বজ্রপাতে সাত জেলায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে জামালপুরে দুজন, পটুয়াখালীতে দুজন, ময়মনসিংহে একজন, রাজবাড়ীতে একজন, শরীয়তপুরে একজন মারা গেছে।
জামালপুর
বুধবার সকালে জেলার ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ও সাপধরী ইউনিয়নে বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা জানায়, সকাল ৬টার দিকে শামীম (৩৭) নদীতে মাছ ধরতে যায়। এ সময় বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। অন্যদিকে সকাল ৯টার দিকে সাপধরী ইউনিয়নের ইন্দুল্লামারী এলাকায় সড়ক নির্মাণকাজ চলার সময় বজ্রপাতে সাগর ইসলামের (১৬) মৃত্যু হয়।
পটুয়াখালী
দুপুরে বজ্রপাতে কলাপাড়া উপজেলার নয়াকাটা গ্রামে জহির চৌকিদার (২৮) ও পূর্ব চাকামইয়া গ্রামের সেতারা বেগমের (৫৫) মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা জানায়, দুপুরে জহির তার বাবা-মায়ের সঙ্গে ক্ষেতে পানি নিষ্কাশনের কাজ করছিল। এ সময় হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। অন্যদিকে সেতারা বেগম গরু নিয়ে খোলা মাঠে ঘাস খাওয়াতে যাচ্ছিল। বজ্রপাতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
রাজবাড়ী
জেলার সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়নের মজ্জৎকোল গ্রামে দোকানে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে সুমন মণ্ডল (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল পৌনে ৭টার দিকে মেয়েকে কোলে নিয়ে বাজার করতে যাচ্ছিল সুমন। এ সময় বজ্রপাত হলে শিশুটি তার কোল থেকে ছিটকে দূরে পড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সুমনের মৃত্যু হয়।
ময়মনসিংহ
তারাকান্দায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সকাল ৮টার দিকে উপজেলার গালাগাঁও ইউনিয়নের গাবরগাতী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শরীয়তপুর
নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের কীর্তিনাশা নদীতে মাছ শিকারের সময় বজ্রপাতে রাজিব শেখ (৩২) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। দুপুরে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে তার শরীর ঝলসে যায়। পরে স্থানীয়রা লাশ নদীর তীরে তুলে আনে।


















