ফের দাম্মাম ও রিয়াদে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত

প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ফাইল ছবি
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ফাইল ছবি

সৌদি আরবের দাম্মাম শহরে কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় যাত্রীদের নিরাপত্তা বিবেচনায় নিয়ে ঢাকা থেকে দাম্মামগামী রুটে তিন দিনের জন্য সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। চলমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রিয়াদ রুটেও ফ্লাইট স্থগিত রাখার সময়সীমা আরও ছয় দিন বাড়ানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে বিমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ অক্টোবর দাম্মামগামী সব ফ্লাইট স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে রিয়াদগামী ফ্লাইট চালুর কথা ছিল ২৫ অক্টোবর, যা পরিস্থিতি বিবেচনায় ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান।

বিমান বলেছে, স্থগিত ফ্লাইটগুলোর বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত এবং সংশোধিত যাত্রাসূচি যথাসময়ে জানানো হবে। তবে ঢাকা থেকে জেদ্দা ও মদিনাগামী ফ্লাইটগুলো পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী চলমান থাকবে। জরুরি প্রয়োজনে দাম্মাম ও রিয়াদগামী যাত্রীরা আসন খালি থাকাসাপেক্ষে জেদ্দা ও মদিনা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যেতে পারবেন।

টিকেট ও ভ্রমণসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য যাত্রীদের নিকটস্থ বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সেলস সেন্টারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধও জানিয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইনসটি।

সৌদি আরবে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলার জেরে প্রথমে রিয়াদ এবং পরে বিয়াদ ও দাম্মামগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করে বিমান। কিছুদিন বন্ধ থাকার পর বুধবার দাম্মামের ফ্লাইট পুনরায় চালুর ঘোষণা দিয়েছিল বিমান। বুধবার ঢাকা থেকে একটি ফ্লাইট ছেড়েও যায়। ফিরতি ফ্লাইটটির বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ১০ মিনিটে শাহজালাল বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

সৌদি আরবে হুতিদের অব্যাহত হামলার মুখেই মূলত ঢাকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত করা হয়। হামলা কমে এলে ফ্লাইট চলাচল করতে শুরু করেছিল। তবে এর মধ্যেই আবার বুধবার রাতে দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলা হয়। এ হামলায় আহত হয়েছেন দুই বাংলাদেশি— কুমিল্লার বাঙ্গরাবাজার থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামের সজল চন্দ্র দাস ও নোয়াখালী সদর উপজেলার গোবিগল্লপপুর গ্রামের মোহাম্মদ আব্দুর রহিম।

এর আগে সৌদি আরবে হামলা পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে মোট ১৩৫টি ফ্লাইট বাতিল বা স্থগিত হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ২০ হাজার ৬৭২ জন যাত্রী। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের দেওয়া বৃহস্পতিবারের সবশেষ তথ্য বলছে, বাতিল বা স্থগিত ফ্লাইটের মধ্যে ৬২টি ছিল সরাসরি ফ্লাইট, ৭৩টি ট্রানজিট ফ্লাইট।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad