সম্পদের হিসাব দাখিল না করায় এস কে সুরের ৩ বছরের কারাদণ্ড

সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা না দেওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর (এস কে সুর) চৌধুরীকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) ঢাকার দ্বিতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক আয়েশা নাসরিন এ রায় ঘোষণা করেন।
দুদকের কৌঁসুলি আবুল কালাম আজাদ জানান, এস কে সুরকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পরে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে এ দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এস কে সুরকে কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। হাজতখানা থেকে তাকে পৌনে ১১টার দিকে এজলাসে তুলে আসামির কাঠগড়ায় রাখা হয়। পরে আদালত রায় ঘোষণা করেন।
২০১৮ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যান এস কে সুর চৌধুরী। আলোচিত পি কে হালদারের আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম আসায় ২০২২ সালে তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
অনুসন্ধান শেষ করে এস কে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর বাদী হয়ে মামলা করেন দুদকের উপপরিচালক নাজমুল হুসাইন। পরে ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে দুদক। এর পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, এস কে সুরের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ বা সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগে তার ও তার ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের স্বনামে বা বেনামে অর্জিত যাবতীয় স্থাবর বা অস্থাবর সম্পদ বা সম্পত্তি, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণী দাখিল করার জন্য সম্পদের হিসাব বিবরণীর নোটিশ জারি করা হয়। এরপর এস কে সুর সম্পদ বিবরণী দাখিলের ফরম গ্রহণ করলেও নির্ধারিত ২১ কার্যদিবসের মধ্যে সম্পদ বিবরণী দাখিল করেননি।
গত বছরের ২৫ অগাস্ট এস কে সুরের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন দুদকের উপপরিচালক মো. আহসান উদ্দিন। সে অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে গত ৬ নভেম্বর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।
বিচার চলাকালে আদালত সাতজনের সাক্ষ্য নেন। দুদক ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে গত ১৫ জুলাই মামলার রায়ের দিন আজ ২৮ জুলাই নির্ধারণ করেন আদালত। আজ সে মামলায় তিন বছরের সাজা দিলেন আদালত।
















-27f480-256x144.webp)
-938bec-256x144.webp)
