
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। সাধারণ মানুষ সচেতন হয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায় দিলে তখন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য হবে বলে মনে করছেন তিনি।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যদি অতীতের মতো শাসন দেখতে না চাই, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-সূচক ভোট দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। যখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠবে, তখন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য হবে।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘গণভোট ২০২৬: কী ও কেন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
গণভোট নিয়ে আরও বেশি বেশি প্রচার প্রয়োজন উল্লেখ করে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত বলেন, গণভোট নিয়ে জনগণকে সচেতন করার জন্য সরকারকে কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখছি। আরও কারও পদক্ষেপ দেখছি না। আমি মনে করি, শুধু জাতীয় নির্বাচন ভালো হবে নাকি খারাপ হবে— এর মধ্যে আবদ্ধ না থেকে নির্বাচন কমিশনকে গণভোটের ব্যাপারেও প্রচার চালাতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজনের প্রধান নির্বাহী ড. বদিউল আলম মজুমদার। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী আব্দুল হক, চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াত, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক রফিক উল ইসলাম, সুজন জাতীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেননহ অন্যরা। সুজনের ট্রাস্টি বিচারপতি এম এ মতিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বিচারপতি এম এ মতিন বলেন, ‘যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সই করেছে, তাই তারা যদি এই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে তারা মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হবে, কথা দিয়ে কথা না রাখার মতো হবে।’ ধর্মীয় নেতাদের যুক্ত করে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে গণভোটের ব্যাপারে ব্যাপকভাবে জনসচেতনতা বাড়ানের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ দীর্ঘ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রণীত একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যাতে দেশে বিদ্যমান সক্রিয় প্রায় সব দল সই করেছে। যেহেতু সংবিধান হলো ‘উইল অব দ্য পিপল’ বা জনগণের চরম অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তি, তাই জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে জনগণের সম্মতি বা গণভোট আয়োজন করা প্রয়োজন।
সুজনের প্রধান নির্বাহী বলেন, আমরা আশা করি, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে তাদের অঙ্গীকার পরিপূর্ণভাবে পালন করবে। তাদের কাছ থেকে অস্পষ্টতা বা বেছে বেছে গ্রহণযোগ্যতা গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই স্পষ্টতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। এর প্রতি আন্তরিক অঙ্গীকার ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণ ও রাষ্ট্র পুনর্গঠন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত ৪৮টি ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর ওপর আসন্ন গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ ভোট দিতে আহ্বান করবে তা রাজনৈতিক দলগুলোকে স্পষ্ট করতে হবে। সনদের বাকি যে ৩৬টি সংস্কার প্রস্তাব আইন বা বিধি বা নির্বাহী আদেশে বাস্তবায়ন করা যাবে সেগুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারেও দলগুলোকে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে।
গণভোট নিয়ে এখনো নানা ধরনের অস্পষ্টতা রয়ে গেলে উল্লেখ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গণভোট সম্পর্কে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগে জনগণকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা আবশ্যক, যেন জনগণ জেনেবুঝে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে ও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। আমাদের প্রত্যাশা— যেহেতু দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছে এবং এটি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে, তাই তারাও গণভোটের ব্যাপারে জনগণ সচেতন করার জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়লাভ করলে সংস্কার হবে, না হয় হবে না। এই গণভোট বাংলাদেশের মানুষের এজেন্ডা, বাংলাদেশের মানুষের ভবিষ্যতের পথরেখা। জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে ফ্যাসিবাদ ঠেকানোর জন্য। তাই এবারের গণভোট যদি বিজয়ী না হয়, তাহলে একদম নিশ্চিত যে দেশে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবেই।
চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াত বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি গণভোটের তথ্য গ্রামের একজন মানুষের কাছে কীভাবে পৌঁছাবে, তা আমাদের জানা নেই। রাজনৈতিক দলগুলো প্রান্তিক মানুষকে ভোটের বুথ পর্যন্ত পৌঁছানোর ব্যবস্থা হয়তো করবে। কিন্তু তারা যেন শুধু দলের প্রতীকে ভোট না দিয়ে চলে না আসে, একইসঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-সূচক ভোট দেয়, সেজন্য তৃতীয় পক্ষকে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের অবস্থান স্পষ্ট করছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন বস্ত্র ও পাট এবং নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। সাধারণ মানুষ সচেতন হয়ে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায় দিলে তখন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য হবে বলে মনে করছেন তিনি।
এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমরা যদি অতীতের মতো শাসন দেখতে না চাই, তাহলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-সূচক ভোট দেওয়ার জন্য ব্যাপক প্রচার চালাতে হবে। যখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠবে, তখন রাজনৈতিক দলগুলো সংস্কার মেনে নিতে বাধ্য হবে।
আজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত ‘গণভোট ২০২৬: কী ও কেন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
গণভোট নিয়ে আরও বেশি বেশি প্রচার প্রয়োজন উল্লেখ করে উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত বলেন, গণভোট নিয়ে জনগণকে সচেতন করার জন্য সরকারকে কিছু কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখছি। আরও কারও পদক্ষেপ দেখছি না। আমি মনে করি, শুধু জাতীয় নির্বাচন ভালো হবে নাকি খারাপ হবে— এর মধ্যে আবদ্ধ না থেকে নির্বাচন কমিশনকে গণভোটের ব্যাপারেও প্রচার চালাতে হবে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজনের প্রধান নির্বাহী ড. বদিউল আলম মজুমদার। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী আব্দুল হক, চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াত, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাবেক পরিচালক রফিক উল ইসলাম, সুজন জাতীয় কমিটির সদস্য একরাম হোসেননহ অন্যরা। সুজনের ট্রাস্টি বিচারপতি এম এ মতিন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
বিচারপতি এম এ মতিন বলেন, ‘যেহেতু রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই সনদে সই করেছে, তাই তারা যদি এই সনদ বাস্তবায়ন না করে তাহলে তারা মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হবে, কথা দিয়ে কথা না রাখার মতো হবে।’ ধর্মীয় নেতাদের যুক্ত করে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে গণভোটের ব্যাপারে ব্যাপকভাবে জনসচেতনতা বাড়ানের প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের সময় ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ দীর্ঘ আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে প্রণীত একটি রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল, যাতে দেশে বিদ্যমান সক্রিয় প্রায় সব দল সই করেছে। যেহেতু সংবিধান হলো ‘উইল অব দ্য পিপল’ বা জনগণের চরম অভিপ্রায়ের অভিব্যক্তি, তাই জুলাই সনদে অন্তর্ভুক্ত প্রস্তাবগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করতে জনগণের সম্মতি বা গণভোট আয়োজন করা প্রয়োজন।
সুজনের প্রধান নির্বাহী বলেন, আমরা আশা করি, রাজনৈতিক দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে তাদের অঙ্গীকার পরিপূর্ণভাবে পালন করবে। তাদের কাছ থেকে অস্পষ্টতা বা বেছে বেছে গ্রহণযোগ্যতা গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা চাই স্পষ্টতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। এর প্রতি আন্তরিক অঙ্গীকার ছাড়া গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণ ও রাষ্ট্র পুনর্গঠন সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বদিউল আলম মজুমদার আরও বলেন, সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত ৪৮টি ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর ওপর আসন্ন গণভোটে জনগণকে ‘হ্যাঁ’ নাকি ‘না’ ভোট দিতে আহ্বান করবে তা রাজনৈতিক দলগুলোকে স্পষ্ট করতে হবে। সনদের বাকি যে ৩৬টি সংস্কার প্রস্তাব আইন বা বিধি বা নির্বাহী আদেশে বাস্তবায়ন করা যাবে সেগুলো বাস্তবায়নের ব্যাপারেও দলগুলোকে তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে।
গণভোট নিয়ে এখনো নানা ধরনের অস্পষ্টতা রয়ে গেলে উল্লেখ করে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, গণভোট সম্পর্কে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন উদ্যোগে জনগণকে ব্যাপকভাবে সচেতন করা আবশ্যক, যেন জনগণ জেনেবুঝে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে ও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। আমাদের প্রত্যাশা— যেহেতু দলগুলো জুলাই জাতীয় সনদে সই করেছে এবং এটি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করেছে, তাই তারাও গণভোটের ব্যাপারে জনগণ সচেতন করার জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়লাভ করলে সংস্কার হবে, না হয় হবে না। এই গণভোট বাংলাদেশের মানুষের এজেন্ডা, বাংলাদেশের মানুষের ভবিষ্যতের পথরেখা। জুলাই সনদ প্রণীত হয়েছে ফ্যাসিবাদ ঠেকানোর জন্য। তাই এবারের গণভোট যদি বিজয়ী না হয়, তাহলে একদম নিশ্চিত যে দেশে ফ্যাসিবাদ আবার ফিরে আসবেই।
চলচ্চিত্র পরিচালক কাজী হায়াত বলেন, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি গণভোটের তথ্য গ্রামের একজন মানুষের কাছে কীভাবে পৌঁছাবে, তা আমাদের জানা নেই। রাজনৈতিক দলগুলো প্রান্তিক মানুষকে ভোটের বুথ পর্যন্ত পৌঁছানোর ব্যবস্থা হয়তো করবে। কিন্তু তারা যেন শুধু দলের প্রতীকে ভোট না দিয়ে চলে না আসে, একইসঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-সূচক ভোট দেয়, সেজন্য তৃতীয় পক্ষকে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

সংসদ নির্বাচনে এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এনসিপির সঙ্গে নির্বাচনি জোট হওয়ায় হাসনাতকে সমর্থন দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল ইসলাম শহীদ সরে দাঁড়িয়েছেন নির্বাচন থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
ইভারস ইয়াবস বলেন, আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা ডিসেম্বরের শেষ থেকেই বাংলাদেশে কাজ করছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকরা তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন। ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্যসহ সব মিলিয়ে নির্বাচনের সময় ইইউয়ের ২০০ জন পর্যবেক্ষক মাঠে থাকবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ও জার্মান সরকারের মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জার্মান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এন্টারপ্রাইজ (জিআইজেড) কর্তৃক প্রস্তাবিত পাঁচটি প্রকল্পের জন্য দুই কোটি ১৭ লাখ ৭০ হাজার ইউরোর অনুদান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রতি ইউরো ১৪২ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ৩১০ কোটি টাকার বেশি।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কাছে এরই মধ্যে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়ার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান চিফ প্রসিকিউটর। পরে তিনি ট্রাইব্যুনালকে বলেন, সাবেক এই সেনাপ্রধান শারীরিকভাবে উপস্থিত হয়ে এ মামলায় সাক্ষ্য দেবেন।
৬ ঘণ্টা আগে