
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

যমুনা সেতুর সক্ষমতা বাড়াতে এবং পরিত্যক্ত রেললাইন অংশ সংস্কার করে সড়ক প্রশস্ত করতে চীনের একটি যৌথ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। এই চুক্তির আওতায় সেতুর অব্যবহৃত রেল লেনকে যান চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করা হবে।
বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের এ চুক্তি সই হয়। চুক্তিবদ্ধ চীনা যৌথ প্রতিষ্ঠান হলো সিসিসিসি-সিআরবিসি (জেভি)।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং যৌথ প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) ও চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) পক্ষে ওয়াং বেনচিয়ান চুক্তিতে সই করেন।
সেতু বিভাগ জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে যমুনা সেতুতে পৃথক রেল সংযোগ চালু হওয়ার পর অব্যবহৃত থাকা রেল লেন সংস্কার করে যান চলাচলের উপযোগী করা হবে। এর ফলে সেতুর যান চলাচলের রাস্তা ৩ দশমিক ৫ মিটার বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি সেতুর ডেক সংস্কার ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেতুর মূল কাঠামোর সক্ষমতা উন্নয়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ব্রিজ সম্প্রসারণের কাজটি গুণগত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক চাপ মোকাবিলা এবং উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সংযোগকারী অন্যতম প্রধান অবকাঠামো যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

যমুনা সেতুর সক্ষমতা বাড়াতে এবং পরিত্যক্ত রেললাইন অংশ সংস্কার করে সড়ক প্রশস্ত করতে চীনের একটি যৌথ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ। এই চুক্তির আওতায় সেতুর অব্যবহৃত রেল লেনকে যান চলাচলের উপযোগী করে সংস্কার করা হবে।
বুধবার (১৩ মে) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পের এ চুক্তি সই হয়। চুক্তিবদ্ধ চীনা যৌথ প্রতিষ্ঠান হলো সিসিসিসি-সিআরবিসি (জেভি)।
বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রধান প্রকৌশলী কাজী মো. ফেরদাউস এবং যৌথ প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (সিসিসিসি) ও চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) পক্ষে ওয়াং বেনচিয়ান চুক্তিতে সই করেন।
সেতু বিভাগ জানিয়েছে, এই চুক্তির ফলে যমুনা সেতুতে পৃথক রেল সংযোগ চালু হওয়ার পর অব্যবহৃত থাকা রেল লেন সংস্কার করে যান চলাচলের উপযোগী করা হবে। এর ফলে সেতুর যান চলাচলের রাস্তা ৩ দশমিক ৫ মিটার বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি সেতুর ডেক সংস্কার ও প্রশস্তকরণের মাধ্যমে যানবাহনের ধারণক্ষমতা বাড়ানো এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেতুর মূল কাঠামোর সক্ষমতা উন্নয়ন করা হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ এবং সিসিসিসি-সিআরবিসি জেভির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অতিরিক্ত সচিব আলতাফ হোসেন সেখ বলেন, জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে ব্রিজ সম্প্রসারণের কাজটি গুণগত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশনা রয়েছে। দেশের ক্রমবর্ধমান ট্রাফিক চাপ মোকাবিলা এবং উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সংযোগকারী অন্যতম প্রধান অবকাঠামো যমুনা সেতুর আধুনিকায়ন ও দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে।

মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকরা নির্ভয়ে সত্য তুলে ধরবেন। যে ভালো কাজ করবে তাকে স্বীকৃতি দিতে হবে, আর যে অন্যায় করবে তাকে সমালোচনার মুখোমুখি করতে হবে।
২ ঘণ্টা আগে
বাজুস জানিয়েছে, অলংকারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ফলে গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। তবে অলংকারের নকশা অনুযায়ী মজুরি যুক্ত হবে।
৪ ঘণ্টা আগে
আগামী ৪ থেকে ৭ জুলাইয়ের মধ্যে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া জেলার ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছাতে পারে। এতে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
অন্যদিকে রাজধানী ও আশপাশের এলাকার আবহাওয়াও পুরোপুরি শুষ্ক থাকবে না বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।
৮ ঘণ্টা আগে