
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থির নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভ্রমণে নতুন সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। গত ২০ ও ২২ জানুয়ারি দেশ দুটির হালনাগাদ ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে নিজ নাগরিকদের তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিক্ষোভ ও সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বড় শহরগুলোতে জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দেশ দুটি।
যুক্তরাজ্যের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। এ সময়ে বেশকিছু এলাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছে এফসিডিও।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, এ সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহিংসতা এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপের নিয়মিত খবর পাওয়া যায়। এই এলাকাটি নিম্নলিখিত জেলাগুলো নিয়ে গঠিত। এগুলো হলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান।
সন্ত্রাসবাদ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বাংলাদেশে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সময়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে। এসব হামলা নির্বিচারে ঘটতে পারে এবং বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াতের স্থানও এর লক্ষ্য হতে পারে।
এফসিডিওর মতে, সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি ভবন, রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে, গণপরিবহন ব্যবস্থা, জনাকীর্ণ এলাকা, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশস্থল।
সংস্থাটি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, যাতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। এফসিডিও জানায়, আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিয়মিত সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে, যা দ্রুত সহিংস রূপ নিতে পারে এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি করছে।
সংস্থাটি দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাজনৈতিক সমাবেশ, বিক্ষোভ ও বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। কোথাও বিক্ষোভ শুরু হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা, স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর নিয়মিত অনুসরণ করা এবং ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ হলে ই-মেইল নোটিফিকেশন গ্রহণের পরামর্শও দিয়েছে এফসিডিও।
এদিকে বাংলাদেশ ভ্রমণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে কোনো স্তর পরিবর্তন না এনে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে অপহরণ, অস্থিরতা, অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ভ্রমণে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিরতা কিছুটা কমলেও মাঝে মাঝে বিক্ষোভ হচ্ছে, যা হঠাৎ সহিংস রূপ নিতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সব ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বড় শহরগুলোতে ছিনতাই, চুরি, হামলা ও অবৈধ মাদক ব্যবসা সাধারণ অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিড়পূর্ণ এলাকায় পকেটমারের মতো ছোটখাটো অপরাধের ঝুঁকি রয়েছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে, যদিও বিদেশিদের বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে—এমন প্রমাণ নেই।
সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়, বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপহরণসহ গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলায় ভ্রমণে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মীরা কূটনৈতিক এলাকা ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ করতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে। ঢাকার বাইরে জরুরি সেবা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সক্ষমতা সীমিত বলেও উল্লেখ করা হয়।
ভ্রমণকারীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে—বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক সমাবেশ এড়িয়ে চলা, স্থানীয় গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা, জরুরি অবস্থায় নিজস্ব প্রস্থান পরিকল্পনা রাখা এবং অপরাধের শিকার হলে নিরাপদ স্থানে গিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত। পাশাপাশি ভ্রমণের আগে বিমা গ্রহণ ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের স্মার্ট ট্রাভেলার এনরোলমেন্ট প্রোগ্রামে (STEP) নিবন্ধনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থির নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভ্রমণে নতুন সতর্কতা জারি করেছে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। গত ২০ ও ২২ জানুয়ারি দেশ দুটির হালনাগাদ ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে নিজ নাগরিকদের তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিক্ষোভ ও সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বড় শহরগুলোতে জনসমাগম এড়িয়ে চলা এবং সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে দেশ দুটি।
যুক্তরাজ্যের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য ২২ জানুয়ারি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে। এ সময়ে বেশকিছু এলাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণের বিরুদ্ধে পরামর্শ দিয়েছে এফসিডিও।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, এ সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ভ্রমণ না করতে বলা হয়েছে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, এসব এলাকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহিংসতা এবং অন্যান্য অপরাধমূলক কার্যকলাপের নিয়মিত খবর পাওয়া যায়। এই এলাকাটি নিম্নলিখিত জেলাগুলো নিয়ে গঠিত। এগুলো হলো রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান।
সন্ত্রাসবাদ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিস (এফসিডিও) বাংলাদেশে সম্ভাব্য নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই সময়ে সন্ত্রাসীরা হামলা চালানোর চেষ্টা করতে পারে। এসব হামলা নির্বিচারে ঘটতে পারে এবং বিদেশি নাগরিকদের যাতায়াতের স্থানও এর লক্ষ্য হতে পারে।
এফসিডিওর মতে, সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোর মধ্যে রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি ভবন, রেস্তোরাঁ ও ক্যাফে, গণপরিবহন ব্যবস্থা, জনাকীর্ণ এলাকা, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং রাজনৈতিক সমাবেশস্থল।
সংস্থাটি স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশজুড়ে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে, যাতে বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। এফসিডিও জানায়, আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নিয়মিত সভা-সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে, যা দ্রুত সহিংস রূপ নিতে পারে এবং সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি করছে।
সংস্থাটি দ্রুত পরিবর্তনশীল পরিস্থিতির প্রতি সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে রাজনৈতিক সমাবেশ, বিক্ষোভ ও বড় জমায়েত এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। কোথাও বিক্ষোভ শুরু হলে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলা, স্থানীয় গণমাধ্যমের খবর নিয়মিত অনুসরণ করা এবং ভ্রমণ সতর্কতা হালনাগাদ হলে ই-মেইল নোটিফিকেশন গ্রহণের পরামর্শও দিয়েছে এফসিডিও।
এদিকে বাংলাদেশ ভ্রমণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর তাদের ট্রাভেল অ্যাডভাইজরিতে কোনো স্তর পরিবর্তন না এনে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে অপহরণ, অস্থিরতা, অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ ভ্রমণে পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের মাধ্যমে সহিংসতা ও অস্থিরতা কিছুটা কমলেও মাঝে মাঝে বিক্ষোভ হচ্ছে, যা হঠাৎ সহিংস রূপ নিতে পারে। তাই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের সব ধরনের সমাবেশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বড় শহরগুলোতে ছিনতাই, চুরি, হামলা ও অবৈধ মাদক ব্যবসা সাধারণ অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ভিড়পূর্ণ এলাকায় পকেটমারের মতো ছোটখাটো অপরাধের ঝুঁকি রয়েছে বলেও সতর্ক করা হয়েছে, যদিও বিদেশিদের বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে—এমন প্রমাণ নেই।
সন্ত্রাসবাদ প্রসঙ্গে অ্যাডভাইজরিতে বলা হয়, বাংলাদেশে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অপহরণসহ গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলায় ভ্রমণে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশে কর্মরত যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্মীরা কূটনৈতিক এলাকা ছাড়া অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ করতে পারবেন না বলে জানানো হয়েছে। ঢাকার বাইরে জরুরি সেবা দিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সক্ষমতা সীমিত বলেও উল্লেখ করা হয়।
ভ্রমণকারীদের জন্য নির্দেশনায় বলা হয়েছে—বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক সমাবেশ এড়িয়ে চলা, স্থানীয় গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা, জরুরি অবস্থায় নিজস্ব প্রস্থান পরিকল্পনা রাখা এবং অপরাধের শিকার হলে নিরাপদ স্থানে গিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো উচিত। পাশাপাশি ভ্রমণের আগে বিমা গ্রহণ ও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের স্মার্ট ট্রাভেলার এনরোলমেন্ট প্রোগ্রামে (STEP) নিবন্ধনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশের আট বিভাগেই আগামী পাঁচ দিন দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ সময় দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের শনাক্ত করতে গত ১৮ আগস্ট চালু হয়েছে এআই তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর ক্যামেরা ও ‘অটো ফাইন’ তথা স্বয়ংক্রিয় জরিমানার ব্যবস্থা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর সাইনবোর্ড থেকে চট্টগ্রাম সিটি গেট পর্যন্ত প্রায় ২৫০ কিলোমিটার মহাসড়ক এই নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
২০২৭ সালের হজের নিবন্ধন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
আমীরুল ইসলাম শিশুদের জন্য ছড়া ও গল্পসহ নানা ধরনের সৃজনশীল লেখালেখিতে যুক্ত ছিলেন। দুই শতাধিক বই লিখেছেন তিনি। চ্যানেল আইয়ের অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান ছিলেন দীর্ঘদিন ধরে।
১৭ ঘণ্টা আগে