
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়ার পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। তার জন্য কাতার আমিরের একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় পাঠানোর কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে শেষ মুহূর্তে তা সম্ভব হয়নি। এর বদলে কাতারই জার্মানির একটি প্রাইভেট এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছে খালেদা জিয়ার জন্য।
ঢাকায় কাতার দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, এটি জার্মানভিত্তিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কোম্পানি এফএআই রেন্ট-এ-জেট জিএমবিএইচের সিএল৬০ তথা বোম্বার্ডিয়ার চ্যালেঞ্জার ৬০০ সিরিজের একটি জেট। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে এর রওয়ানা দেওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, জার্মান এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিই খালেদা জিয়াকে নিয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের পথে রওয়ানা হবে। জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসি হয়ে সরাসরি লন্ডন যাবে এটি।
সেসব সুবিধা আছে জার্মান এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে
জার্মান এফএআই অ্যাভিয়েশন গ্রুপের এফএআই রেন্ট-এ-জেট জিএমবিএইচ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। তাদের বোম্বার্ডিয়ার চ্যালেঞ্জার ৬০০ সিরিজের জেটগুলো দীর্ঘ দূরত্বে সংকটাপন্ন রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। এসব জেটে থাকা সুবিধার মধ্যে রয়েছে—
এসব সুবিধা থাকায় এসব এয়ার অ্যাম্বুলেন্সকে এক ধরনের উড়ন্ত আইসিইউ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।
জরুরি কিংবা নিয়মিত চিকিৎসা পরিবহন— দুই ক্ষেত্রেই রোগী ও তার পরিবারের জন্য কঠিন পরিস্থিতিতেও নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই জার্মান এ প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য। তাদের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সগুলো রোগীদের জীবন বাঁচাতে ও তাদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সক্ষম।
এর আগে কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ‘এয়ারবাস ৩১৯’ ব্যবহার করে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। এবারও কাতার রাজপরিবারের জন্য ব্যবহৃত সেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিই পাঠানোর কথা ছিল খালেদা জিয়ার জন্য। কারিগরি ত্রুটির কারণে সেটি সম্ভব হলো না।

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে লন্ডন নেওয়ার পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। তার জন্য কাতার আমিরের একটি বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় পাঠানোর কথা থাকলেও কারিগরি ত্রুটির কারণে শেষ মুহূর্তে তা সম্ভব হয়নি। এর বদলে কাতারই জার্মানির একটি প্রাইভেট এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠাচ্ছে খালেদা জিয়ার জন্য।
ঢাকায় কাতার দূতাবাস সূত্র জানিয়েছে, এটি জার্মানভিত্তিক এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কোম্পানি এফএআই রেন্ট-এ-জেট জিএমবিএইচের সিএল৬০ তথা বোম্বার্ডিয়ার চ্যালেঞ্জার ৬০০ সিরিজের একটি জেট। শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে এর রওয়ানা দেওয়ার কথা রয়েছে।
নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, জার্মান এই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিই খালেদা জিয়াকে নিয়ে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে লন্ডনের পথে রওয়ানা হবে। জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসি হয়ে সরাসরি লন্ডন যাবে এটি।
সেসব সুবিধা আছে জার্মান এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে
জার্মান এফএআই অ্যাভিয়েশন গ্রুপের এফএআই রেন্ট-এ-জেট জিএমবিএইচ বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। তাদের বোম্বার্ডিয়ার চ্যালেঞ্জার ৬০০ সিরিজের জেটগুলো দীর্ঘ দূরত্বে সংকটাপন্ন রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত হয়। এসব জেটে থাকা সুবিধার মধ্যে রয়েছে—
এসব সুবিধা থাকায় এসব এয়ার অ্যাম্বুলেন্সকে এক ধরনের উড়ন্ত আইসিইউ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।
জরুরি কিংবা নিয়মিত চিকিৎসা পরিবহন— দুই ক্ষেত্রেই রোগী ও তার পরিবারের জন্য কঠিন পরিস্থিতিতেও নির্বিঘ্ন ও আরামদায়ক অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করাই জার্মান এ প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য। তাদের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সগুলো রোগীদের জীবন বাঁচাতে ও তাদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দিতে সক্ষম।
এর আগে কাতারের আমিরের পাঠানো এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ‘এয়ারবাস ৩১৯’ ব্যবহার করে লন্ডন নিয়ে যাওয়া হয়েছিল খালেদা জিয়াকে। এবারও কাতার রাজপরিবারের জন্য ব্যবহৃত সেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিই পাঠানোর কথা ছিল খালেদা জিয়ার জন্য। কারিগরি ত্রুটির কারণে সেটি সম্ভব হলো না।

এই মিশনের চার নভোচারী হলেন নাসার রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। তারা এরই মধ্যে ওরিয়ন ক্যাপসুলে প্রবেশ করেছেন। ১০ দিনের এই মিশনে তারা চাঁদের চারপাশ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
১৪ দিন আগে
১৯৯২ সালের ৩০ মার্চ টিভির পর্দায় দীর্ঘ রোগভোগে ক্লান্ত সত্যজিৎ রায়কে অস্কার পুরস্কারের স্মারক হাতে নিয়ে আধশোয়া অবস্থায় সংক্ষিপ্ত বক্তব্য পেশ করতে দেখে আবেগে বিহ্বল হয়ে পড়েছিলেন সবাই। ওই দিন আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে লস অ্যাঞ্জেলেসে অস্কার দেওয়া হয়।
১৫ দিন আগে
কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, ওড়িশা রাজ্যের তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিংয়ের সেটে রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ঘটেছে এমন ঘটনা। অভিনেতার মরদেহ দিঘা হাসপাতালে রাখা হয়েছে। সেখানেই তার ময়নাতদন্ত হওয়ার কথা রয়েছে।
১৭ দিন আগে
ঢাকার প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ-এর কণ্ঠশিল্পী, একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী মাহবুবা রহমান আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
২০ দিন আগে