
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার, নেভি মুসলিম সুইটস ও রসের হাড়িসহ নামি-দামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিষ্টি তৈরি হয় এক নামবিহীন প্রতিষ্ঠানে, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুর ইস্টার্ন হাউজিং ই-১ এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআইয়ের মান সনদ লাইসেন্স না নিয়েই বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি উৎপাদন, বিক্রি ও বাজারজাত করে প্রতারণা করছিল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটিতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সুইট মিট, রসগোল্লা, সন্দেশসহ বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি উৎপাদনের চিত্র পাওয়া যায়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরতরা জানান, সেখানে উৎপাদিত মিষ্টি বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার, নেভি মুসলিম সুইটস, রসের হাড়ি ও কালশী মোড় এলাকার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে সরবরাহ করা হয়।

বিএসটিআই বলছে, নামিদামি ব্র্যান্ডের দোকান থেকে মিষ্টি কিনলেও সেগুলোর একটি অংশ কোথায়, কী পরিবেশে এবং কীভাবে উৎপাদিত হচ্ছে, সে বিষয়ে ভোক্তারা অনেক সময় অবগত থাকেন না। ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত খাদ্যপণ্য সরবরাহের এ ধরনের চিত্র জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল ইসলামের নেতৃত্বে ও এপিবিএন-১১-এর সহযোগিতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রতিষ্ঠানটির অপরাধ আমলে নিয়ে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩১ ধারা অনুযায়ী সতর্কতামূলকভাবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, বিএসটিআইয়ের মান সনদ ও পণ্য মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করে কেবল অনুমোদিত পণ্য বাজারজাত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে বিএসটিআইয়ের প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিল্ড অফিসার (সিএম) নুর জাহান ও পরীক্ষক (মেট্রোলজি) শিখন সাহা।

রাজধানীর বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার, নেভি মুসলিম সুইটস ও রসের হাড়িসহ নামি-দামি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিষ্টি তৈরি হয় এক নামবিহীন প্রতিষ্ঠানে, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআই জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মিরপুর ইস্টার্ন হাউজিং ই-১ এলাকার ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়। প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআইয়ের মান সনদ লাইসেন্স না নিয়েই বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি উৎপাদন, বিক্রি ও বাজারজাত করে প্রতারণা করছিল।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অভিযানের সময় প্রতিষ্ঠানটিতে নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সুইট মিট, রসগোল্লা, সন্দেশসহ বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি উৎপাদনের চিত্র পাওয়া যায়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটিতে কর্মরতরা জানান, সেখানে উৎপাদিত মিষ্টি বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার, নেভি মুসলিম সুইটস, রসের হাড়ি ও কালশী মোড় এলাকার বিভিন্ন মিষ্টির দোকানে সরবরাহ করা হয়।

বিএসটিআই বলছে, নামিদামি ব্র্যান্ডের দোকান থেকে মিষ্টি কিনলেও সেগুলোর একটি অংশ কোথায়, কী পরিবেশে এবং কীভাবে উৎপাদিত হচ্ছে, সে বিষয়ে ভোক্তারা অনেক সময় অবগত থাকেন না। ফলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে উৎপাদিত খাদ্যপণ্য সরবরাহের এ ধরনের চিত্র জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিএসটিআইয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুল ইসলামের নেতৃত্বে ও এপিবিএন-১১-এর সহযোগিতায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে প্রতিষ্ঠানটির অপরাধ আমলে নিয়ে বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩১ ধারা অনুযায়ী সতর্কতামূলকভাবে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জরিমানার অর্থ আদায় করা হয়।
একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়ন, বিএসটিআইয়ের মান সনদ ও পণ্য মোড়কজাত নিবন্ধন সনদ গ্রহণ করে কেবল অনুমোদিত পণ্য বাজারজাত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে বিএসটিআইয়ের প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ফিল্ড অফিসার (সিএম) নুর জাহান ও পরীক্ষক (মেট্রোলজি) শিখন সাহা।

বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ বাড়লেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনেক গ্রাহকের বিল দ্বিগুণের বেশি হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘অথচ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা আগের তুলনায় কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এটা তো লুটপাট। আগে এই অনিয়ম ও চুরি বন্ধ করা দরকার।’
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইজতেমার সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাবলিগ জামাতের উভয় পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা হয়েছে। সাদপন্থী মুরুব্বিদের সঙ্গে আজকের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়, এর আগে জুবায়েরপন্থী শীর্ষ দায়িত্বশীলদের সঙ্গেও বিস্তারিত কথা বলেছে সরকার।
৫ ঘণ্টা আগে
তার দাবি, পেশাগত ঈর্ষা এবং ডিআইএতে পদায়ন না পাওয়া কয়েকজন কর্মকর্তার বিরোধিতার কারণেই তাকে যোগ দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে অশোভন আচরণ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
৬ ঘণ্টা আগে
তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশে আবহমানকাল থেকে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য এবং সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম এবং সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে সময় সময় কংস-চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র এবং সমাজে বিভেদ-বিরোধ সৃষ্টি জিইয়ে রাখার অপচে
৬ ঘণ্টা আগে