
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতিমালার আলোকে জারি করা এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, এর আগে জারি করা একটি নির্দেশনার আলোকে ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতিমালার অধ্যায়-৬ এ বর্ণিত ‘সাধারণ আচরণ ও শৃঙ্খলা নীতি’র অধীনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিদ্যমান বিধান পুনরায় সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী সরাসরি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে দেশে বা বিদেশে কোনো সংসদ নির্বাচন কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবেও অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে ব্যক্তিগত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া কোনো ধরনের দলীয় মতাদর্শ প্রচার, রাজনৈতিক বিতর্কে অংশগ্রহণ বা পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানো যাবে না, যা দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নিষ্ঠাকে ব্যাহত করতে পারে। সংকীর্ণতা, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ কিংবা অফিসের ক্ষমতার অপব্যবহার থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকের ভাবমূর্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সার্কুলারে আরও কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ বা প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা, জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া অফিস চলাকালে কর্মস্থলের বাইরে না থাকা এবং অফিস থেকে বের হওয়া ও ফিরে আসার সময় মুভমেন্ট রেজিস্টারে সময় ও কারণ উল্লেখ করে স্বাক্ষর করা।
সার্কুলারে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য করা হলে তা শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে এবং মানবসম্পদ নীতিমালার বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যাংকের সব শাখা ব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধানকে সার্কুলারের বিষয়বস্তু অবিলম্বে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জানিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশনা লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে দ্রুত মানবসম্পদ বিভাগকে অবহিত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতিমালার আলোকে জারি করা এক সার্কুলারে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়, এর আগে জারি করা একটি নির্দেশনার আলোকে ব্যাংকের মানবসম্পদ নীতিমালার অধ্যায়-৬ এ বর্ণিত ‘সাধারণ আচরণ ও শৃঙ্খলা নীতি’র অধীনে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিদ্যমান বিধান পুনরায় সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী সরাসরি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে পারবেন না। একই সঙ্গে দেশে বা বিদেশে কোনো সংসদ নির্বাচন কিংবা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবেও অংশগ্রহণ করতে পারবেন না। তবে ব্যক্তিগত ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ থাকবে। এ ছাড়া কোনো ধরনের দলীয় মতাদর্শ প্রচার, রাজনৈতিক বিতর্কে অংশগ্রহণ বা পক্ষপাতমূলক কর্মকাণ্ডে জড়ানো যাবে না, যা দায়িত্ব পালনে নিরপেক্ষতা ও পেশাগত নিষ্ঠাকে ব্যাহত করতে পারে। সংকীর্ণতা, স্বজনপ্রীতি, দলীয়করণ কিংবা অফিসের ক্ষমতার অপব্যবহার থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ব্যাংকের ভাবমূর্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সার্কুলারে আরও কয়েকটি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ বা প্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা, জরুরি দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া অফিস চলাকালে কর্মস্থলের বাইরে না থাকা এবং অফিস থেকে বের হওয়া ও ফিরে আসার সময় মুভমেন্ট রেজিস্টারে সময় ও কারণ উল্লেখ করে স্বাক্ষর করা।
সার্কুলারে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এসব নির্দেশনা অমান্য করা হলে তা শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে গণ্য হবে এবং মানবসম্পদ নীতিমালার বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ব্যাংকের সব শাখা ব্যবস্থাপক ও বিভাগীয় প্রধানকে সার্কুলারের বিষয়বস্তু অবিলম্বে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জানিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্দেশনা লঙ্ঘনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে দ্রুত মানবসম্পদ বিভাগকে অবহিত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাজনীতি/এসআর

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে