
সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

সাভারে ইতিহাস পরিবহণের যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাসে থাকা যাত্রীদের স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্রসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নেয় ডাকাত দল। এ নিয়ে সাভারে সাম্প্রতিক তিনটি চলন্ত গাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটল।
এ ঘটনায় বাসচালক রজব আলী ও বাসের সহকারী এমদাদুল হককে শনিবার ভোরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাভার মডেল থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার রাতে চন্দ্রা থেকে আসা বাসটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রাজফুলবাড়িয়া হেমায়েতপুর সড়কে আসলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে কর্ণপাড়া ব্রিজের সামনে গাড়ি চলমান অবস্থায় বাসে থাকা যাত্রীবেশী কয়েকজন ডাকাত দেশীয় অস্ত্রের মুখে সব যাত্রীকে জিম্মি করে। এ সময় যাত্রীদের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণসহ আরও মূল্যবান জিনিসপত্র জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় ডাকাতরা। পরে ডাকাতরা সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় বাস থামিয়ে নেমে যান।
বাসযাত্রী সুমন সরকার জানান, আমি চন্দ্রা থেকে বাসে উঠেছি। পরে বাসটি সাভারে এসে পৌঁছালে উলাইল থেকে কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও ধারালো ছুরি দিয়ে বাস যাত্রীদের জিম্মি করে। এ সময় আমার কাছে থাকা ৩৫ হাজার টাকা ডাকাতরা নিয়ে নেয়।
এ ছাড়া বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রী জানান, তাদের সঙ্গে থাকা নারীদের গলার চেইন, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে দুটি ব্যাগে ভোরে নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়।
ইতিহাসের বাসচালক রজব আলী বলেন, বাসে কয়েকজন ডাকাত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে যাত্রীদের থেকে মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। ডাকাতরা নেমে গেলে পরে যাত্রীরা ওই গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় আমি ও বাসের সহকারী এমদাদুল সড়কের পাশে লুকিয়ে থাকি।
ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবির বলেন, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল লুটের একটি অভিযোগ পেয়েছি। এটা নিয়ে আমরা কাজ করা শুরু করে দিয়েছি। আমরা আশাবাদী অতিদ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সাভারে ইতিহাস পরিবহণের যাত্রীবাহী চলন্ত বাসে ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাসে থাকা যাত্রীদের স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্রসহ কয়েক লাখ টাকার মালামাল লুট করে নেয় ডাকাত দল। এ নিয়ে সাভারে সাম্প্রতিক তিনটি চলন্ত গাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটল।
এ ঘটনায় বাসচালক রজব আলী ও বাসের সহকারী এমদাদুল হককে শনিবার ভোরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাভার মডেল থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার রাতে চন্দ্রা থেকে আসা বাসটি ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের রাজফুলবাড়িয়া হেমায়েতপুর সড়কে আসলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে কর্ণপাড়া ব্রিজের সামনে গাড়ি চলমান অবস্থায় বাসে থাকা যাত্রীবেশী কয়েকজন ডাকাত দেশীয় অস্ত্রের মুখে সব যাত্রীকে জিম্মি করে। এ সময় যাত্রীদের কাছে থাকা নগদ টাকা, মোবাইল ফোন, স্বর্ণসহ আরও মূল্যবান জিনিসপত্র জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় ডাকাতরা। পরে ডাকাতরা সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের রাজফুলবাড়িয়া এলাকায় বাস থামিয়ে নেমে যান।
বাসযাত্রী সুমন সরকার জানান, আমি চন্দ্রা থেকে বাসে উঠেছি। পরে বাসটি সাভারে এসে পৌঁছালে উলাইল থেকে কয়েকজন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র ও ধারালো ছুরি দিয়ে বাস যাত্রীদের জিম্মি করে। এ সময় আমার কাছে থাকা ৩৫ হাজার টাকা ডাকাতরা নিয়ে নেয়।
এ ছাড়া বাসে থাকা অন্যান্য যাত্রী জানান, তাদের সঙ্গে থাকা নারীদের গলার চেইন, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে দুটি ব্যাগে ভোরে নিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায়।
ইতিহাসের বাসচালক রজব আলী বলেন, বাসে কয়েকজন ডাকাত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে যাত্রীদের থেকে মালামাল ও নগদ টাকা লুট করে নেয়। ডাকাতরা নেমে গেলে পরে যাত্রীরা ওই গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। এ সময় আমি ও বাসের সহকারী এমদাদুল সড়কের পাশে লুকিয়ে থাকি।
ঢাকা জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবির বলেন, অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মালামাল লুটের একটি অভিযোগ পেয়েছি। এটা নিয়ে আমরা কাজ করা শুরু করে দিয়েছি। আমরা আশাবাদী অতিদ্রুত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ২৮ মে। এর আগে ২৬ ও ২৭ মে এবং পরে ২৯ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিল। ২৩ মে (শনিবার) সাপ্তাহিক ছুটির দিনে অফিস খোলা থাকলেও পরে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে ২৫ মে অতিরিক্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়, যার ফলে টানা সাত দিনের ছুটি নিশ্চিত হয়।
১৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিচতলায় বেকারির সন্ধান পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেছেন, ‘হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য বেকারিতে খাবার তৈরি হতো। সেখান থেকে কোনো গ্যাস বের হয়েছে কিনা সেটি দেখা হবে। দুইজন ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলা
১৮ ঘণ্টা আগে
অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৮৩ জন। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হয়েছে ৯০ জনের শরীরে। অন্যদিকে শরীরে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৪৯৩ জন।
২০ ঘণ্টা আগে
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) জাহিদ রায়হান গণমাধ্যমকে বলেন, যেসব শিশু মারা গেছে, তাদের মায়েদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আরও সময় প্রয়োজন। এ কারণে কমিটিকে আরও চার দিন সময় দিয়ে ৩ জুন পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
১ দিন আগে