
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সৌদি আরবের চতুর্থ গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শেখ সালেহ বিন ফাওযান বিন আবদুল্লাহ আল ফাওযান। তিনি শেখ আবদুলআজিজ আল-শেখের স্থলাভিষিক্ত হবেন। আল-শেখ গত ২৩ সেপ্টেম্বর ৮২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান আবদুলআজিজ এক রয়্যাল ডিক্রির মাধ্যমে এ নিয়োগ দিয়েছেন।
শেখ সালেহ আল ফাওযান একই সঙ্গে সিনিয়র আলেম পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা বিভাগের প্রধান হিসেবেও নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি মন্ত্রীর পদমর্যাদা পাবেন।
গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৩৫ সালে কাসিম প্রদেশের আশ-শিমাসিয়াহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন শেখ সালেহ আল ফাওযান। ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারিয়ে আত্মীয়স্বজনদের তত্ত্বাবধানে বড় হন তিনি। স্থানীয় মসজিদের ইমাম শেখ হাম্মুদ বিন সুলাইমান আল তিলাল তার শিক্ষক ছিলেন। তার কাছেই তিনি কোরআন তেলাওয়াত, পড়া ও লেখা শেখেন।
১৯৫০ সালে আশ-শিমাসিয়াহর একটি সরকারি স্কুলে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করেন তিনি এবং ১৯৫২ সালে বুরাইদার আল ফয়সালিয়াহ স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি বুরাইদার ইসলামি ইনস্টিটিউটে প্রথম দিকের ছাত্রদের একজন হিসেবে ভর্তি হন। চার বছর পর স্নাতক সম্পন্ন করে রিয়াদের শরিয়াহ কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৬১ সালে সেখান থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে একই প্রতিষ্ঠানে তিনি ফিকহ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। তার স্নাতকোত্তর থিসিসের বিষয় ছিল “উত্তরাধিকার বিজ্ঞানে কাল্পনিক পদ্ধতি প্রয়োগে সন্তোষজনক অনুসন্ধান”, আর ডক্টরাল থিসিসের বিষয় ছিল “ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী খাদ্যসংক্রান্ত বিধান”।

সৌদি আরবের চতুর্থ গ্র্যান্ড মুফতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন শেখ সালেহ বিন ফাওযান বিন আবদুল্লাহ আল ফাওযান। তিনি শেখ আবদুলআজিজ আল-শেখের স্থলাভিষিক্ত হবেন। আল-শেখ গত ২৩ সেপ্টেম্বর ৮২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।
বুধবার (২২ অক্টোবর) সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান আবদুলআজিজ এক রয়্যাল ডিক্রির মাধ্যমে এ নিয়োগ দিয়েছেন।
শেখ সালেহ আল ফাওযান একই সঙ্গে সিনিয়র আলেম পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক রিসার্চ অ্যান্ড ইফতা বিভাগের প্রধান হিসেবেও নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি মন্ত্রীর পদমর্যাদা পাবেন।
গালফ নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ১৯৩৫ সালে কাসিম প্রদেশের আশ-শিমাসিয়াহ শহরে জন্মগ্রহণ করেন শেখ সালেহ আল ফাওযান। ছোটবেলায় মা-বাবাকে হারিয়ে আত্মীয়স্বজনদের তত্ত্বাবধানে বড় হন তিনি। স্থানীয় মসজিদের ইমাম শেখ হাম্মুদ বিন সুলাইমান আল তিলাল তার শিক্ষক ছিলেন। তার কাছেই তিনি কোরআন তেলাওয়াত, পড়া ও লেখা শেখেন।
১৯৫০ সালে আশ-শিমাসিয়াহর একটি সরকারি স্কুলে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করেন তিনি এবং ১৯৫২ সালে বুরাইদার আল ফয়সালিয়াহ স্কুল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন কাজ করেন। ১৯৫৪ সালে তিনি বুরাইদার ইসলামি ইনস্টিটিউটে প্রথম দিকের ছাত্রদের একজন হিসেবে ভর্তি হন। চার বছর পর স্নাতক সম্পন্ন করে রিয়াদের শরিয়াহ কলেজে ভর্তি হন এবং ১৯৬১ সালে সেখান থেকে ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে একই প্রতিষ্ঠানে তিনি ফিকহ বিষয়ে স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি সম্পন্ন করেন। তার স্নাতকোত্তর থিসিসের বিষয় ছিল “উত্তরাধিকার বিজ্ঞানে কাল্পনিক পদ্ধতি প্রয়োগে সন্তোষজনক অনুসন্ধান”, আর ডক্টরাল থিসিসের বিষয় ছিল “ইসলামী শরিয়াহ অনুযায়ী খাদ্যসংক্রান্ত বিধান”।

রিমান্ডে পাঠানো দুই আসামি হলেন শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিম। কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়েজিদ।
৩ ঘণ্টা আগে
জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের একটি মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ভার্চ্যুয়াল শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন
৪ ঘণ্টা আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৫ ঘণ্টা আগে
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে