
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা ভাবছে শিক্ষা প্রশাসন। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে রোজা ও ঈদুল ফিতরের পর মার্চে এ পরীক্ষা শুরু করার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা মার্চ মাসে শুরু করার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।’
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে রমজান মাস শুরু হতে পারে। সে হিসাবে রমজান শেষে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। তাই ৭ জানুয়ারি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এলে মার্চের মাঝামাঝি থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
এর আগে আগামী বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বছরের শুরুতে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গত ১৪ মে দেওয়া ওই ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ইতোমধ্যে এ পরীক্ষার প্রস্তাবিত সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে গত ২ জুন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, অংশীজনরা চাইলে ৭ জানুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে পরীক্ষার সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হতে পারে।
আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্ন বাস্তবতা। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে তারা আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত নতুন শিক্ষাক্রমে পড়াশোনা করেছে। পরে নবম ও দশম শ্রেণিতে তারা ২০১০ সালের পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমে পড়েছে।
অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নবম শ্রেণিতে দেরিতে বই পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। জানুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু হলে এতে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অনেকে।
একসময় ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি ও সমমান এবং এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের রেওয়াজ ছিল। তবে কোভিড-১৯ মহামারি ও গণঅভ্যুত্থানের কারণে শিক্ষাপঞ্জি ওলট-পালট হয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছর এপ্রিলে এসএসসি ও সমমান এবং জুলাইয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

আগামী বছরের ৭ জানুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা ভাবছে শিক্ষা প্রশাসন। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে রোজা ও ঈদুল ফিতরের পর মার্চে এ পরীক্ষা শুরু করার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে শিগগিরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে এসএসসি পরীক্ষা মার্চ মাসে শুরু করার বিষয়টি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। শিগগিরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।’
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে রমজান মাস শুরু হতে পারে। সে হিসাবে রমজান শেষে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। তাই ৭ জানুয়ারি এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এলে মার্চের মাঝামাঝি থেকে পরীক্ষা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা।
এর আগে আগামী বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা বছরের শুরুতে ৭ জানুয়ারি থেকে শুরু করার ঘোষণা দিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গত ১৪ মে দেওয়া ওই ঘোষণার পর বিষয়টি নিয়ে শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। ইতোমধ্যে এ পরীক্ষার প্রস্তাবিত সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে গত ২ জুন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, অংশীজনরা চাইলে ৭ জানুয়ারি থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে পরীক্ষার সূচি পুনর্নির্ধারণ করা হতে পারে।
আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও রয়েছে ভিন্ন বাস্তবতা। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে তারা আওয়ামী লীগ সরকারের প্রণীত নতুন শিক্ষাক্রমে পড়াশোনা করেছে। পরে নবম ও দশম শ্রেণিতে তারা ২০১০ সালের পরিমার্জিত শিক্ষাক্রমে পড়েছে।
অন্যদিকে, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নবম শ্রেণিতে দেরিতে বই পাওয়ায় শিক্ষার্থীরা ২০২৭ সালের এপ্রিলে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। জানুয়ারিতে পরীক্ষা শুরু হলে এতে প্রায় ২০ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের অনেকে।
একসময় ফেব্রুয়ারিতে এসএসসি ও সমমান এবং এপ্রিলে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আয়োজনের রেওয়াজ ছিল। তবে কোভিড-১৯ মহামারি ও গণঅভ্যুত্থানের কারণে শিক্ষাপঞ্জি ওলট-পালট হয়ে যায়। এর পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছর এপ্রিলে এসএসসি ও সমমান এবং জুলাইয়ে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

ভারতের কলকাতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) প্রকাশিত ইউএনএফপিএর পরিস্থিতি প্রতিবেদনে বন্যার ভয়াবহতার এই চিত্র উঠে এসেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের অডিটোরিয়ামে শিশুদের হাম নিয়ে পরিচালিত গবেষণার ফলাফল অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
রুহুল কবির রিজভী বলেন, "ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে। এর বাইরে গিয়ে দেশের স্বার্থহানি ঘটে এমন কোনো কিছু হলে বিএনপি সরকার তাতে সায় দেবে না।"
৫ ঘণ্টা আগে