
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকা কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে এসে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে সায়েন্সল্যাব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর হালনাগাদ খসড়ার অনুমোদন দিতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করার দাবি জানান তারা।
এর আগে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা জানান, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর খসড়া গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভার মাধ্যমে খসড়াটি হালনাগাদ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনো সে বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে তাদের অবরোধ কর্মসূচিতে নামতে হয়েছে।
এদিকে, অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি পূরণের লক্ষ্যেই এ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি গ্রহণ এবং লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ করেছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ঢাকা কলেজ থেকে মিছিল নিয়ে এসে তারা এ কর্মসূচি শুরু করেন। এতে সায়েন্সল্যাব এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা দাবি, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া উপদেষ্টা পরিষদের সভায় ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর হালনাগাদ খসড়ার অনুমোদন দিতে হবে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে চূড়ান্ত অধ্যাদেশ জারি করার দাবি জানান তারা।
এর আগে মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীরা জানান, সাত কলেজের সমন্বয়ে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন–২০২৫’-এর খসড়া গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে একাধিক পরামর্শ সভার মাধ্যমে খসড়াটি হালনাগাদ করা হয়।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত ৭ ও ৮ ডিসেম্বর শিক্ষা ভবনের সামনে টানা অবস্থান কর্মসূচির সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বৈঠকে জানুয়ারির প্রথম দিকেই অধ্যাদেশ জারির আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল। তবে এখনো সে বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় বাধ্য হয়ে তাদের অবরোধ কর্মসূচিতে নামতে হয়েছে।
এদিকে, অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রশাসনিক উৎকর্ষ নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি পূরণের লক্ষ্যেই এ অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নীতিগত সম্মতি গ্রহণ এবং লেজিসলেটিভ বিভাগের ভেটিং শেষে এটি উপদেষ্টা পরিষদের চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিদ্যমান ভিসা নীতিমালা ২০০৬ ও পরবর্তীতে জারি করা প্রজ্ঞাপনের শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন ও দূতাবাস থেকে সুনির্দিষ্ট ভিসা দিতে হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আলোচনায় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নির্বাচনকে ঘিরে ভুয়া তথ্যের একধরনের বন্যা দেখা যাচ্ছে। বিদেশি গণমাধ্যমের পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র থেকেও এসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ, গুজব ও অনুমানের ছড়াছড়ি চলছে, যা নির্বাচন প্রক্রিয়ার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সরকা
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের পেইজে গণভোটের 'হ্যাঁ'- তে সিল দিন এ রকম একটি ফটোকার্ড শেয়ার করার পাশাপাশি ভিডিও চিত্রেও জনগণকে হ্যাঁ ভোট দিতে আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
২০২৫ সালে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় এক মাস থেকে ১৭ বছর বয়সী মোট এক হাজার আট জন শিশু নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সড়ক ও সড়ক পরিবহন খাতে অব্যবস্থাপনা এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে অসচেতনতার কারণেই শিশুরা উদ্বেগজনক হারে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
১৭ ঘণ্টা আগে