
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আজ রায় ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল রায় প্রকাশ করবেন।
রায় সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), রয়টার্স ও ট্রাইব্যুনালের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ। একই সঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড় স্ক্রিনে লাইভ সম্প্রচারের আয়োজন করেছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন)। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আইনে কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে অনুকম্পার কোনো সুযোগ নেই। দণ্ডিত হলে ট্রাইব্যুনালের সাজা পরোয়ানা ইন্টারপোলে পাঠানো হবে।
গত ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রথম মামলাটি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হয়, যেখানে ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীকালে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও আসাদুজ্জামান খানও আসামি হন।
মামলায় প্রসিকিউশন গত ১২ মে ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও প্রমাণাদি ৪ হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকা ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। ১ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার পাঁচটি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে:
১. আন্দোলনরত ছাত্র-জনতাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও হামলা।
২. হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ।
৩. রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে গুলি করে হত্যা।
৪. রাজধানীর চানখাঁরপুলে নিরীহ ছয়জনকে গুলি করে হত্যা।
৫. আশুলিয়ায় নিরীহ ছয়জনকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা।
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী খালাস প্রার্থনা করলেও রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আবেদন করা হয়েছে।
এদিকে,এর প্রতিবাদে 'কমপ্লিট লকডাউন' কর্মসূচি পালন করছে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ।
এমন পটভূমিতে রোববার রাতেও রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন এবং মশাল মিছিলের খবর পাওয়া গেছে।
সরকারের একজন উপদেষ্টার বাসভবনের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল নিক্ষেপের সাথে জড়িতদের গুলির নির্দেশ দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
এদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশ আগেই জানিয়েছে, 'সব বিষয়কে মাথায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই'।
ঢাকায় কড়া নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং এর অংশ হিসেবে সরকারের দিক থেকে ঢাকা ছাড়াও গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে আজ রায় ঘোষণা করবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল রায় প্রকাশ করবেন।
রায় সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি), রয়টার্স ও ট্রাইব্যুনালের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ। একই সঙ্গে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ঢাকার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বড় স্ক্রিনে লাইভ সম্প্রচারের আয়োজন করেছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে আনা পাঁচটি অভিযোগই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ (প্রসিকিউশন)। রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করছে।
ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের আইনে কোনো নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়নি এবং শেখ হাসিনার ক্ষেত্রে অনুকম্পার কোনো সুযোগ নেই। দণ্ডিত হলে ট্রাইব্যুনালের সাজা পরোয়ানা ইন্টারপোলে পাঠানো হবে।
গত ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রথম মামলাটি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে হয়, যেখানে ১৭ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পরবর্তীকালে সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন ও আসাদুজ্জামান খানও আসামি হন।
মামলায় প্রসিকিউশন গত ১২ মে ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন ট্রাইব্যুনালে জমা দেয়। এর মধ্যে তথ্যসূত্র ২ হাজার ১৮ পৃষ্ঠা, জব্দতালিকা ও প্রমাণাদি ৪ হাজার পাঁচ পৃষ্ঠা এবং শহীদদের তালিকা ২ হাজার ৭২৪ পৃষ্ঠা। ১ জুন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয় এবং ১০ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়।
মামলার পাঁচটি অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে:
১. আন্দোলনরত ছাত্র-জনতাকে ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড ও হামলা।
২. হেলিকপ্টার, ড্রোন ও প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ।
৩. রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকে গুলি করে হত্যা।
৪. রাজধানীর চানখাঁরপুলে নিরীহ ছয়জনকে গুলি করে হত্যা।
৫. আশুলিয়ায় নিরীহ ছয়জনকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা।
চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এবং অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান সর্বোচ্চ শাস্তি চেয়েছেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী খালাস প্রার্থনা করলেও রাষ্ট্রপক্ষের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার আবেদন করা হয়েছে।
এদিকে,এর প্রতিবাদে 'কমপ্লিট লকডাউন' কর্মসূচি পালন করছে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ।
এমন পটভূমিতে রোববার রাতেও রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ, বাস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আগুন এবং মশাল মিছিলের খবর পাওয়া গেছে।
সরকারের একজন উপদেষ্টার বাসভবনের সামনেও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল নিক্ষেপের সাথে জড়িতদের গুলির নির্দেশ দিয়ে আলোচনায় এসেছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী।
এদিকে, ঢাকা মহানগর পুলিশ আগেই জানিয়েছে, 'সব বিষয়কে মাথায় রেখেই নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই'।
ঢাকায় কড়া নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে এবং এর অংশ হিসেবে সরকারের দিক থেকে ঢাকা ছাড়াও গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর ও ফরিদপুরে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক রকমের চেষ্টা হতে পারে। হুট করে যেন কেউ হাজির হতে না পারে এছাড়া নির্বাচনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ রাখা হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
নিরাপত্তাহীনতা ও জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সময় লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে। এতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ছাড়াও স্বরাষ্ট্র সচিব, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিব, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ও র
৪ ঘণ্টা আগে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক আলী রীয়াজের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ইলেকশন অবজারভেশন মিশনের পলিটিক্যাল অ্যানালিস্ট মারসেল নেগি এবং ইলেকশন অ্যানালিস্ট ভাসিল ভাসচেনকা।
৫ ঘণ্টা আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য ফোর্সের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। কেউ বিশৃঙ্খলা করতে পারবে না। সবাই সহযোগিতা করলে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবেই হবে।
৭ ঘণ্টা আগে