বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ৫ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর ৫ শতাংশে নামানোর প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তবে এ সুবিধা পেতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়ানো, ভাষা শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়ার সুযোগ নিশ্চিত করার শর্ত দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ প্রস্তাব দেন।

তিনি বলেন, কর কমানোর বিনিময়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় আরও বিনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি ভাষা শিক্ষা ও ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব চালু করতে হবে এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়াশোনার সুযোগ বাড়াতে হবে।

কর ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে কয়েকটি খাতে ভ্যাট কমানোরও প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এ সময় ব্যাংক হিসাব খোলা, বণ্টননামা দলিল নিবন্ধন ও সম্পত্তির নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন সনদ বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি তা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।ৎ

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেটে স্বপ্রণোদিত বিনিয়োগ প্রদর্শন বিধান নিয়ে আমরা জনমনে উদ্বেগ লক্ষ্য করছি। দেশে অনেকেই প্রকৃতমূল্যে জমি নিবন্ধন করেন না। মৌজা মূল্যে জমি নিবন্ধন করেন। এ কারণে প্রকৃত ক্রয়মূল্য না দেখানোর জন্য করদাতাদের ঝামেলা পোহাতে দেখি। করদাতের ঝামেলামুক্ত করার জন্য এ বিধানটি প্রস্তাব করা হয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত কেউ কেউ এটাকে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ বলে ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে প্রস্তাবিত বিধানটিকে প্রত্যাহার করার জন্য অর্থমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

ভ্যাট কমানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘নরমালি দাবিটা বিরোধী দল থেকে হয়ে থাকে। আমি আপাতত ফিজিক্যালি না হলেও মানসিকভাবে ওনাদের পাশে গিয়ে কথা বলতে চাই।’

ব্যক্তিগত আয়কর অব্যাহতির সীমা আরও বাড়ানোরও প্রস্তাব দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ কর বছরের জন্য এ সীমা ৪ লাখ টাকা, ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ কর বছরের জন্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরের জন্য ৫ লাখ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব অর্থমন্ত্রীর কাছে রাখা হচ্ছে, যাতে ব্যক্তিগত করদাতারা কিছুটা স্বস্তি পান।

বক্তব্যের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের মহাপরিকল্পনার কথাও সংসদকে জানান।

রাজনীতি/আরআইআর

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement