
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, দেশের বিদ্যমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকট দূর করতে সময় লাগতে পারে, তবে চুরি-লুটপাট বন্ধ করতে সময় লাগার কথা নয়।
বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ বাড়লেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনেক গ্রাহকের বিল দ্বিগুণের বেশি হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘অথচ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা আগের তুলনায় কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এটা তো লুটপাট। আগে এই অনিয়ম ও চুরি বন্ধ করা দরকার।’
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্যাব মিলনায়তনে ‘বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অপ্রাপ্ততা এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে’ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্যাব সভাপতি বলেন, ব্যক্তি বা কোনো গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে আমদানিনির্ভরতা বাড়ানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। সংকট ঘনীভূত হওয়ার পর স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার বদলে সরাসরি জ্বালানি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এ এইচ এম সফিকুজ্জামান আরও বলেন, সরাসরি জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঝুঁকি থাকে। তাই সংকটের প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে চুরি-লুটপাট বন্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে।
বাজারে সংকট তৈরি করে কয়েকটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে দাম বাড়ানোর সুযোগ দেওয়ারও সমালোচনা করেন এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, কোনো পণ্যের বাজারের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকলে তারা সরবরাহ কমিয়ে বাজার অস্থির করে তুলতে পারে।
পোলাও চালের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও সরবরাহ-সংকট দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি পণ্য মজুত করে বাজার অস্থির করা হলে সংশ্লিষ্ট গুদামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘সংকট তৈরি করে যারা জনগণকে জিম্মি করছে, সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, নাকি তাদেরই সুবিধা দেবে?’ এ ছাড়া অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও বড় ওষুধ কোম্পানির স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন ক্যাব সভাপতি।
এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের মতে, জনগণকে বাদ দিয়ে কোনো নীতি করা যাবে না। ভোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা করতে হবে।
ক্যাব সভাপতি বলেন, গ্যাস-সংকট দীর্ঘায়িত হলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়েছে। রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে এমন শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হওয়ার আশঙ্কা আছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পরিবহন খরচের তুলনায় অনেক বেশি হারে পণ্যের দামে পড়ছে। একটি পণ্য পরিবহনের খরচ সামান্য বাড়লেও বাজারে সেই পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসে যদি দুই বছর ধরে এ ধরনের সংকট চলবে বলে বার্তা দেয়, তাহলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কীভাবে আস্থা পাবে?’
আলোচনা সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকটকে ‘অপ্রতুলতা’ বলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, দেশের মাটির নিচে এবং সমুদ্রে গ্যাসসহ নিজস্ব জ্বালানিসম্পদ আছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, পানি ও বায়ু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনেরও সুযোগ রয়েছে। অতীতে যারা ক্ষমতায় ছিল, এসব সম্পদের যথাযথ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও ব্যবহার না করার দায় তাদের নিতে হবে।
রুহিন হোসেন প্রিন্স অভিযোগ করে বলেন, গ্যাস উন্নয়ন তহবিলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হলেও সেই অর্থ দেশীয় গ্যাস উত্তোলনের পরিবর্তে এলএনজি আমদানি ও অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে।

কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এ এইচ এম সফিকুজ্জামান বলেছেন, দেশের বিদ্যমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকট দূর করতে সময় লাগতে পারে, তবে চুরি-লুটপাট বন্ধ করতে সময় লাগার কথা নয়।
বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রায় ২০ শতাংশ বাড়লেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে অনেক গ্রাহকের বিল দ্বিগুণের বেশি হয়েছে বলে জানান তিনি। বলেন, ‘অথচ লোডশেডিংয়ের কারণে তারা আগের তুলনায় কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করছেন। এটা তো লুটপাট। আগে এই অনিয়ম ও চুরি বন্ধ করা দরকার।’
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ক্যাব মিলনায়তনে ‘বিদ্যুৎ ও গ্যাসের অপ্রাপ্ততা এবং অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে’ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ক্যাব সভাপতি বলেন, ব্যক্তি বা কোনো গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে আমদানিনির্ভরতা বাড়ানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। সংকট ঘনীভূত হওয়ার পর স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ার বদলে সরাসরি জ্বালানি কেনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।
এ এইচ এম সফিকুজ্জামান আরও বলেন, সরাসরি জ্বালানি কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির ঝুঁকি থাকে। তাই সংকটের প্রকৃত তথ্য জনগণের সামনে প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে চুরি-লুটপাট বন্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে হবে।
বাজারে সংকট তৈরি করে কয়েকটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে দাম বাড়ানোর সুযোগ দেওয়ারও সমালোচনা করেন এ এইচ এম সফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, কোনো পণ্যের বাজারের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকলে তারা সরবরাহ কমিয়ে বাজার অস্থির করে তুলতে পারে।
পোলাও চালের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও সরবরাহ-সংকট দেখিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি পণ্য মজুত করে বাজার অস্থির করা হলে সংশ্লিষ্ট গুদামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘সংকট তৈরি করে যারা জনগণকে জিম্মি করছে, সরকার তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে, নাকি তাদেরই সুবিধা দেবে?’ এ ছাড়া অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা বাতিলের সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও বড় ওষুধ কোম্পানির স্বার্থ প্রাধান্য পেয়েছে কি না, সেই প্রশ্নও তোলেন ক্যাব সভাপতি।
এ এইচ এম সফিকুজ্জামানের মতে, জনগণকে বাদ দিয়ে কোনো নীতি করা যাবে না। ভোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে ওষুধের তালিকা ও মূল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা করতে হবে।
ক্যাব সভাপতি বলেন, গ্যাস-সংকট দীর্ঘায়িত হলে দেশের অর্থনীতি বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান সংকটে পড়েছে। রপ্তানি আয়ের বড় অংশ আসে এমন শিল্প খাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হওয়ার আশঙ্কা আছে।
তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পরিবহন খরচের তুলনায় অনেক বেশি হারে পণ্যের দামে পড়ছে। একটি পণ্য পরিবহনের খরচ সামান্য বাড়লেও বাজারে সেই পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘সরকার জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসে যদি দুই বছর ধরে এ ধরনের সংকট চলবে বলে বার্তা দেয়, তাহলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা কীভাবে আস্থা পাবে?’
আলোচনা সভায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, বাংলাদেশের গ্যাস ও বিদ্যুৎ-সংকটকে ‘অপ্রতুলতা’ বলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, দেশের মাটির নিচে এবং সমুদ্রে গ্যাসসহ নিজস্ব জ্বালানিসম্পদ আছে। পাশাপাশি সৌরবিদ্যুৎ, পানি ও বায়ু থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনেরও সুযোগ রয়েছে। অতীতে যারা ক্ষমতায় ছিল, এসব সম্পদের যথাযথ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও ব্যবহার না করার দায় তাদের নিতে হবে।
রুহিন হোসেন প্রিন্স অভিযোগ করে বলেন, গ্যাস উন্নয়ন তহবিলে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হলেও সেই অর্থ দেশীয় গ্যাস উত্তোলনের পরিবর্তে এলএনজি আমদানি ও অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংবিধানের ১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তিনি দায়িত্ব নেওয়ার তারিখ থেকে পাঁচ বছর বা তার ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার মধ্যে যা আগে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি পদে নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া বহাল থাকবেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার সাত কর্মকর্তাকে অপসারণ ও বরখাস্ত করেছে সরকার। ঘুস নিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, দীর্ঘদিন অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও পলাতক থাকার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
১৬ ঘণ্টা আগে
জিয়াউল কবির দুলু ও আ স ম আলমগীর বিবৃতিতে বলেন, গত তিন-চার বছর ধরে ভর্তি বাণিজ্যের একটি সিন্ডিকেট হাইকোর্টে রিট করে সরকারি নীতিমালায় অনুযায়ী ৫ শতাংশ বরাদ্দের বাইরেও সহোদর কোটায় বাড়তি শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর আদেশ নিয়ে ভর্তি বাণিজ্য করে আসছে। স্কুলের সব শিক্ষার্থীর সহোদরদের ভর্তি করানো হলে বাইরের আর ক
১৮ ঘণ্টা আগে
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার নদীভাঙনকবলিত অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি) ফাউন্ডেশন। এ সহায়তা পেয়ে অসহায় মানুষজন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
১৯ ঘণ্টা আগে