
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলা সিনেমার কিংবদন্তী অভিনেতা প্রবীর মিত্র পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। গতকাল রবিবার (৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী এই অভিনেতা।
প্রয়াত এই অভিনেতাকে ‘শেষ বিদায়’ জানানো নিয়ে শুরুতে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকলেও বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে খোলাসা করেছেন ঢালিউড অভিনেতা মিশা সওদাগর।
তিনি জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন প্রবীর মিত্র। তাই ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।
ইতোমধ্যে অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। প্রবীর মিত্রর ছেলে মিঠুন মিত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রবিবার রাতেই গোসল শেষে ফ্রিজার গাড়িতে মরদেহ ধানমন্ডির বাসায় নেওয়া হয়েছে। সোমবার (৬ জানুয়ারি) যোহরের পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) তার প্রথম জানাজা হবে। পরে সেখান থেকে মরদেহ চ্যানেল আইয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।
প্রবীর মিত্র ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট কুমিল্লার চান্দিনায় এক কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা গোপেন্দ্র নাথ মিত্র এবং মা অমিয়বালা মিত্র। বংশপরম্পরায় পুরান ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা প্রবীর মিত্র। তিনি ঢাকা শহরেই বেড়ে উঠেন। তিনি প্রথম জীবনে সেন্ট গ্রেগরি থেকে পোগজ স্কুলে পড়াশোনা করেন। স্কুলজীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি।
প্রবীর মিত্র ষাটের দশকে ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেটে ক্যাপ্টেন হিসেবে খেলেছেন। একই সময় তিনি ফায়ার সার্ভিসের হয়ে ফার্স্ট ডিভিশন হকি খেলেছেন। এছাড়া কামাল স্পোর্টিংয়ের হয়ে সেকেন্ড ডিভিশন ফুটবলও খেলেছেন।
১৯৬৯ সালে প্রয়াত এইচ আকবরের ‘জলছবি’ সিনেমার অভিনয়ের জন্য প্রথম প্রবীর মিত্র ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ‘নায়ক’ হিসেবে কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।
চার শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন প্রবীর মিত্র।
এর মধ্যে ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সেয়ানা’, ‘জালিয়াত’, ‘ফরিয়াদ’, ‘রক্ত শপথ’, ‘চরিত্রহীন’, ‘জয় পরাজয়’, ‘অঙ্গার’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘মধুমিতা’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘অলংকার’, ‘অনুরাগ’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘তরুলতা’, ‘গাঁয়ের ছেলে’, ‘পুত্রবধূ’ উল্লেখযোগ্য।
প্রবীর মিত্র তার প্রেমিকা অজন্তাকে বিয়ে করেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, বিয়ে করার সময় তিনি হিন্দুধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। অজন্তা ২০০০ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
এই দম্পতির তিন ছেলে ও এক মেয়ে। তারা হলেন - মিঠুন মিত্র, ফেরদৌস পারভীন, সিফাত ইসলাম ও সামিউল ইসলাম। ছোট ছেলে সামিউল ২০১২ সালে ৭ মে মারা যান।

বাংলা সিনেমার কিংবদন্তী অভিনেতা প্রবীর মিত্র পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। গতকাল রবিবার (৫ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী এই অভিনেতা।
প্রয়াত এই অভিনেতাকে ‘শেষ বিদায়’ জানানো নিয়ে শুরুতে অনেকের মনে প্রশ্ন থাকলেও বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে খোলাসা করেছেন ঢালিউড অভিনেতা মিশা সওদাগর।
তিনি জানান, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন প্রবীর মিত্র। তাই ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হবে।
ইতোমধ্যে অভিনেতার পরিবারের পক্ষ থেকে জানাজা ও দাফনের বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়েছে। প্রবীর মিত্রর ছেলে মিঠুন মিত্র গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রবিবার রাতেই গোসল শেষে ফ্রিজার গাড়িতে মরদেহ ধানমন্ডির বাসায় নেওয়া হয়েছে। সোমবার (৬ জানুয়ারি) যোহরের পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (এফডিসি) তার প্রথম জানাজা হবে। পরে সেখান থেকে মরদেহ চ্যানেল আইয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হবে।
প্রবীর মিত্র ১৯৪৩ সালের ১৮ আগস্ট কুমিল্লার চান্দিনায় এক কায়স্থ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা গোপেন্দ্র নাথ মিত্র এবং মা অমিয়বালা মিত্র। বংশপরম্পরায় পুরান ঢাকার স্থায়ী বাসিন্দা প্রবীর মিত্র। তিনি ঢাকা শহরেই বেড়ে উঠেন। তিনি প্রথম জীবনে সেন্ট গ্রেগরি থেকে পোগজ স্কুলে পড়াশোনা করেন। স্কুলজীবনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘ডাকঘর’ নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি।
প্রবীর মিত্র ষাটের দশকে ঢাকা ফার্স্ট ডিভিশন ক্রিকেটে ক্যাপ্টেন হিসেবে খেলেছেন। একই সময় তিনি ফায়ার সার্ভিসের হয়ে ফার্স্ট ডিভিশন হকি খেলেছেন। এছাড়া কামাল স্পোর্টিংয়ের হয়ে সেকেন্ড ডিভিশন ফুটবলও খেলেছেন।
১৯৬৯ সালে প্রয়াত এইচ আকবরের ‘জলছবি’ সিনেমার অভিনয়ের জন্য প্রথম প্রবীর মিত্র ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালের ১ জানুয়ারি।
ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ‘নায়ক’ হিসেবে কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।
চার শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন প্রবীর মিত্র।
এর মধ্যে ‘তিতাস একটি নদীর নাম’, ‘জীবন তৃষ্ণা’, ‘সেয়ানা’, ‘জালিয়াত’, ‘ফরিয়াদ’, ‘রক্ত শপথ’, ‘চরিত্রহীন’, ‘জয় পরাজয়’, ‘অঙ্গার’, ‘মিন্টু আমার নাম’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘মধুমিতা’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘অলংকার’, ‘অনুরাগ’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘তরুলতা’, ‘গাঁয়ের ছেলে’, ‘পুত্রবধূ’ উল্লেখযোগ্য।
প্রবীর মিত্র তার প্রেমিকা অজন্তাকে বিয়ে করেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, বিয়ে করার সময় তিনি হিন্দুধর্ম থেকে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হন। অজন্তা ২০০০ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
এই দম্পতির তিন ছেলে ও এক মেয়ে। তারা হলেন - মিঠুন মিত্র, ফেরদৌস পারভীন, সিফাত ইসলাম ও সামিউল ইসলাম। ছোট ছেলে সামিউল ২০১২ সালে ৭ মে মারা যান।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, কিছু সংবাদ মাধ্যম এবং বিভিন্ন ফেসবুক পেইজে উক্ত বিষয়টি ‘অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সকল কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা’ করা হয়েছে মর্মে সংবাদ প্রকাশ করে, বিষয়টি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা একেবারেই অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক বলে উল্লেখ করা হয়।
২৩ দিন আগে
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এ চলচ্চিত্রটির মুক্তির তারিখ এর আগে তিন দফা পরিবর্তন করা হয়। সবশেষ নির্ধারিত তারিখ ছিল আগামী ২৫ ডিসেম্বর।
২৩ দিন আগে
১৬ ডিসেম্বর ছিল সেই দিন, যেদিন প্রমাণিত হয়েছিল— একটি নিরস্ত্র জাতি যখন স্বাধীনতার মন্ত্রে দীক্ষিত হয়, তখন পৃথিবীর কোনো পরাশক্তি বা আধুনিক সমরাস্ত্র তাদের দাবিয়ে রাখতে পারে না। মার্কিন সপ্তম নৌ বহর বঙ্গোপসাগরের নীল জলেই থমকে দাঁড়িয়েছিল। আর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সব কূটচাল ব্যর্থ হয়ে গিয়েছিল বাঙা
১৬ ডিসেম্বর ২০২৫
একাত্তরের ১৫ ডিসেম্বর দিনটি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিচিত্র ও শ্বাসরুদ্ধকর অধ্যায়, যেখানে বিজয়ের চূড়ান্ত আনন্দ আর ভূ-রাজনীতির জটিল সমীকরণ একই সমান্তরালে চলছিল। ক্যালেন্ডারের পাতায় এটি ছিল বিজয়ের ঠিক আগের দিন। কিন্তু রণাঙ্গনের বাস্তবতায় এটি ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর মানসিক মৃত্যু ও যৌথ ব
১৫ ডিসেম্বর ২০২৫