
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। আজ বুধবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
খায়রুল হকের আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে তার ধানমন্ডির বাসায় যাবেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন।
নয়টি মামলার মধ্যে রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খায়রুল হক। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। আবেদনের শুনানি নিয়ে ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন। ফলে এই মামলায়ও তার জামিন বহাল থাকে। এর মধ্য দিয়েই তার মুক্তির পথ খুলে যায়।
এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ আগস্ট বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খায়রুল হকের জামিনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন আদালত।
২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যান তিনি। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিয়েছিলেন।
এই সাবেক প্রধান বিচারপতি আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের সপ্তাহখানেক পর, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন।
এর প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা। ওই রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।
গত এক বছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা, রায় ‘জালিয়াতি’ ও দুর্নীতির অভিযোগে মোট নয়টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে একাধিকবার তার নামে থাকা সর্বশেষ মামলায় জামিন হলেও এর পরপরই তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ফলে এতদিন কারামুক্ত হতে পারেননি তিনি।
সবশেষ গত ৩০ জুন নিজের নামে থাকা অষ্টম মামলায় জামিন পেয়েছিলেন খায়রুল হক। সেদিনও তার আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, আগের সাতটি মামলায় আগেই জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই। তবে ২ জুলাই পুলিশ নতুন একটি মামলায় তাকে আবার গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে। পরে ৮ জুলাই শুনানি নিয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম আরিফুর রহমানের আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। ফলে সেবারও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি খায়রুল হক।
অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ নয়
খায়রুল হকের আইনজীবীর তথ্যমতে, পৃথক ছয় মামলায় জামিন পাওয়ার পর আবার নতুন করে অন্য মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৭ মে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন আদালত।
এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে এবং লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি) চায়। লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে গত ৯ আগস্ট আপিল বিভাগ আদেশ দেন। আপিল বিভাগের আদেশে এ-সংক্রান্ত রুল দ্রুত হাইকোর্টে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে বলা হয়।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আদালতের অনুমতি ছাড়া খায়রুল হক দেশত্যাগ করতে পারবেন না বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি হওয়ায় সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ তার ক্ষেত্রে বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

এক বছরের বেশি সময় কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হক। আজ বুধবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
খায়রুল হকের আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এ বি এম খায়রুল হক কারাগার থেকে তার ধানমন্ডির বাসায় যাবেন।
গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদল কর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর থেকে বিভিন্ন মামলায় তিনি কারাগারে ছিলেন। তার বিরুদ্ধে মোট নয়টি মামলা রয়েছে। সবগুলো মামলাতেই তিনি জামিন পেয়েছেন।
নয়টি মামলার মধ্যে রাজধানীর বনানী থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গত ১০ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে জামিন পান খায়রুল হক। এই জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করে। আবেদনের শুনানি নিয়ে ১৭ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন। ফলে এই মামলায়ও তার জামিন বহাল থাকে। এর মধ্য দিয়েই তার মুক্তির পথ খুলে যায়।
এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ আগস্ট বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খায়রুল হকের জামিনের আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ী জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রতি রুল জারি করেন আদালত।
২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন এ বি এম খায়রুল হক। ২০১১ সালের ১৭ মে ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে যান তিনি। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিয়েছিলেন।
এই সাবেক প্রধান বিচারপতি আওয়ামী লীগ সরকারের শেষ সময়ে আইন কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের সপ্তাহখানেক পর, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন।
এর প্রায় এক বছর পর ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখা। ওই রাতেই তাকে যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী আবদুল কাইয়ুম আহাদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।
গত এক বছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা, রায় ‘জালিয়াতি’ ও দুর্নীতির অভিযোগে মোট নয়টি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে একাধিকবার তার নামে থাকা সর্বশেষ মামলায় জামিন হলেও এর পরপরই তাকে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ফলে এতদিন কারামুক্ত হতে পারেননি তিনি।
সবশেষ গত ৩০ জুন নিজের নামে থাকা অষ্টম মামলায় জামিন পেয়েছিলেন খায়রুল হক। সেদিনও তার আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, আগের সাতটি মামলায় আগেই জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই। তবে ২ জুলাই পুলিশ নতুন একটি মামলায় তাকে আবার গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে। পরে ৮ জুলাই শুনানি নিয়ে ঢাকা মহানগর হাকিম আরিফুর রহমানের আদালত ওই আবেদন মঞ্জুর করেন। ফলে সেবারও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি খায়রুল হক।
অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ নয়
খায়রুল হকের আইনজীবীর তথ্যমতে, পৃথক ছয় মামলায় জামিন পাওয়ার পর আবার নতুন করে অন্য মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর প্রক্রিয়া নিয়ে গত ১৩ মে হাইকোর্টে রিট করা হয়। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৭ মে হাইকোর্ট রুল জারি করেন। একই সঙ্গে সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে নির্দেশ দেন আদালত।
এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে এবং লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি) চায়। লিভ টু আপিলের শুনানি শেষে গত ৯ আগস্ট আপিল বিভাগ আদেশ দেন। আপিল বিভাগের আদেশে এ-সংক্রান্ত রুল দ্রুত হাইকোর্টে শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে বলা হয়।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আদালতের অনুমতি ছাড়া খায়রুল হক দেশত্যাগ করতে পারবেন না বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। লিভ টু আপিল নিষ্পত্তি হওয়ায় সুনির্দিষ্ট মামলা ছাড়া খায়রুল হককে গ্রেপ্তার না দেখাতে ও হয়রানি না করতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশ তার ক্ষেত্রে বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য।
৪ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) প্রকাশিত ইউএনএফপিএর পরিস্থিতি প্রতিবেদনে বন্যার ভয়াবহতার এই চিত্র উঠে এসেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে শিশুদের হাম নিয়ে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
রুহুল কবির রিজভী বলেন, "ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে। এর বাইরে গিয়ে দেশের স্বার্থহানি ঘটে এমন কোনো কিছু হলে বিএনপি সরকার তাতে সায় দেবে না।"
৫ ঘণ্টা আগে