
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আগামী মে মাসে বাংলাদেশে আসছেন মিস ইউনিভার্স খ্যাত বিশ্বসুন্দরী ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ। শুক্রবার (৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এ তথ্য জানান মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মেক্সিকো সফররত মিস ইউনিভার্স- ২০২৪ ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ ও তার দল আমাদের দূতাবাসে এলে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। তিনি মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ডেনমার্কের প্রথম মিস ইউনিভার্স হিসেবে বিজয়ী হন। ভিক্টোরিয়া আগামী মে মাসে বাংলাদেশে জনহিতকর কার্যক্রমে যোগ দিতে বাংলাদেশ সফর করবেন।’
উল্লেখ্য ১২৫ জন প্রতিযোগীকে টপকে ২০২৪ সালে মিস ইউনিভার্সসের মুকুট ছিনিয়ে নেন ডেনমার্কের সুন্দরী ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ। মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে ডেনমার্কের এটি ছিল প্রথম জয়। মিস ইউনিভার্সের মুকুট ছাড়াও কিয়ার থেইলভিগ বড় চারটি আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার যে কোনো শিরোপা বিজয়ী দ্বিতীয় ডেনিশ নারী।

ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ ডেনমার্কের হারলেভে ২০০৩ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই তার শৈশব কাটে। লিঙ্গবি হ্যান্ডেলসজিমনাসিয়াম-এ ব্যবসা ও বিপণন বিষয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। পড়াশোনা শেষে, কিয়ার থেইলভিগ পেশাদার নৃত্যশিল্পী হয়ে ওঠেন এবং মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, প্রাণী অধিকার, এবং সৌন্দর্য শিল্পে উদ্যোক্তাবাদ প্রচারের জন্য কাজ করেন।
কিয়ার থেইলভিগ মিস ডেনমার্ক ২০২১-এর একজন প্রতিযোগী হিসেবে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শুরু করেন। ওই প্রতিযোগিতায় তিনি দ্বিতীয় রানার আপ হন। পরবর্তী বছরে, তিনি মিস গ্র্যান্ড ডেনমার্ক নির্বাচিত হন এবং মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ২০২২-এ ডেনমার্কের প্রতিনিধিত্ব করেন। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় তিনি শীর্ষ বিশের মধ্যে স্থান অর্জন করেন। ২০২৪ সালে, মিস ইউনিভার্স ডেনমার্ক নির্বাচিত হন।

আগামী মে মাসে বাংলাদেশে আসছেন মিস ইউনিভার্স খ্যাত বিশ্বসুন্দরী ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ। শুক্রবার (৭ মার্চ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে এ তথ্য জানান মেক্সিকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মেক্সিকো সফররত মিস ইউনিভার্স- ২০২৪ ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ ও তার দল আমাদের দূতাবাসে এলে স্বাগত জানাতে পেরে আনন্দিত। তিনি মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় ডেনমার্কের প্রথম মিস ইউনিভার্স হিসেবে বিজয়ী হন। ভিক্টোরিয়া আগামী মে মাসে বাংলাদেশে জনহিতকর কার্যক্রমে যোগ দিতে বাংলাদেশ সফর করবেন।’
উল্লেখ্য ১২৫ জন প্রতিযোগীকে টপকে ২০২৪ সালে মিস ইউনিভার্সসের মুকুট ছিনিয়ে নেন ডেনমার্কের সুন্দরী ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ। মিস ইউনিভার্সের মঞ্চে ডেনমার্কের এটি ছিল প্রথম জয়। মিস ইউনিভার্সের মুকুট ছাড়াও কিয়ার থেইলভিগ বড় চারটি আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার যে কোনো শিরোপা বিজয়ী দ্বিতীয় ডেনিশ নারী।

ভিক্টোরিয়া কিয়ার থেইলভিগ ডেনমার্কের হারলেভে ২০০৩ সালের ১৩ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। সেখানেই তার শৈশব কাটে। লিঙ্গবি হ্যান্ডেলসজিমনাসিয়াম-এ ব্যবসা ও বিপণন বিষয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। পড়াশোনা শেষে, কিয়ার থেইলভিগ পেশাদার নৃত্যশিল্পী হয়ে ওঠেন এবং মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা, প্রাণী অধিকার, এবং সৌন্দর্য শিল্পে উদ্যোক্তাবাদ প্রচারের জন্য কাজ করেন।
কিয়ার থেইলভিগ মিস ডেনমার্ক ২০২১-এর একজন প্রতিযোগী হিসেবে সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ শুরু করেন। ওই প্রতিযোগিতায় তিনি দ্বিতীয় রানার আপ হন। পরবর্তী বছরে, তিনি মিস গ্র্যান্ড ডেনমার্ক নির্বাচিত হন এবং মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ২০২২-এ ডেনমার্কের প্রতিনিধিত্ব করেন। ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় তিনি শীর্ষ বিশের মধ্যে স্থান অর্জন করেন। ২০২৪ সালে, মিস ইউনিভার্স ডেনমার্ক নির্বাচিত হন।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এর তারকা সমৃদ্ধ অনুষ্ঠান থেকে ঘোষণা করা হয়েছে বছরের সেরা বিজয়ীদের নাম। রোববার (১১ জানুয়ারি) ক্যালিফোর্নিয়ার বেভারলি হিলটন হোটেলে বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।
১২ জানুয়ারি ২০২৬
নতুন বছরের শুরুতেই চারটি নতুন সিনেমার খবর দিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ বিজয়ী রাফা নানজীবা তোরসা। একের পর এক সিনেমায় যুক্ত হয়ে বড় পরিসরে কাজের প্রস্তুতির জানান দিচ্ছেন তিনি। বর্তমানে গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিতব্য সিনেমা ‘মাটি’–এর শুটিংয়ে ব্যস্ত এই মডেল-অভিনেত্রী।
০৬ জানুয়ারি ২০২৬
শুধু তাই নয়, হটস্টার স্পেশালস, জিওসিনেমা ও জি-সহ অন্যান্য জনপ্রিয় সব প্ল্যাটফর্মের ওয়েব সিরিজের মতো প্রিমিয়াম কনটেন্টগুলো দেখার সুযোগ করে দিয়েছে আকাশ গো। এ অ্যাপের সাবস্ক্রিপশনও এখন সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
০৬ জানুয়ারি ২০২৬
বিদায় নিয়েছে ২০২৫ সাল। নানা ঘটনা আর অঘটনের মধ্যে বিদায়ী এ বছরটিতেও আমরা হারিয়েছি এমন অনেককে, যারা তাদের জীবন ও কাজের মাধ্যমে দেশ ও রাষ্ট্রের জন্য নিজেদের মহীরূহতে পরিণত করেছিলেন। তারা এমন সব ব্যক্তিত্ব, যাদের প্রয়াণ দেশ ও জাতির জন্য সত্যিকার অর্থেই অপূরণীয় ক্ষতি।
০২ জানুয়ারি ২০২৬