উপদেষ্টাদের সম্পদে শীর্ষে শেখ বশিরউদ্দীন, তলানিতে মাহফুজ-আসিফ

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
(বাঁ থেকে) শেখ বশিরউদ্দীন, মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
(বাঁ থেকে) শেখ বশিরউদ্দীন, মাহফুজ আলম, আসিফ মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে বিত্তবান হিসেবে ব্যক্তিগতভাবে তালিকার শীর্ষে রয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শেখ বশিরউদ্দীন। এ তালিকায় সবার নিচে অবস্থান করছেন সদ্য সাবেক উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলম। উপদেষ্টাদের মধ্যে তার সম্পদই সবচেয়ে কম। তার চেয়ে কিছু বেশি সম্পদ রয়েছে আরেক ছাত্র উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপনে প্রধান উপদেষ্টাসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের এই সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করা হয়েছে।

২০২৫ সালের হিসাব অনুযায়ী, উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ৯১ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার ৮৯৫ টাকা পরিমাণ সম্পদের মালিক। এর বড় একটি অংশই তার বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও স্থাবর সম্পত্তি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এই উপদেষ্টার সম্পদ উপদেষ্টা পরিষদের বাকি সবার সম্মিলিত সম্পদের চেয়েও বেশি।

সম্পদ বিবরণী অনুযায়ী, উপদেষ্টাদের মধ্যে সবচেয়ে কম সম্পদের মালিক মাহফুজ আলম। ২০২৫ সালের জুনে তার সম্পদের পরিমাণ ছিল ১২ লাখ ৭৬ হাজার ৮৭৯ টাকা। এর ঠিক পরেই রয়েছেন আরেক সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, যার মোট সম্পদের পরিমাণ ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৭১৭ টাকা। ২০২৪ সালে আসিফ মাহমুদের কোনো কর শনাক্তকরণ নম্বর বা টিআইএন পর্যন্ত ছিল না।

এদিকে সম্পদের পরিমাণে শেখ বশিরউদ্দিনের পরেই রয়েছেন উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ২২ লাখ টাকার বেশি এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মোট সম্পদ ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকা। এ ছাড়া প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব ) আব্দুল হাফিজ ও উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদও ১০ কোটি টাকার বেশি সম্পদের মালিক।

সবচেয়ে বেশি সম্পদশালী উপদেষ্টাদের সঙ্গে তরুণ উপদেষ্টাদের সম্পদের বিশাল ব্যবধান যেমন নজর কেড়েছে, তেমনি উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তিতে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সম্পদ কয়েক গুণ বৃদ্ধি পাওয়া এবং সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের সম্পদ অর্ধেকের বেশি কমে যাওয়ার হিসাবও রাজনৈতিক ও সচেতন মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement