
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। ক্যারিয়ারে কোটি কোটি ভক্তের পাশাপাশি নাম-যশ-খ্যাতি কি নেই তার! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নায়কও বলা হয় তাকে। এবার এই বলিউড সুপারস্টারের নামে দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে একটি আকাশচুম্বী টাওয়ার। এটি নির্মাণ করছে দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট সংস্থা ‘দানিউব’।
গত শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ে বিলাসবহুল এই টাওয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে শাহরুখ খান নিজেও হাজির হয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে নিজের মায়ের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ‘কিং খান’। এরপরই নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় শাহরুখ বলেন, ‘ঈদের চাঁদের মতো আমি বাইরে কম আসি। কিন্তু যখন আসি, তখন বড় কিছু হয়।’
তিনি যোগ করেন, ‘আমার জীবনে অনেক কিছু রয়েছে। সিনেমা ছাড়া আর কিছুতেই আমার নাম দেখা যায়নি। আমার পেশা এবং সাধনার অঙ্গ হচ্ছে ছবি। সেখানে এরকম কিছু আমার জন্য সত্যি অনেক বড় উপহার।’
দানিউব গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, রিজওয়ানের ছেলে আদেল সাজান টাওয়ারটির গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে জানান, ৫৫ তলার অফিস টাওয়ারটিতে হেলিপ্যাড এবং ২০২৬ সালে এয়ার ট্যাক্সি স্টেশন থাকবে। দর্শকেরা শাহরুখের টাওয়ারটিতে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা পাবেন।
উল্লেখ্য, আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে বহুতল ভবনটির কাজ শেষ হবে বলে জানা গেছে। ভবনটির প্রবেশ পথে থাকবে শাহরুখের মূর্তি। আর টাওয়ারের প্রবেশদ্বারে থাকবে শাহরুখ খানের স্বাক্ষরযুক্ত ভাস্কর্য।

বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান। ক্যারিয়ারে কোটি কোটি ভক্তের পাশাপাশি নাম-যশ-খ্যাতি কি নেই তার! বিশ্বের সবচেয়ে ধনী নায়কও বলা হয় তাকে। এবার এই বলিউড সুপারস্টারের নামে দুবাইয়ে তৈরি হচ্ছে একটি আকাশচুম্বী টাওয়ার। এটি নির্মাণ করছে দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট সংস্থা ‘দানিউব’।
গত শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) মুম্বাইয়ে বিলাসবহুল এই টাওয়ারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হলো। এই অনুষ্ঠানে শাহরুখ খান নিজেও হাজির হয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে নিজের মায়ের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ‘কিং খান’। এরপরই নিজের স্বভাবসুলভ রসিকতায় শাহরুখ বলেন, ‘ঈদের চাঁদের মতো আমি বাইরে কম আসি। কিন্তু যখন আসি, তখন বড় কিছু হয়।’
তিনি যোগ করেন, ‘আমার জীবনে অনেক কিছু রয়েছে। সিনেমা ছাড়া আর কিছুতেই আমার নাম দেখা যায়নি। আমার পেশা এবং সাধনার অঙ্গ হচ্ছে ছবি। সেখানে এরকম কিছু আমার জন্য সত্যি অনেক বড় উপহার।’
দানিউব গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর, রিজওয়ানের ছেলে আদেল সাজান টাওয়ারটির গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে জানান, ৫৫ তলার অফিস টাওয়ারটিতে হেলিপ্যাড এবং ২০২৬ সালে এয়ার ট্যাক্সি স্টেশন থাকবে। দর্শকেরা শাহরুখের টাওয়ারটিতে ভিন্নধর্মী এক অভিজ্ঞতা পাবেন।
উল্লেখ্য, আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে বহুতল ভবনটির কাজ শেষ হবে বলে জানা গেছে। ভবনটির প্রবেশ পথে থাকবে শাহরুখের মূর্তি। আর টাওয়ারের প্রবেশদ্বারে থাকবে শাহরুখ খানের স্বাক্ষরযুক্ত ভাস্কর্য।

পাকিস্তানি জেনারেলরা তাদের তথাকথিত ‘ফোর্ট্রেস ডিফেন্স’ বা দুর্গ রক্ষা কৌশলের ওপর যে অন্ধ বিশ্বাস রেখেছিল, তা তখন অন্ধের মতোই তাদের হোঁচট খাওয়াচ্ছিল। একদিকে বিশ্বরাজনীতির দাবার বোর্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সপ্তম নৌ বহর পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের উত্তাপ ছড়াচ্ছিল, অন্যদিকে বাংলার
৪ দিন আগে
তিন যুবকের হাতে মোটেও সময় নেই। বেচারা সিম্পসন! আজীবন নিরীহ-নিরপরাধ ভারতীয়দের ওপর নির্মম নির্যাতন চালিয়ে এসেছেন। এ জন্য কতকিছু চিন্তা করে নির্যাতনের উপায় বের করতে হয়েছে। সেই মানুষটি নিজের শেষ সময়ে বিন্দুমাত্র ভাবনার সময়ও পেলেন না। তার দিকে তাক করা তিনটি রিভলবার থেকে ছয়টি বুলেট সিম্পসনের শরীর ভেদ করে
৫ দিন আগে
তবে এ দিনের সবচেয়ে বড় ‘নাটক’ মঞ্চস্থ হয়েছিল যুদ্ধের ময়দানে নয়, বরং ঢাকার শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘের সদর দপ্তরে। খোদ পাকিস্তানি জেনারেল রাও ফরমান আলী রাওয়ালপিন্ডির অনুমতি ছাড়াই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাঠিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছিলেন যে, ‘খেলা শেষ’।
৫ দিন আগে
ঢাকায় তখন এক ভিন্ন দৃশ্য। যে জেনারেল নিয়াজি দম্ভভরে বলতেন ‘বাংলার মানুষ আমাকে বাঘের মতো ভয় পায়’, সেই নিয়াজি এ দিনেই গভর্নর হাউজে বসে প্রথমবারের মতো কান্নায় ভেঙে পড়েন। ৭ ডিসেম্বর কেবল ভূখণ্ড জয়ের দিন ছিল না, এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর অহংকারের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেওয়ার দিন।
৬ দিন আগে