সংকটে অমর একুশে বইমেলা: কারণ ও উত্তরণ ভাবনা

কামরুল হাসান শায়ক

অমর একুশে বইমেলা বাঙালির প্রাণের মেলা, অন্যতম প্রধান সাংস্কৃতিক উৎসব। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের শহিদদের স্মরণে ঐতিহাসিকভাবে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী বই উৎসব এটি। প্রকাশকদের কাছে বই বিপণনের জন্যও এটি এক অনিবার্য অংশ। তাই অমর একুশে বইমেলায় অংশগ্রহণ প্রকাশক হিসেবে সবারই অত্যন্ত আগ্রহের বিষয়।

আমরা মূলধারার প্রকাশকরা সবসময় একটি সফল ও সমৃদ্ধ বইমেলা জাতিকে উপহার দিতে চেয়েছি। একটি সফল বইমেলার জন্য যে রসায়ন প্রয়োজন— বিশেষ করে অমর একুশে বইমেলার ক্ষেত্রে— তা বাস্তবায়নে বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ ও বইমেলা পরিচালনা কমিটির সঙ্গে আমাদের ব্যাটে-বলে মিলছিল না। এ কারণে কমিটির অন্তর্ভুক্ত বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশক কমিটির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে আমাদের দাবির সঙ্গে একাত্ম হন।

অবশেষে জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সরকারের সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রীর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা মেলার তারিখ পরিবর্তনের মূল দাবি উপেক্ষা করেই মেলায় অংশগ্রহণ করি। আজ মেলার শেষ সময়ে এসে প্রমাণিত হলো— আমাদের পরামর্শ বলুন আর দাবি-ই বলুন, তা সর্বৈব সঠিক ছিল।

এবারের একুশে বইমেলা যে সুপার ফ্লপ করল, আর এ ঘটনার মধ্য দিয়ে আমরা এই ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত বাঙালির প্রাণের উৎসবটির যে কত বড় ক্ষতি করে ফেললাম, তার কারণ, দায় ও উত্তরণ নিয়ে গভীর গবেষণা অত্যন্ত প্রয়োজন।

অমর একুশে বইমেলা মূলত আমাদের প্রকাশকদের অর্জন। মহান মুক্তিযুদ্ধের পরপরই ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তধারা প্রকাশনীর চিত্তরঞ্জন সাহা, স্ট্যান্ডার্ড পাবলিশার্সের রুহুল আমিন নিজামী ও বর্ণমিছিলের তাজুল ইসলাম বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে চট ও খবরের কাগজ বিছিয়ে অত্যন্ত সীমিত পরিসরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বই নিয়ে প্রথম বইমেলার সূত্রপাত করেন। সেই থেকে আজ ৫৫ বছরে পদার্পণ করা একুশে বইমেলার এই করুণ চিত্র দেখে আমরা প্রকাশকরা নিদারুণ মর্মাহত। যে বইমেলা বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক উৎসবের এক মহীরুহে পরিণত হয়েছিল, তা আজ দক্ষ নেতৃত্বের অভাবে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

অমর একুশে বইমেলাকে আবারও তার স্বমহিমায় ফিরিয়ে আনতে মেধাবী, দক্ষ সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। লেখক-পাঠক ও প্রকাশকের ত্রিমুখী ধারাকে এক মোহনায় এক ঐক্যতানে বাজাতে বাস্তবসম্মত গবেষণা, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের রূপরেখা নিয়ে সমন্বিতভাবে এখনই উদ্যোগ নেওয়া জরুরি।

অমর একুশে বইমেলা–২০২৬-এ পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেড ১১৮টি বিভিন্ন শিরোনামে বৈচিত্র্যময় বই প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় প্রায় সব জনরার বই। যেমন— মিস্ট্রি/থ্রিলার, ফ্যান্টাসি, হরর, সায়েন্স ফিকশন, মুক্তিযুদ্ধ, ইয়াং অ্যাডাল্ট, নন-ফিকশন, কমিকস, গ্রাফিক নভেল, কবিতা, প্রবন্ধ।

একুশের বইমেলা ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি (অধিবর্ষে ২৯ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্তই প্রতিবছর হওয়া উচিত। এর ব্যত্যয় ঘটায় এ বছর আমরা প্রায় ৭৫ শতাংশ বিক্রি হারিয়েছি।

২০২৬ সালের বইমেলায় পাঠকের তেমন সাড়া নেই। এটি পুরো প্রকাশনা খাত, অমর একুশে বইমেলা, বাংলা একাডেমি এবং আমাদের জাতীয় ঐতিহ্যের জন্য এক ভয়াবহ অশনিসংকেত। এখানে পাঠককে দোষ দেওয়ার সুযোগ নেই। বরং কীভাবে মানুষকে বইমুখী করে সমৃদ্ধ, মননশীল ও মেধাবী জাতি বিনির্মাণ করা যায়, সে বিষয়ে সুনিবিড় চিন্তাপ্রসূত একটি রূপরেখা তৈরি করে তা বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাওয়া খুব প্রয়োজন। কিন্তু তার আগে জানা প্রয়োজন এই মহাসংকটের কারণ। আপাতত আমার দৃষ্টিতে যেসব কারণে এবার একুশে বইমেলায় আমরা পাঠকসমাগম হারিয়েছি, তার সংক্ষিপ্তসার হলো—

  • অমর একুশে বইমেলা ২০২৬ আদৌ হবে কি হবে না— এ নিয়ে দীর্ঘ দ্বিধাদ্বন্দ্ব পাঠকদের নিদারুণ হতাশ করেছে। লেখক পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করবেন কি করবেন না, প্রকাশক বই প্রকাশ করবেন কি করবেন না, বা করলেও কতটা সীমিত পরিসরে প্রকাশ করবেন— এই সবকিছু মিলিয়ে পাঠক-লেখক-প্রকাশকের মধ্যে এক অত্যন্ত পানসে রসায়ন তৈরি হয়েছে এবং বইমেলা বিষয়ে একটি নেতিবাচক বার্তা তৈরি হয়েছে;
  • রমজানের প্রথম সপ্তাহের পর থেকেই পাঠক ধীরে ধীরে ঈদের বাজারের দিকে ঝুঁকতে শুরু করে। দ্বিতীয় সপ্তাহে পুরোপুরি ঈদের শপিংয়ে ব্যস্ত হয়ে যায়। বাজেটও তখন প্রায় পুরোপুরি ঈদ শপিংয়ের জন্য বরাদ্দ হয়ে যায়;
  • আমরা বাংলাদেশের মানুষ কয়েক বছর ধরে বহুমাত্রিক কারণে এক অস্থির সময় পার করছি। এই সময় আমাদের প্রজন্মকে সুস্থ, মননশীল সাংস্কৃতিক চর্চা থেকে বিমুখতার দিকে ঠেলে দিয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বই পড়ার ক্ষেত্রেও। এই বইবিমুখতা থেকে প্রজন্মকে ফিরিয়ে আনতে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ব্যাপক কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। সৃজনশীল, মেধাবী জাতি বিনির্মাণের স্বার্থেই এই উদ্যোগ অনতিবিলম্বে নেওয়া উচিত। লোকদেখানো ‘বই পড়া আন্দোলন’ জাতীয় কর্মসূচি নয়; বরং নিবিড় গবেষণাপ্রসূত এমন জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন করতে হবে, যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ফলাফল দৃশ্যমান হতে শুরু করে। অর্থাৎ কর্মসূচি হতে হবে রেজাল্ট-অ্যান্ড-টার্গেট-ওরিয়েন্টেড;
  • সবশেষ বিষয়টি হলো— লেখক ও প্রকাশকের দায়বদ্ধতা ও পেশাদার চর্চা। আমরা অধিকাংশ লেখক ও প্রকাশকই আমাদের পেশার প্রতি যথেষ্ট দায়িত্বশীল নই। বাংলাদেশে পেশাদার লেখক নেই বললেই চলে। আমাদের সমাজ কাঠামোও সেভাবে রাষ্ট্র গড়ে তোলেনি। যার ফলে পাঠক ভালো কনটেন্টের ভালো বই থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ঠকতে ঠকতেই পাঠক ক্রমশ বইবিমুখ হয়ে পড়ছেন। একজন পাঠকের হাতের মুঠোয় এখন পৃথিবী। ইচ্ছা করলেই তিনি বিশ্বের সেরা বইগুলো পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে পাঠক তুলনা করে বই পড়ার জায়গায় পৌঁছে গেছেন। অর্থাৎ আজ বাংলাদেশের একজন লেখক যে বইই লিখুন না কেন, তাকে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বসে একই বিষয়ে বই লেখা অন্য লেখকদের সঙ্গে।

একইভাবে প্রকাশককেও লেখকের সঙ্গে লিখিত চুক্তিপত্র করে পাণ্ডুলিপি যথাযথ সম্পাদনা করে অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে প্রকাশ করা এবং পেশাদারির সঙ্গে বইটির দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিত করে সর্বাধিক পাঠকের কাছে বইটির বার্তা পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন। আমরা লেখক ও প্রকাশকদের অধিকাংশই আমাদের করণীয়গুলো দায়িত্বশীলতার সঙ্গে করছি না; বরং সহজ ও দ্রুত গতিতে নামি-দামি লেখক কিংবা প্রকাশক হওয়া যায়, সে পথেই হাঁটছি। কিন্তু অত্যন্ত সৃজনশীল এই পথ খুবই বন্ধুর, চ্যালেঞ্জিং; অনেক গবেষণা এবং সাধনার দীর্ঘ পথ অতিক্রম করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে হয়। এর কোনো বিকল্প নেই।

আজকের লেখক ও প্রকাশকের জন্য প্রকাশনা কতটা চ্যালেঞ্জিং, তার নমুনা একটু উদাহরণ দিয়ে স্পষ্ট করি। ধরা যাক, ইয়াং অ্যাডাল্টদের জন্য একজন লেখক একটি বইয়ের পাণ্ডুলিপি প্রস্তুতের পরিকল্পনা করলেন। আজকের বিশ্ববাস্তবতায় লেখককে কী কী বিষয় বিবেচনায় নেওয়া জরুরি— এটা লেখক নিজেই গবেষণা করবেন। কারণ তাকে মনে রাখতে হবে, বিশ্ববাজারে এই জনরার আরও অনেক বই রয়েছে। সেইসব বইয়ের মানদণ্ড মাথায় রেখেই লেখার চ্যালেঞ্জ তাকে নিতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়— প্রথমেই লেখক বিবেচনায় নেবেন ইয়াং অ্যাডাল্ট (Y/A)-এর Key Genres and Trends। তারপর ঠিক করবেন কোন জনরায় তিনি সবচেয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে সেরা লেখাটি তৈরি করতে পারবেন। যেমন— ইয়াং অ্যাডাল্ট সাহিত্যের সাম্প্রতিক ট্রেন্ডে জনপ্রিয় জনরাগুলো হচ্ছে ডিসটোপিয়ান, গ্যান্টাসি, ম্যাজিক রিয়েলিজম কনটম্পোরারি রিয়েলিজম, থ্রিলার/মিস্ট্রি ও সাই-ফাই।

এখন ধরুন, লেখক চিন্তা করলেন তিনি ইয়াং অ্যাডাল্টদের জন্য ফ্যান্টাসি বা ম্যাজিক রিয়েলিজম জনরায় লিখবেন। তাহলে তার ভাবনায় অবশ্যই জে কে রাউলিংয়ের হ্যারি পটারকে মানদণ্ড বা তার কাছাকাছি মানের একটি পাণ্ডুলিপি তৈরি করার মতো মেধা, যোগ্যতা, সাধনা ও পরিশ্রম করার মানসিক দৃঢ়তা থাকা দরকার। আবার যদি কোনো লেখক কনটেম্পোরারি রিয়েলিজম জনরায় লিখবেন বলে পরিকল্পনা করেন, তাহলে অন্তত অ্যাংগি থমাসের দ্য হেট ইউ গিভ বইকে মানদণ্ড ধরে পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত করার যে চ্যালেঞ্জ, সেটাও তাকে নিতে হবে।

সবশেষে বলি, প্রকাশনা শিল্প আজ এক ভয়াবহ সংকটে। এর উত্তরণে সরকারি-বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ অত্যন্ত জরুরি। অনেকেই উপযুক্ত তথ্য-উপাত্ত ও গবেষণা ছাড়াই হয়তো দাবি করবেন— সারা পৃথিবীতেই বইয়ের পাঠক কমছে। প্রকৃতপক্ষে এ দাবি মোটেও সঠিক নয়। এ বিষয়ে আমেরিকান টাইম ইউজ তাদের ২০ বছরের (২০০৩ থেকে ২০২৩) স্টাডি সার্ভেতে দেখিয়েছে— এই সময়কালে মানুষের মুদ্রিত বই পড়ার হার ১০ শতাংশ কমে গেলেও ডিজিটাল বইয়ের পাঠক কয়েক গুণ বেড়েছে। রিপোর্টটি প্রকাশিত হয়েছে ২০২৫ সালে।

অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে বইয়ের পাঠক বাড়ছে এবং তা আরও বাড়বে। খুব দূরে নয়, এই তো সেদিন পাশের দেশে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা–২০২৬ সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করে এলাম। আয়োজনের সে কী মহাযজ্ঞ, কী সমৃদ্ধি, কী জৌলুস! তাদের পরিসংখ্যান বলছে— পাঠক উপস্থিতি আগের তুলনায় বেড়েই চলেছে, বিক্রিও বাড়ছে।

আশা করি প্রকাশক, লেখক ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও বিশিষ্টজনেরা এই সংকটের গভীরে প্রবেশ করবেন। সংকট সমাধানে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমাদের প্রাণের অমর একুশে বইমেলাকে স্বমহিমায় পুনর্প্রতিষ্ঠা করবেন।

লেখক: পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স লিমিটেডের প্রকাশক ও পিবিএস লিমিটেডের পরিচালক

ad
ad

মতামত থেকে আরও পড়ুন

বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণই মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা

কেউ কেউ বলেছেন, শেখ মুজিব হেয়ালি পরিহার করে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দিতেন, তাহলে পাকিস্তানের অপ্রস্তুতির সুযোগ নিয়ে আমরা আরও কম জীবন, সম্পদ ও ইজ্জত-আব্রুর বিনিময়ে স্বাধীনতা পেয়ে যেতাম। কী হতো জানি না, তবে বিতর্ক না বাড়িয়ে অনুমান করা যায়— এটি হতো হঠকারী আচরণের নব সংযোজন এবং তার

৫ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ: প্রবাসী শ্রমবাজার সুরক্ষায় কূটনৈতিক প্রস্তুতি জরুরি

এ পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে, বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও বৈদেশিক আয় কাঠামো মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর। ফলে আঞ্চলিক যুদ্ধ বা দীর্ঘস্থায়ী অস্থিরতা দেখা দিলে শ্রমিক নিয়োগ স্থগিত, ভিসা নবায়নে জটিলতা, প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা নিরাপত্তাজনিত কারণে প্রত্যাবাসনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যা সরাসরি দেশের অর্থনীতিকে প্র

৫ দিন আগে

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ ও ‘সার-বিদ্যুৎ রাজনীতি’: ইতিহাস কি আবার ফিরে আসছে?

ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, বিএনপি ক্ষমতায় আসার সময়গুলোর সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের বড় যুদ্ধের সময়কাল মিলে গেছে, যার প্রভাব দেশের কৃষি ও বিদ্যুৎ খাতে অনুভূত হয়েছে। ফলে এসব সংকটকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও তীব্র হয়েছে।

৭ দিন আগে

বেলুচ সমস্যা ও তার সমাধান

বেলুচরা আত্মমর্যাদাসম্পন্ন ও স্বাধীনচেতা। ইংরেজ আমলেও তাদের শাসন করা হতো পরোক্ষ স্বাধীনতা বা সমঝোতার মাধ্যমে। এই পরোক্ষ স্বাধীনতার অর্থ ‘পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসন’ও হতে পারে। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার কালে তার মর্যাদা ছিল স্বাধীন রাষ্ট্রের। কিছুদিন পর একে অনেকটা বলপূর্বক পাকিস্তানের অংশ করে নেওয়া

৭ দিন আগে