
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যে বছর বর্ষা কম হয়, সে বছর শীত বেশি পড়ে। ব্যাপারটা সত্যি। কিন্তু কথাটা যিনি বলেছিলেন, সেই যুগে আবহাওয়া অধিদপ্তর ছিল না; আধুনিক বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগেনি সমাজে। তাই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আর পর্যবেক্ষণ ছিল তার মূল হাতিয়ার। সেই হাতিয়ার ব্যবহার করেই খনা বলেছিলেন, ‘উনো বর্ষায় দুনো শীত।’ কলা চাষের পর, ফলন শেষে তার গোড়া না কাটার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, কলা রুয়ে না কাটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত। কথাটা আজও সত্যি। তবে তার সব প্রবাদই এই যুগে নিরেট নয়।
কৃষিবিজ্ঞানের দৌলতে কৃষিব্যবস্থাতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। নতুন ফসলের জাত তৈরি হচ্ছে, বিরূপ আবহাওয়াকেও তাই বশ মানাতে কষ্ট হচ্ছে না কৃষকদের। কিন্তু শত বছর আগেও খনার বচনগুলো এ দেশের কৃষিব্যস্থার বাইবেল হিসেবে গণ্য হতো।
শুধু কৃষিই বা বলি কেন, সামাজিক জীবন, মানুষে মানুষে সম্পর্ক নিয়েও খনা ছড়া ফেঁদেছেন, কালের আবর্তনে সেগুলো পরিণত হয়েছে প্রবাদবাক্যে। যেমন তিনি বলেছেন, ‘যদি হয় সুজন/এক পিঁড়িতে নজন’। অর্থাৎ মিলেমিশে বাস করলে কম সম্পদেও জীবনটা সুন্দর হতে পারে।
সমাজ-সংসারকে যিনি এত নিগূড়ভাবে দেখেছেন, এ দেশের কৃষিব্যবস্থার নাড়ি-নক্ষত্র যিনি অনুধাবন করেছেন, তিনি সাধারণ মানুষ হতে পারেন না।
তিনি অসাম্প্রদায়িক, বিপ্লবী, দার্শনিক, জ্যোতির্বিদ, কৃষিবিদ, আবহাওয়াবিদ ও গণিতবিদ। নারীবাদী কারণে তার ছড়ায় পুরুষবন্দনা নেই, নারীবিদ্বেষী শব্দ নেই। তিনি কৃষিবিদ, কারণ তিনি বলছেন, গাছগাছালি ঘন রোবে না/গাছ হবে তাতে ফল হবে না।
তিনি খাদ্য ও পুষ্টিবিদ, কারণ সেই কালেই তিনি বলেছেন, জল খেয়ে ফল খায়/যম বলে আয় আয়। তাকে অসাম্প্রদায়িক কেন বলা হচ্ছে? কারণ, সে সময়কার কোনো সাহিত্যই দেবী বা ইশ্বরবন্দনা ছাড়া রচিত হতো। পৌরাণিক গল্পই বারবার উঠে আসত, কিন্তু খনার শ্লোকে এসবের বালাই ছিল।
তিনি পুরাণের আবহ থেকে বেরিয়ে তৎকালীন সমাজ, কৃষিব্যবস্থাকে জোর দিয়েছিলেন। অলৌকিকতার হাত থেকে সাহিত্য মুক্ত করার সেটাই ছিল প্রথম প্রয়াস। তাই তিনি উদাত্ত কণ্ঠে বলতে পেরেছিলেন, যদি বর্ষে মাঘের শেষ/ধন্য রাজার পুণ্য দেশ।

যে বছর বর্ষা কম হয়, সে বছর শীত বেশি পড়ে। ব্যাপারটা সত্যি। কিন্তু কথাটা যিনি বলেছিলেন, সেই যুগে আবহাওয়া অধিদপ্তর ছিল না; আধুনিক বিজ্ঞানের ছোঁয়া লাগেনি সমাজে। তাই দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা আর পর্যবেক্ষণ ছিল তার মূল হাতিয়ার। সেই হাতিয়ার ব্যবহার করেই খনা বলেছিলেন, ‘উনো বর্ষায় দুনো শীত।’ কলা চাষের পর, ফলন শেষে তার গোড়া না কাটার পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেছিলেন, কলা রুয়ে না কাটো পাত, তাতেই কাপড় তাতেই ভাত। কথাটা আজও সত্যি। তবে তার সব প্রবাদই এই যুগে নিরেট নয়।
কৃষিবিজ্ঞানের দৌলতে কৃষিব্যবস্থাতে এসেছে আমূল পরিবর্তন। নতুন ফসলের জাত তৈরি হচ্ছে, বিরূপ আবহাওয়াকেও তাই বশ মানাতে কষ্ট হচ্ছে না কৃষকদের। কিন্তু শত বছর আগেও খনার বচনগুলো এ দেশের কৃষিব্যস্থার বাইবেল হিসেবে গণ্য হতো।
শুধু কৃষিই বা বলি কেন, সামাজিক জীবন, মানুষে মানুষে সম্পর্ক নিয়েও খনা ছড়া ফেঁদেছেন, কালের আবর্তনে সেগুলো পরিণত হয়েছে প্রবাদবাক্যে। যেমন তিনি বলেছেন, ‘যদি হয় সুজন/এক পিঁড়িতে নজন’। অর্থাৎ মিলেমিশে বাস করলে কম সম্পদেও জীবনটা সুন্দর হতে পারে।
সমাজ-সংসারকে যিনি এত নিগূড়ভাবে দেখেছেন, এ দেশের কৃষিব্যবস্থার নাড়ি-নক্ষত্র যিনি অনুধাবন করেছেন, তিনি সাধারণ মানুষ হতে পারেন না।
তিনি অসাম্প্রদায়িক, বিপ্লবী, দার্শনিক, জ্যোতির্বিদ, কৃষিবিদ, আবহাওয়াবিদ ও গণিতবিদ। নারীবাদী কারণে তার ছড়ায় পুরুষবন্দনা নেই, নারীবিদ্বেষী শব্দ নেই। তিনি কৃষিবিদ, কারণ তিনি বলছেন, গাছগাছালি ঘন রোবে না/গাছ হবে তাতে ফল হবে না।
তিনি খাদ্য ও পুষ্টিবিদ, কারণ সেই কালেই তিনি বলেছেন, জল খেয়ে ফল খায়/যম বলে আয় আয়। তাকে অসাম্প্রদায়িক কেন বলা হচ্ছে? কারণ, সে সময়কার কোনো সাহিত্যই দেবী বা ইশ্বরবন্দনা ছাড়া রচিত হতো। পৌরাণিক গল্পই বারবার উঠে আসত, কিন্তু খনার শ্লোকে এসবের বালাই ছিল।
তিনি পুরাণের আবহ থেকে বেরিয়ে তৎকালীন সমাজ, কৃষিব্যবস্থাকে জোর দিয়েছিলেন। অলৌকিকতার হাত থেকে সাহিত্য মুক্ত করার সেটাই ছিল প্রথম প্রয়াস। তাই তিনি উদাত্ত কণ্ঠে বলতে পেরেছিলেন, যদি বর্ষে মাঘের শেষ/ধন্য রাজার পুণ্য দেশ।

একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। স্বাধীনতার সেই লক্ষ্য সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার এবং দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস সামনে রেখে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার এবং আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
জিনোমিকস ব্যবহার করে বিশ্বের বৃহত্তম টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সেঁজুতি সাহাকে এ সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের ২০২৫ সালের টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে তার গবেষণা ও তথ্যভিত্তিক কাজ এরই মধ্যে চার কোটির বেশি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে সহায়তা করেছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হওয়ায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে আরও দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
১০ ঘণ্টা আগে