২৫ বছর পর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার কবর স্থানান্তর

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার কবর স্থানান্তর করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে আহমদ ছফার কবর স্থানান্তর করা হয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে মৃত্যুর প্রায় ২৫ বছর পর আজ বুধবার মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা হয়েছে প্রখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আহমদ ছফার কবর।

একুশে পদকপ্রাপ্ত আহমদ ছফা ২০০১ সালের ২৮ জুলাই মারা যান। সে সময় তাকে মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের সাধারণ মানুষের জন্য নির্ধারিত কবরস্থানের অংশে দাফন করা হয়েছিল। সেখানে তার কবর নম্বর ছিল ১০৮০।

আজ দুপুরে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ব্যবস্থাপনায় শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানের যে অংশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন করা হয়, সেখানে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তর করা হয়েছে।

ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘পুরনো কবর থেকে আহমদ ছফার দেহাবশেষ স্থানান্তরের কাজ বেলা ১১টার দিকে শুরু হয়। বৃষ্টির কারণে একটু দেরি হয়েছে। আনুমানিক সাড়ে ১২টা থেকে পৌনে ১টার মধ্যে কাজ শেষ হয়।’

ডিএনসিসি জানিয়েছে, চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি আহমদ ছফার কবরটি বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের জন্য তার পরিবারের পক্ষ থেকে ভাইয়ের ছেলে নুরুল আনোয়ার একটি আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, ‘বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য, রাজনীতি ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে লেখক আহমদ ছফার গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। কিন্তু তাকে এখনো সেভাবে মূল্যায়ন করা হয়নি। তাই সম্মান প্রদর্শনের অংশ হিসেবে তার কবরটি সাধারণ কবরস্থান থেকে সরিয়ে বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর করা প্রয়োজন।’

পরিবারের ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৩ এপ্রিল ডিএনসিসির ১৪তম সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে সর্বসম্মতিক্রমে আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

পরে ডিএনসিসির সমাজকল্যাণ বিভাগ প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সাধারণ কবরস্থান থেকে আহমদ ছফার কবর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তরের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement