিটি) ‘শৈল্পিক অভিব্যক্তি’তে (আর্টিস্টিক এক্সপ্রেশন) রূপান্তর করা শুনতে যতটা সহজ লাগে, ভেতরের কাজটা ততটাই কঠিন, ততটাই ব্যক্তিগত, ততটাই কাঁচা। একজন শিল্পীকে যতটা দহনের ভেতর দিয়ে যেতে হয়, তা আদৌ বোঝা সম্ভব না।

মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।

আমি কল্পনা করি সেই তাঁবুর দেয়ালে আঁকা মুখগুলো, ছাদের ভেতর দিয়ে ঢুকে পড়া আলো, আর সেই আলোতে ভেসে থাকা কিছু অসমাপ্ত রেখা; যেন না ফেরার দেশে চলে যাওয়া মানুষেরা বলে— আমরা এখনো আছি। এই থাকাটাই এখানে সবচেয়ে বড় কথা। কারণ যখন একটি ভূখণ্ডকে বারবার ধ্বংস করা হয়, তখন সবচেয়ে বড় আঘাতটা পড়ে মানুষের অস্তিত্ববোধে। তাদের মনে প্রশ্ন জাগে— আমরা কি সত্যি গুরুত্বপূর্ণ?

মারাহর গ্যালারি সেই প্রশ্নের ভীষণ শক্তিশালীভাবে উত্তর দেয়। বলে, হ্যাঁ, তোমরা গুরুত্বপূর্ণ। তোমাদের গল্প গুরুত্বপূর্ণ, তোমাদের কষ্ট, তোমাদের হাসি সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ। মারাহর কাজগুলো ছোট্ট গ্যালারিতে এসে কিংবা ইন্টারনেটে দেখে তারা নিজেদের জীবনকে নতুনভাবে দেখতে শেখার রসদ নিয়ে যায়। তারা নতুন করে অনুধাবন করে, কীভাবে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও জীবনের কী বিপুল অর্থ নিয়ে বেঁচে থাকা যায়।

নিজের তাঁবুর বাইরে কফির কাপ হাতে মারাহ। ছবি: মারাহর ইনস্টাগ্রাম থেকে
নিজের তাঁবুর বাইরে কফির কাপ হাতে মারাহ। ছবি: মারাহর ইনস্টাগ্রাম থেকে

মারাহর ছবিগুলোর দিকে তাকালে একটি বিষয় খুব স্পষ্ট বোঝা যায়— এখানে কোনো ভান নেই, কোনো নাটকীয়তা নেই। নেই কোনো সাজানো আবেগ। ক্ষুধার্থ শিশু, ক্লান্ত মুখ, ভেঙে পড়া ঘর— এসব তো আমরা অনেক জায়গাতেই দেখি। কিন্তু মারাহর ছবিতে এগুলো যেন অন্যভাবে উপস্থিত হয়। এখানে কষ্টটা খুব চুপচাপ, খুব গভীর। কিন্তু তার ভেতরে এক অদ্ভুত স্থিরতা আছে। আমি যখন তার আঁকা কোনো মুখের দিকে তাকাই, মনে হয় সেই মানুষটা অনেক কিছু দেখেছে, অনেক কিছু হারিয়েছে, তবুও সে ভেঙে পড়েনি। সে এখনো দাঁড়িয়ে আছে। এই দাঁড়িয়ে থাকার শক্তিটাই হয়তো তার কাজের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য।

মারাহর মনোক্রোম ব্যবহারের কথাও ভাবা যাক। কালো, সাদা, আর মাঝে মধ্যে কিছু ধূসর। এ কি শুধু উপকরণের সীমাবদ্ধতা? নাকি এক সচেতন সিদ্ধান্ত, যেখানে রঙের অভাবই হয়ে ওঠে জীবনের অভাবের প্রতীক? আমার মনে হয় দুটোই। এই সীমাবদ্ধতা তার শিল্পকে আরও সত্য করে তোলে, আরও কাঁচা করে তোলে। বলে, আমরা কোনো ফিল্টার ছাড়াই বাস্তবতার মুখোমুখি হচ্ছি।

ফিলিস্তিনি শিল্পের সঙ্গে রাজনীতির সম্পর্ক নিয়ে অনেক কথা বলা যায়। কিন্তু মারাহর কাজের মধ্যে আমি এক অন্যরকম দৃষ্টিভঙ্গি দেখি। তিনি স্লোগান দেন না, কোনো প্রতিবাদী বার্তা দেন না। বরং তিনি আমাদের এমন দৃশ্য দেখান, যেগুলো নিজেই কথা বলে।

একটি শিশু, খাবারের অপেক্ষায় বসে আছে। এ কি শুধু দারিদ্র্যের ছবি? নাকি এ একটা রাজনৈতিক বাস্তবতার ফল? এক মা তার সন্তানকে আগলে রেখেছে। এ কি শুধুই মাতৃত্ব? নাকি এ নিরাপত্তাহীনতার বিরুদ্ধে একধরনের প্রতিরোধ?

এই প্রশ্নগুলো মারার কাজের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে। আর দর্শক হিসেবে আমরা সেগুলো ধীরে ধীরে খুঁজে পাই। আমি মনে করি, এই সূক্ষ্মতাই তাকে আলাদা করে তোলে। কারণ সরাসরি চিৎকার অনেক সময় আমাদের কানে লাগে। কিন্তু এই নীরব উচ্চারণ আমাদের অন্তরের একদম ভেতরে গিয়ে বসে, আঘাত করে, দীর্ঘসময় ধরে অনুররণ তৈরি করে।

মারাহর শিল্পে যে অভাবের নান্দনিকতা, তা আমাকে বারবার ভাবায়। আমরা সাধারণত সৌন্দর্য বলতে বুঝি পরিপূর্ণতা, রঙের প্রাচুর্য, নিখুঁত গঠন। কিন্তু তার কাজ সেই ধারণা ভেঙে দেয়। এখানে অসম্পূর্ণ রেখাই সুন্দর। খালি জায়গাই অর্থপূর্ণ, আর গাঢ় ছায়াই অনুভূতির গভীরতা তৈরি করে। আমি কখনো কখনো ভাবি, আমরা যারা তুলনামূলক স্বাচ্ছন্দ্যের মধ্যে বড় হয়েছি, আমাদের চোখ কি আসলে এ ধরনের সৌন্দর্য দেখে কিছু শেখে? নাকি আমাদের নতুন করে শেখা দরকার কীভাবে কমের ভেতর বেশি খুঁজে পাওয়া যায়? কিংবা কীভাবে অভাবের মধ্যেও এক ধরনের নান্দনিকতা তৈরি হয়?

তাঁবুুর ভেতরেই ছবি আঁকছেন মারাহ। ছবি: ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী মাজদি ফাতির ইনস্টাগ্রাম থেকে
তাঁবুুর ভেতরেই ছবি আঁকছেন মারাহ। ছবি: ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী মাজদি ফাতির ইনস্টাগ্রাম থেকে

মারাহর ব্যক্তিত্ব নিয়ে ভাবলে একটি শব্দ বারবার মনে আসে— সাক্ষী। তিনি সময়ের সাক্ষী, তার মানুষজনদের সাক্ষী। তিনি যা দেখছেন, যা অনুভব করছেন, সেটাকেই ধরে রাখছেন; যেন ভবিষ্যতে কেউ যদি জানতে চায় যে কী ঘটেছিল, তখন এই ছবিগুলো উত্তর দিতে পারে।

তার এই ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইতিহাস অনেক সময় ক্ষমতাবানদের দ্বারা লেখা হয়, কিন্তু শিল্প সেই ইতিহাসের ভেতরে হারিয়ে যাওয়া মানুষের কণ্ঠস্বরকে বাঁচিয়ে রাখে। তিনি উচ্চকণ্ঠ নন, তিনি মঞ্চে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা দেন না। কিন্তু তার ছবিগুলোই তার ভাষা, আর সেই ভাষা অনেক সময় হাজার শব্দের চেয়েও বেশি শক্তিশালী।

একজন নারী শিল্পী হিসেবে মারাহর যে সংবেদনশীলতা, সেটাও তার কাজের মধ্যে আলাদা করে চোখে পড়ে। তার ছবিতে নারীরা শুধু কষ্টের প্রতীক নয়, তারা শক্তিরও প্রতীক। তারা ভেঙে পড়ে, আবার উঠেও দাঁড়ায়। তারা ভয় পায়, আবার সেই ভয়ের সঙ্গেই বাঁচতে শেখে। এই দ্বৈততা ভঙ্গুরতা (ভালনারেবিলিটি) আর শক্তিমত্তাকে (স্ট্রেন্থ) একসঙ্গে হাজির করে, আর সেটাই তার কাজকে আরও মানবিক করে তোলে। আমি মনে করি, এই দৃষ্টিভঙ্গি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি নারীদের একমাত্রিকভাবে দেখার প্রবণতাকে চ্যালেঞ্জ করে।

আজকের দ্রুতগতির পৃথিবীতে, যেখানে খবর আসে আর হারিয়ে যায়, সেখানে মারাহর মতো শিল্পীরা আমাদের থামতে বাধ্য করেন। তার কাজ আমাদের ভাবায়, আমরা কি সত্যিই অন্যের কষ্টকে বুঝতে চাই? নাকি আমরা শুধু সেটাকে স্ক্রল করে পাশ কাটিয়ে যাই? তার ছবিগুলো যেন আয়না, যেখানে আমরা শুধু গাজার মানুষদের দেখি না, দেখি আমাদের উদাসীনতা, আমাদের সীমাবদ্ধতা, আমাদের মেকি সহানুভূতির পরিধি।

শেষ পর্যন্ত আমি যখন মারাহর কাজের কথা ভাবি, তখন একটাই অনুভূতি খুব জোরালো হয়ে ওঠে— ধ্বংস কখনো শেষ কথা নয়। যতক্ষণ মানুষ আছে ততক্ষণ গল্প থাকবে। আর যতক্ষণ গল্প থাকবে ততক্ষণ শিল্প থাকবে।

শিশুরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে মারাহর ছবি আঁকা। ছবি: ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী মাজদি ফাতির ইনস্টাগ্রাম থেকে
শিশুরা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে মারাহর ছবি আঁকা। ছবি: ফিলিস্তিনি আলোকচিত্রী মাজদি ফাতির ইনস্টাগ্রাম থেকে

মারাহর সেই ছোট্ট তাঁবু হয়তো সামান্য একটু জায়গা। কিন্তু সেই জায়গার ভেতরেই এক বিশাল জগত তৈরি হয়েছে, যেখানে কষ্ট আছে, কিন্তু তার চেয়ে বেশি আছে টিকে থাকার ইচ্ছা। তার প্রতিটি ছবি যেন বলে, আমরা এখনো হার মানিনি। আর এই কথাটাই হয়তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ যখন সবকিছু ভেঙে পড়ে তখন এই ছোট ছোট ঘোষণাগুলোই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে।

মারাহ খালেদ আল-জা’নিন এক ধরনের সেই বেঁচে থাকার আদর্শের পথিকৃৎ, যিনি দেখিয়ে যান— সবচেয়ে অন্ধকার সময়েও মানুষ সৃষ্টি করতে পারে, ভালোবাসতে পারে— সবচেয়ে বড় কথা, আশা করতে পারে...।

লেখক: গল্পকার ও লেখক

ad
ad

সাত-পাঁচ থেকে আরও পড়ুন

নাটক বলে শুটিং, এখন সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাচ্ছে মৌসুমীর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’!

মৌসুমীর অভিযোগ, তিনি যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অবস্থায় নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীরের অনুরোধে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজে’ কাজ করতে রাজি হন তিনি। তবে তাকে জানানো হয়েছিল এটি একটি নাটক, তিনি সেভাবেই শুটিং করেছেন। পরে একে টেলিফিল্ম হিসেবে মুক্তি দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন নির্মাতা। এখন এসে মৌসুমী জানতে পারছেন, এটি রীতিমতো

৯ দিন আগে

‘প্রাঙ্গণেমোরে’র দুই যুগ, জাতীয় নাট্যশালায় ৬ মে ‘টিনের তলোয়ার’ মঞ্চায়ন

১১ দিন আগে

দুই বছর পর আবার ঢাকার মঞ্চে ‘রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় বিজয়া’

৩০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা সাতটায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির এক্সপেরিমেন্টাল থিয়েটার হলে প্রদর্শিত হবে ‘রবীন্দ্রনাথের দ্বিতীয় বিজয়া’ নাটকের ১০ম প্রদর্শনী। নাটকটি রচনা, নির্দেশনা ও পরিকল্পনা করেছেন ম্যাড থেটারের প্রধান পরিচালক আসাদুল ইসলাম। নাটকটির চরিত্র সংখ্যা দুটি। রবীন্দ্রনাথ চরিত্রে অভিনয় ক

১৪ দিন আগে

না ফেরার দেশে লেন্সের জাদুকর রঘু রাই

ইন্দিরা গান্ধী, মাদার তেরেসা থেকে শুরু করে সত্যজিৎ রায়ের মতো ব্যক্তিত্বদের অসাধারণ সব মুহূর্তকে লেন্সবন্দি করার জন্য তিনি বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। আলোকচিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৭২ সালে তিনি ভারতের সম্মানজনক 'পদ্মশ্রী' পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।

১৭ দিন আগে