
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনার তেরখাদায় আড়াই মাস বয়সী যমজ দুই কন্যাশিশুকে হত্যার দায়ে তাদের মা কানিজ ফাতেমাকে (কনা) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় দেন। আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. মাজাহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার বাসিন্দা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়নের কুশলা গ্রামের কানিজ ফাতেমার বিয়ে হয়। ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর মোল্লাহাটের একটি ক্লিনিকে যমজ দুই কন্যাশিশুর জন্ম হলে তাদের নাম রাখা হয় মনি ও মুক্তা।
এরপর ফাতেমা তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ আছে, স্বামী মাসুম বিল্লাহ স্ত্রী ও সন্তানদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন না। অন্যদিকে একা নবজাতক দুই শিশুর দেখাশোনা করতে গিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন ফাতেমা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ফাতেমা তার ছোট বোনকে ফোন করে জানান, শিশু দুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন ভোরে বাড়ির পুকুর থেকে শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই দিন রাতে শিশু দুটির বাবা মাসুম বিল্লাহ তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, পারিবারিক অশান্তি ও শিশুদের লালন-পালন নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে কনা বেগম (ফাতেমা) শ্বাসরোধে দুই শিশুকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীরা আদালতে সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করলেও আদালত তা গ্রহণ করেননি। মামলার রায় ঘোষণার সময় কনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

খুলনার তেরখাদায় আড়াই মাস বয়সী যমজ দুই কন্যাশিশুকে হত্যার দায়ে তাদের মা কানিজ ফাতেমাকে (কনা) যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় দেন। আদালতের উচ্চমান বেঞ্চ সহকারী মো. মাজাহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলার বাসিন্দা মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়নের কুশলা গ্রামের কানিজ ফাতেমার বিয়ে হয়। ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর মোল্লাহাটের একটি ক্লিনিকে যমজ দুই কন্যাশিশুর জন্ম হলে তাদের নাম রাখা হয় মনি ও মুক্তা।
এরপর ফাতেমা তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তখন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ আছে, স্বামী মাসুম বিল্লাহ স্ত্রী ও সন্তানদের নিজের বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন না। অন্যদিকে একা নবজাতক দুই শিশুর দেখাশোনা করতে গিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন ফাতেমা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুরে ফাতেমা তার ছোট বোনকে ফোন করে জানান, শিশু দুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন ভোরে বাড়ির পুকুর থেকে শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওই দিন রাতে শিশু দুটির বাবা মাসুম বিল্লাহ তেরখাদা থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, পারিবারিক অশান্তি ও শিশুদের লালন-পালন নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে কনা বেগম (ফাতেমা) শ্বাসরোধে দুই শিশুকে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেন।
তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। বিচার চলাকালে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষীরা আদালতে সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করলেও আদালত তা গ্রহণ করেননি। মামলার রায় ঘোষণার সময় কনা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

দেশজুড়ে হাম ও উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১ জন ও উপসর্গ নিয়ে ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬১৫ শিশুরর শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
পদ্মা ব্যারেজে প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার কোটি টাকাসহ অনুমোদিত ৮টি প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ৩৬ হাজার ৪৯০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ২০৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।
৪ ঘণ্টা আগে
আসামিরা সবাই পলাতক থাকায়, তাদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পলাতক সব আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করা হয়েছে। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের জন্য আগামী ১০ জুন দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
৪ ঘণ্টা আগে
এপ্রিলে সারাদেশে ৫২৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫১০ জন নিহত এবং ১২৬৮ জন আহত হয়েছেন। একই সময়ে রেলপথে ৫৪টি দুর্ঘটনায় ৪৯ জন এবং নৌ-পথে ৫টি দুর্ঘটনায় ৪ জন নিহত হন। সড়ক, রেল ও নৌপথ মিলিয়ে সর্বমোট ৫৮৬টি দুর্ঘটনায় ৫৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
৫ ঘণ্টা আগে