
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের বাকলিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে ৩ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামি মনির হোসেনকে (৩২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা আজ বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, ‘আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
এই মামলায় মোট ৫ কার্যদিবসে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ঘটনার ২৫ দিনের মধ্যে এই মামলার রায় ঘোষণা হলো।
মামলার আসামি মনিরের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকায়। চট্টগ্রামে তিনি থাকতেন নগরীর বাকলিয়া এলাকার মিয়াখান নগরে। চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেটরের দোকানে চাকরি করতেন তিনি।
গত ২১ মে বিকেলে সেখানে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে মনিরের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।
পুলিশ মনিরকে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী বাধা দেয়। তারা বলে, তারাই ওই যুবকের ‘শাস্তি’ নিশ্চিত করতে চায়। দুই ঘণ্টা চেষ্টা করেও মনিরকে থানায় নিয়ে যেতে না পেরে পুলিশ সন্ধ্যায় টিয়ার শেল ছোড়ে।
একপর্যায়ে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলে। দফায় দফায় সংঘর্ষে বাকলিয়া এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশের একটি বড় ট্রাকে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এ সময় সাংবাদিকসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন।
ওই দিন শিশুটিকে উদ্ধারের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটির বাবা বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ২২ মে বিকেলে মনির হোসেনকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে হাজির করার হলে তিনি ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দি দেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মো. কবির ভূঁইয়া সে সময় বলেছিলেন, ‘ঘটনার দিন ওই শিশুটির বাবা ঢাকায় ছিলেন এবং মা ছিলেন গার্মেন্টেস কারখানায়। সে সময় শিশুটি তার নানির সাথে ছিল। এ সুযোগে মনির কৌশলে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা বা ধর্ষণ করে।’
দুই সপ্তাহ তদন্তের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ গত ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। সেখানে আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। মামলায় মোট ২২ জনকে সাক্ষী করা হয় ।
চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা ৯ জুন আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তার বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।
তিন কার্য দিবসে মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়ে রোববার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সোমবার আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামি মনির হোসেন নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করেন। তবে তার পক্ষে কোনো সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়নি। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষে যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে, আজ আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রামের বাকলিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকায় সাড়ে ৩ বছরের শিশু ধর্ষণ মামলায় আসামি মনির হোসেনকে (৩২) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন বিচারক।
চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা আজ বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, ‘আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।’
এই মামলায় মোট ৫ কার্যদিবসে এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ, আসামির আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ঘটনার ২৫ দিনের মধ্যে এই মামলার রায় ঘোষণা হলো।
মামলার আসামি মনিরের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকায়। চট্টগ্রামে তিনি থাকতেন নগরীর বাকলিয়া এলাকার মিয়াখান নগরে। চেয়ারম্যান ঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেটরের দোকানে চাকরি করতেন তিনি।
গত ২১ মে বিকেলে সেখানে সাড়ে তিন বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে মনিরের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে।
পুলিশ মনিরকে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে এলাকাবাসী বাধা দেয়। তারা বলে, তারাই ওই যুবকের ‘শাস্তি’ নিশ্চিত করতে চায়। দুই ঘণ্টা চেষ্টা করেও মনিরকে থানায় নিয়ে যেতে না পেরে পুলিশ সন্ধ্যায় টিয়ার শেল ছোড়ে।
একপর্যায়ে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে পুলিশের গাড়ি ঘিরে ফেলে। দফায় দফায় সংঘর্ষে বাকলিয়া এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পুলিশের একটি বড় ট্রাকে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। এ সময় সাংবাদিকসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন।
ওই দিন শিশুটিকে উদ্ধারের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। শিশুটির বাবা বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে ২২ মে বিকেলে মনির হোসেনকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আবু বক্কর সিদ্দিকের আদালতে হাজির করার হলে তিনি ‘স্বীকারোক্তিমূলক’ জবানবন্দি দেন।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন মো. কবির ভূঁইয়া সে সময় বলেছিলেন, ‘ঘটনার দিন ওই শিশুটির বাবা ঢাকায় ছিলেন এবং মা ছিলেন গার্মেন্টেস কারখানায়। সে সময় শিশুটি তার নানির সাথে ছিল। এ সুযোগে মনির কৌশলে শিশুটিকে ধর্ষণের চেষ্টা বা ধর্ষণ করে।’
দুই সপ্তাহ তদন্তের পর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ গত ৪ জুন আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। সেখানে আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। মামলায় মোট ২২ জনকে সাক্ষী করা হয় ।
চট্টগ্রাম মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা ৯ জুন আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তার বিচার শুরুর আদেশ দেন। পরদিন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ।
তিন কার্য দিবসে মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য নিয়ে রোববার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। সোমবার আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে আসামি মনির হোসেন নিজেকে ‘নির্দোষ’ দাবি করেন। তবে তার পক্ষে কোনো সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়নি। গতকাল মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামি পক্ষে যুক্তি তর্ক উপস্থাপন শেষে মামলাটি রায়ের পর্যায়ে আসে, আজ আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আবহাওয়া অফিস জানায়, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার আশঙ
৭ ঘণ্টা আগে
ব্যাংকের ভাবমূর্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সার্কুলারে আরও কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ বা প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা, জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া অফিস চলাকালে কর্মস্থলের বাইরে না থাকা এবং অফিস থেকে বের হওয়া ও ফিরে আসার সময় মুভমেন্
৭ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার মনে হয়, একই জিনিস আমিও দেখেছি। কিন্তু তারপরও অবশ্যই দায়িত্বের একটা চাপ অনুভব করছি। কারণ এখানে প্রচুর সমস্যা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। অ্যাট দ্য সেইম টাইম, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। সো অসম্ভব একটা চাপ অনুভব করছি দায়িত্বে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জানা গেছে, দুদকের কাছ থেকে পাওয়া এই চিঠি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পাঠাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে। পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক মাধ্যমে তা সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে পাঠাবে।
২০ ঘণ্টা আগে