
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে ১৬ দিনব্যাপী এক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২১ জুলাই) সকাল ১১ টার দিকে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন ভবনের নিচতলার প্রবেশ পথে ‘জুলাই জাগরণ’ নামের এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার।
প্রদর্শনীটি আগামী ৫ আগষ্ট পর্যন্ত চলবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাই আন্দোলনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নান্দাইল উপজেলার ৬ জন নিহত হন। তাদের স্মরণে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
সোমবার বিকালে প্রদর্শনীস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নাম উল্লেখ করে শহীদদের ব্যবহৃত জামাকাপড়সহ নানা জিনিস সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মানুষ তা মনোযোগ সহকারে দেখছেন।
সরকারি তালিকা অনুযায়ী, নান্দাইল উপজেলার জুলাই শহিদরা হলেন -- জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের দেউলডাংরা গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে শ্রমিক জামান মিয়া (২৫), নান্দাইল সদর ইউনিয়নের সাভার গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবীর (২৫), চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চামারুল্লাহ গ্রামের মো. আবদুল আজিজ কসুমের ছেলে জোবায়েদ হোসেন (১৬), মুশুলি ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে সাকিবুল হাসান সাজু (২১), আচারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই খাগদারা গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে পোশাককর্মী জুয়েল মিয়া (২৮), শেরপুর ইউনিয়নের মাদারীনগর গ্রামের চাকরিজীবি একেএম শহীদুল ইসলাম (৫২)।
প্রদর্শনীতে আগত লোকজন শহীদদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শহীদদের পরিবারের কাছ থেকে এসব সামগ্রী সংগ্রহ করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলম ফরাজী।
ইউএনও সারমিনা সাত্তার সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের স্মৃতি জাগ্রত রাখার জন্য এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনের সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইলে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র নিয়ে ১৬ দিনব্যাপী এক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল সোমবার (২১ জুলাই) সকাল ১১ টার দিকে নান্দাইল উপজেলা প্রশাসন ভবনের নিচতলার প্রবেশ পথে ‘জুলাই জাগরণ’ নামের এই প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সারমিনা সাত্তার।
প্রদর্শনীটি আগামী ৫ আগষ্ট পর্যন্ত চলবে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুলাই আন্দোলনে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নান্দাইল উপজেলার ৬ জন নিহত হন। তাদের স্মরণে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
সোমবার বিকালে প্রদর্শনীস্থলে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে নাম উল্লেখ করে শহীদদের ব্যবহৃত জামাকাপড়সহ নানা জিনিস সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত মানুষ তা মনোযোগ সহকারে দেখছেন।
সরকারি তালিকা অনুযায়ী, নান্দাইল উপজেলার জুলাই শহিদরা হলেন -- জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের দেউলডাংরা গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে শ্রমিক জামান মিয়া (২৫), নান্দাইল সদর ইউনিয়নের সাভার গ্রামের হাবিবুর রহমানের ছেলে ব্যবসায়ী হুমায়ুন কবীর (২৫), চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চামারুল্লাহ গ্রামের মো. আবদুল আজিজ কসুমের ছেলে জোবায়েদ হোসেন (১৬), মুশুলি ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের খোকন মিয়ার ছেলে সাকিবুল হাসান সাজু (২১), আচারগাঁও ইউনিয়নের সিংদই খাগদারা গ্রামের আবদুল হাইয়ের ছেলে পোশাককর্মী জুয়েল মিয়া (২৮), শেরপুর ইউনিয়নের মাদারীনগর গ্রামের চাকরিজীবি একেএম শহীদুল ইসলাম (৫২)।
প্রদর্শনীতে আগত লোকজন শহীদদের ব্যবহৃত জিনিসপত্র দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শহীদদের পরিবারের কাছ থেকে এসব সামগ্রী সংগ্রহ করেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আলম ফরাজী।
ইউএনও সারমিনা সাত্তার সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের স্মৃতি জাগ্রত রাখার জন্য এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।
উদ্বোধনের সময় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোস সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের মর্যাদা, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ
৯ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ভিডিওতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠক, আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
১০ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক চক্ষুরোগসেবা প্রদানকারী সংস্থা অরবিস ইন্টারন্যাশনাল এবং অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ‘সোস্যাল হেল্প এন্ডেভার ফর বাংলাদেশ (সেবা)’-এর সহযোগী সংগঠন ‘অল্টারনেটিভ অ্যাপ্রোচ’-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সেবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে