
আফরোজা পারভীন

শারীরিক নানা সমস্যায় জেরবার হয়ে আছি। এতদিন মনের জোরে চললেও এখন আর কুলিয়ে উঠতে পারছি না। লিখতে পারছি না এটা মানতে চাইছে না মন। তাই শরীর আরো ভেঙে পড়ছে! ফেসবুকে অনিয়মিত। কাজেই অনেক খবরই নজরে আসছে না। কিন্তু দেশে এখন এমন একটা ঘটনা চলছে, যার জন্য ফেসবুক, পত্রিকা কোনো কিছুরই দরকার হচ্ছে না। আকাশ বাতাসে ভাসছে তিশা-মুশতাক কেচ্ছা। অনেক দিন ধরে শুনছি।
ভেবেছিলাম কিছু লিখব না। কিন্তু পারলাম না । তিশার বাবার অসহায় মুখ আর কান্না আমাকে উদ্বেল করে তুলল! তারা বিয়ে করে যদি চুপ থাকত এক রকম ছিল । কিন্তু তারা মহৎ কাজ করেছে এমন একটা ধারণা সমাজকে দেবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। যেন হিরো হিরোইন বনে গেছে। বই লিখেই ক্ষ্যান্ত হয়নি। দিনের পর দিন সোস্যাল মিডিয়ায় আসছে, টিকটক করছে, রিল বানাচ্ছে। আর ওই মেয়ে তার বাবাকে মিথ্যাবাদী থেকে শুরু করে এমন কিছু নেই যে বলছে না। বাবা মা ও নিজ পরিবারকে মারাত্মকভাবে হেয় করছে । এমনকি বাবা-মার একান্ত নিজস্ব বিষয়াদিও তুলে ধরছে দেশবাসীর সামনে।
ভাবতে পারি না এটা কীভাবে সম্ভব! সন্তান কীভাবে তার বাবা-মাকে এমন অশ্লীল অভব্য ভাষায় বলতে পারে, উপস্থাপন করতে পারে! ভদ্রলোক কীভাবে সহ্য করছেন জানি না। তিনি সত্য বলছেন। কারণ মুশতাকের দ্বিতীয় স্ত্রী সত্যিই তার মেয়ের বান্ধবী। তিনি এ কথা বার বার বলেছেন। কাজেই তার অন্য কথাগুলোও সত্য হবে বলে বিশ্বাস করার কারণ আছে। মেয়ে যাচ্ছেতাইভাবে তাকে আপমান করছে তারপরও তিনি মেয়েকে কোনো দোষারোপ করেননি। বরং বলেছেন, মুশতাক তার মেয়েকে জিম্মি করে এসব বলাচ্ছে। পিতা বুঝি এমনই হয়! আসলে কী তাই! তিনিই ভালো জানেন। জিম্মি করলে কী এমন স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চকণ্ঠে দাপটের সাথে কথা বলা যায়?
যদি যায় বুঝতে হবে মেয়েটি পাকা অভিনেত্রী। যদি ধরেও নিই তিশার বাবা সত্য বলছেন না, তাহলেও কী একজন মেয়ে তার পিতা মাতাকে নিয়ে এভাবে বলতে পারে? পিতা মাতা জন্ম না দিলে সে কোথায় পেত এই বীরপুরুষ মুশতাককে, কোথায় থাকত তার উচ্চকণ্ঠ! অন্যদিকে মুশতাক হেন অপমান নেই যা তিশার বাবাকে করছে না। শ্বশুরের টাকায় হানিমুন করা দিয়ে শুরু হয়েছে। এখন প্রতিদিন শ্বশুরকে বিদ্রুপ করে বেসুরো গলায় গান গাইছে। আর পাশে বসে তিশা খিলখিল করে হাসছে! ভাবতে পারি না! গা গুলোয়। আমি বুঝতে পারছি না, মিডিয়া কেন এদের এতোটা গুরুত্ব দিচ্ছে। মুখরোচক কোন খবর পেলেই কী তা রসিয়ে রসিয়ে পরিবেশন করতে হবে সমাজের কথা না ভেবে! লোকজনের ইন্টারভিউ নিচ্ছে। এক একজন এসে তিশার বাবাকে গালাগাল করছে। অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছে। তার কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিঁটে দিচ্ছে। সব মিডিয়ার এদের বয়কট করা উচিত। তা না করে এদের উপজীব্য করে বিভিন্নজন বিভিন্ন ভিডিও বানিয়ে দেদার পয়সা কামাচ্ছে। এদিকে সমাজের সচেতন মহল, বুদ্ধিজীবী সমাজ নিশ্চুপ। তারা হয়ত ভাবছেন, এটা ওদের পারিবারিক ব্যাপার। কিন্তু বুঝতে হবে, বিষয়টা অনেক আগেই পরিবারের পরিধি ছাড়িয়ে শুধু দেশে নয়, গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। এই অবস্থায় একজন অসহায় পিতার পাশে দাঁড়ানো সচেতন মহলের দায়িত্ব বলে মনে করি। রক্ষক ভক্ষক হবার পর সেটা কী আর পারিবারিক থাকে! শুনেছিলাম আদালতে আদেশ হয়েছে মুশতাক তিশার সমস্ত ভিডিও/ ছবি ফেসবুক থেকে নামিয়ে দিতে। কিন্তু কোথায়? প্রতিদিন ভিডিও, রিলের সংখ্যা বাড়ছে। আর নিত্য নতুন কায়দায় তিশার বাবাকে অপমান করা হচ্ছে। এর শেষ কোথায় জানি না। আপনারা তিশার বাবার পাশে দাঁড়বেন কী দাঁড়াবেন না সেটা আপনাদের বিবেচনা। তবে এই মারাত্মক অপমান আর ট্রমা থেকে তাকে উদ্ধার করার জন্য সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। (লেখকের ফেসবুক থেকে)

শারীরিক নানা সমস্যায় জেরবার হয়ে আছি। এতদিন মনের জোরে চললেও এখন আর কুলিয়ে উঠতে পারছি না। লিখতে পারছি না এটা মানতে চাইছে না মন। তাই শরীর আরো ভেঙে পড়ছে! ফেসবুকে অনিয়মিত। কাজেই অনেক খবরই নজরে আসছে না। কিন্তু দেশে এখন এমন একটা ঘটনা চলছে, যার জন্য ফেসবুক, পত্রিকা কোনো কিছুরই দরকার হচ্ছে না। আকাশ বাতাসে ভাসছে তিশা-মুশতাক কেচ্ছা। অনেক দিন ধরে শুনছি।
ভেবেছিলাম কিছু লিখব না। কিন্তু পারলাম না । তিশার বাবার অসহায় মুখ আর কান্না আমাকে উদ্বেল করে তুলল! তারা বিয়ে করে যদি চুপ থাকত এক রকম ছিল । কিন্তু তারা মহৎ কাজ করেছে এমন একটা ধারণা সমাজকে দেবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। যেন হিরো হিরোইন বনে গেছে। বই লিখেই ক্ষ্যান্ত হয়নি। দিনের পর দিন সোস্যাল মিডিয়ায় আসছে, টিকটক করছে, রিল বানাচ্ছে। আর ওই মেয়ে তার বাবাকে মিথ্যাবাদী থেকে শুরু করে এমন কিছু নেই যে বলছে না। বাবা মা ও নিজ পরিবারকে মারাত্মকভাবে হেয় করছে । এমনকি বাবা-মার একান্ত নিজস্ব বিষয়াদিও তুলে ধরছে দেশবাসীর সামনে।
ভাবতে পারি না এটা কীভাবে সম্ভব! সন্তান কীভাবে তার বাবা-মাকে এমন অশ্লীল অভব্য ভাষায় বলতে পারে, উপস্থাপন করতে পারে! ভদ্রলোক কীভাবে সহ্য করছেন জানি না। তিনি সত্য বলছেন। কারণ মুশতাকের দ্বিতীয় স্ত্রী সত্যিই তার মেয়ের বান্ধবী। তিনি এ কথা বার বার বলেছেন। কাজেই তার অন্য কথাগুলোও সত্য হবে বলে বিশ্বাস করার কারণ আছে। মেয়ে যাচ্ছেতাইভাবে তাকে আপমান করছে তারপরও তিনি মেয়েকে কোনো দোষারোপ করেননি। বরং বলেছেন, মুশতাক তার মেয়েকে জিম্মি করে এসব বলাচ্ছে। পিতা বুঝি এমনই হয়! আসলে কী তাই! তিনিই ভালো জানেন। জিম্মি করলে কী এমন স্বতঃস্ফূর্তভাবে উচ্চকণ্ঠে দাপটের সাথে কথা বলা যায়?
যদি যায় বুঝতে হবে মেয়েটি পাকা অভিনেত্রী। যদি ধরেও নিই তিশার বাবা সত্য বলছেন না, তাহলেও কী একজন মেয়ে তার পিতা মাতাকে নিয়ে এভাবে বলতে পারে? পিতা মাতা জন্ম না দিলে সে কোথায় পেত এই বীরপুরুষ মুশতাককে, কোথায় থাকত তার উচ্চকণ্ঠ! অন্যদিকে মুশতাক হেন অপমান নেই যা তিশার বাবাকে করছে না। শ্বশুরের টাকায় হানিমুন করা দিয়ে শুরু হয়েছে। এখন প্রতিদিন শ্বশুরকে বিদ্রুপ করে বেসুরো গলায় গান গাইছে। আর পাশে বসে তিশা খিলখিল করে হাসছে! ভাবতে পারি না! গা গুলোয়। আমি বুঝতে পারছি না, মিডিয়া কেন এদের এতোটা গুরুত্ব দিচ্ছে। মুখরোচক কোন খবর পেলেই কী তা রসিয়ে রসিয়ে পরিবেশন করতে হবে সমাজের কথা না ভেবে! লোকজনের ইন্টারভিউ নিচ্ছে। এক একজন এসে তিশার বাবাকে গালাগাল করছে। অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছে। তার কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিঁটে দিচ্ছে। সব মিডিয়ার এদের বয়কট করা উচিত। তা না করে এদের উপজীব্য করে বিভিন্নজন বিভিন্ন ভিডিও বানিয়ে দেদার পয়সা কামাচ্ছে। এদিকে সমাজের সচেতন মহল, বুদ্ধিজীবী সমাজ নিশ্চুপ। তারা হয়ত ভাবছেন, এটা ওদের পারিবারিক ব্যাপার। কিন্তু বুঝতে হবে, বিষয়টা অনেক আগেই পরিবারের পরিধি ছাড়িয়ে শুধু দেশে নয়, গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে। এই অবস্থায় একজন অসহায় পিতার পাশে দাঁড়ানো সচেতন মহলের দায়িত্ব বলে মনে করি। রক্ষক ভক্ষক হবার পর সেটা কী আর পারিবারিক থাকে! শুনেছিলাম আদালতে আদেশ হয়েছে মুশতাক তিশার সমস্ত ভিডিও/ ছবি ফেসবুক থেকে নামিয়ে দিতে। কিন্তু কোথায়? প্রতিদিন ভিডিও, রিলের সংখ্যা বাড়ছে। আর নিত্য নতুন কায়দায় তিশার বাবাকে অপমান করা হচ্ছে। এর শেষ কোথায় জানি না। আপনারা তিশার বাবার পাশে দাঁড়বেন কী দাঁড়াবেন না সেটা আপনাদের বিবেচনা। তবে এই মারাত্মক অপমান আর ট্রমা থেকে তাকে উদ্ধার করার জন্য সচেতন দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। (লেখকের ফেসবুক থেকে)

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সরকার ৫ লাখ কর্মসংস্থান, ৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি, ৭ শতাংশ মূল্যস্ফীতি, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, জ্ঞানভিত্তিক সৃজনশীল অর্থনীতির পথে এগিয়ে যেতে চায়। দুর্নীতি ও অপচয় পরিহার, শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও এনবিআরের সম্পদ সংগ্রহে গতি সঞ্চারের মাধ্য
৭ দিন আগে
কিছুসংখ্যক মানুষ গত কয়েকদিন ধরে এই কথা বলে মুখে ফেনা তুলে ফেলেছেন যে, মায়েরা তাদের শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না, তাই হামের সংক্রমণ বাড়ছে! শিশুরা হামে আক্রান্ত হচ্ছে। আর ‘কান নিয়েছে চিলে’— সেই কানের খোঁজ না করেই কিছু মূলধারার সংবাদমাধ্যম লিখেছে, মায়েরা শিশুদের বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন না বলেই হামের
৮ দিন আগে
তৃণমূল নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোট ব্যাংক ছিল মূলত সংখ্যালঘু ও নারী ভোট। ফলাফলে দেখা গেছে, যে তৃণমূলের ৮০ জন জয়ী প্রার্থীর মধ্যে ৩২ জন মুসলিম, যা ঠিক ঠিক ৪০ শতাংশ। এ ছাড়া অন্যান্য দলের আরও ছয়টি আসনে মুসলিম প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। তাহলে কংগ্রেস, সিপিএম ও বিশেষত নওসাদ সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট
৯ দিন আগে
চলমান এই স্নায়ুযুদ্ধ যদি সত্যি সত্যি আগামী সপ্তাহে পূর্ণাঙ্গ সামরিক সংঘাতে রূপ নেয়, তবে তার মাশুল শুধু মধ্যপ্রাচ্যকে নয়, বরং পুরো বিশ্বকে দিতে হবে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ আর পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই সংঘাত কূটনৈতিক টেবিলে সমাধান হবে, নাকি বিশ্বকে এক নতুন অর্থনৈতিক মন্দা ও তৃতীয়
১১ দিন আগে