সমঝোতার ভিত্তিতে দিলে চাঁদা নয়, বাধ্য করলে চাঁদা: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মন্ত্রণালয়ে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সড়ক, নৌ ও যোগাযোগ খাতের তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তার ডেপুটি দুই প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও রাজিব আহসান তার সঙ্গে ছিলেন। ছবি: পিআইডি
বৃহস্পতিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম মন্ত্রণালয়ে মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় সড়ক, নৌ ও যোগাযোগ খাতের তিন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তার ডেপুটি দুই প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ ও রাজিব আহসান তার সঙ্গে ছিলেন। ছবি: পিআইডি

সড়কে বিভিন্ন পরিবহন থেকে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে’ টাকা নেওয়া হলে তাকে চাঁদা হিসেবে গণ্য করা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তার মতে, পরিবহন থেকে কেবল জোর করে যে টাকা নেওয়া হয়, সেটিই চাঁদা।

মন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে। তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটাকে বলতে চাই, যেটা কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সড়ক ও সেতু বিভাগে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

রবিউল আলম বলেন, মালিক সমিতি নির্দিষ্ট হারে টাকা তুলে মালিকদের কল্যাণে ব্যবহার করতে চায়। উত্তোলন করা টাকার কতটুকু ব্যবহার করা হয়, সেটা নিয়ে হয়ত বিতর্ক আছে। কিন্তু তারা সমঝোতার ভিত্তিতে এ কাজটা করে। এটাকে চাঁদা বলা যায় না।

যোগাযোগমন্ত্রী আরও বলেন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনসহ অনেক সংস্থা আছে। তারা এটা সমঝোতার ভিত্তিতে করে থাকে। সেখানে আবার যখন যার প্রভাব থাকে, তখন সেই মালিকরা বা দলের লোক প্রাধান্য পায়। যে দল ক্ষমতায় থাকে, সেই দলের শ্রমিক সংগঠনের আধিপত্য থাকে। কিন্তু এটা চাঁদা আকারে আমাদের কাছে দেখার সুযোগ হচ্ছে না। কারণ তারা সমঝোতা ভিত্তিতে করছে।

‘সমঝোতার ভিত্তিতে’ নেওয়া এসব অর্থেরও দেখভাল করার কথা জানান মন্ত্রী রবিউল আলম। বলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো জায়গায় বাইরে থেকে কেউ চাপ দিয়ে চাঁদা নেবে বা সুবিধা নেবে, সে সুযোগ নেই। কিন্তু মালিকরা সমঝোতার ভিত্তিতে সেটা করে। তবু আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে দেখব যে সেখানে কেউ বঞ্চিত হচ্ছে কি না এবং সেই অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না।

ঈদের ছুটিতে প্রতি বছরই মহাসড়কে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রবিউল আলম বলেন, গত বছর ছুটি বড় ছিল। এতে সুবিধা পাওয়া গেছে। এবারও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যায় কি না, আমরা সেই সিদ্ধান্ত নেব। পাশাপাশি নতুন করে আর কী প্রক্রিয়া গ্রহণ করলে ভোগান্তি কমবে, সেটা ঠিক করা হবে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement