
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সাথে কোনো এজেন্ডা নিয়ে আমি আলোচনায় যাইনি। যেহেতু আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার, স্বভাবতই আমাদের মাঝে নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে।
আমার কী অসুস্থ হওয়ার অধিকারও নেই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে যেসব নিউজ দেখছিলাম, তাতে আমি নিজেকে বার বার আবিষ্কার করছিলাম। হাদিসে আছে, তোমরা অনুমান দ্বারা পরিচালিত হইও না। আমি হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে এসব চিন্তা করছিলাম। এই অনুমানের মধ্যে দেখলাম কেউ কেউ আমাকে পদত্যাগ করিয়ে দিয়েছে। কেউ কেউ বলে আমি (প্রধান উপদেষ্টার সাথে) কথা বলার পর অসুস্থ হয়ে গেছি। নানা ধরনের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি, নির্বাচন কমিশন `ফুল গিয়ারে' প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সিইসি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা চান ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচন। উনি সুষ্ঠু ভোট করতে অনেক আন্তরিক। তবে জাতীয় নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তারিখ নির্ধারিত হলে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই আপনারা জানতে পারবেন।
সিইসি বলেন, নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রধান উপদেষ্টার সাথে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল যথাসময়ে জানতে পারবেন। এটা জানতে আপনাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে আমি বুঝতে পেরেছে উনি (প্রধান উপদেষ্টা) অত্যন্ত আন্তরিক। একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে হয়, সেটাই চান প্রধান উপদেষ্টা। এখানে উনার সঙ্গে আমাদের মত মিলে গেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ করার জন্য আমরা এখন একই জায়গায় আছি।
কোন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমাদের যা প্রস্তুতি এই মুহূর্তে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই নিচ্ছি। যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে হয়, তাহলে আমার ভোটার লিস্ট ব্যবহার করতে পারবো। সেটা তো হতে পারে। কিন্তু আমাদের ফোকাস জাতীয় নির্বাচন। কারণ প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় নির্বাচনের কথা বলছেন না। উনি জাতিকে যে ওয়াদা দিচ্ছেন, দেশে-বিদেশে যে কথা বলছেন, উনি তো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা বলছেন না, উনি জাতীয় নির্বাচনের কথা বলছেন। আমরা উনার ওই কথাকে কেন্দ্র করেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।
কবে নির্বাচন হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রথমে উনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছিলেন, ২০২৬ সালের প্রথম দিকে ভোট হবে। আজকেও সংবাদে দেখলাম, মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছেন, আগামী বছরের প্রথম দিকে সংসদ ভোট হবে। আমরা এই টাইমফ্রেমকে সামনে নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।
সম্প্রতি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের প্রসঙ্গে তুলে ধরে সিইসি বলেন, সেখানে যে কথা হয়েছে, সেটা আপনারাও জানেন, আমরাও জানি। লন্ডনে ফেব্রুয়ারির কথা এসেছে, আবার এপ্রিলের কথাও এসেছে। আমরা ওই টাইফ্রেমকে সামনে রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, গত বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার সাথে কোনো এজেন্ডা নিয়ে আমি আলোচনায় যাইনি। যেহেতু আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনার, স্বভাবতই আমাদের মাঝে নির্বাচন নিয়ে কথা হয়েছে।
আমার কী অসুস্থ হওয়ার অধিকারও নেই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে যেসব নিউজ দেখছিলাম, তাতে আমি নিজেকে বার বার আবিষ্কার করছিলাম। হাদিসে আছে, তোমরা অনুমান দ্বারা পরিচালিত হইও না। আমি হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে এসব চিন্তা করছিলাম। এই অনুমানের মধ্যে দেখলাম কেউ কেউ আমাকে পদত্যাগ করিয়ে দিয়েছে। কেউ কেউ বলে আমি (প্রধান উপদেষ্টার সাথে) কথা বলার পর অসুস্থ হয়ে গেছি। নানা ধরনের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ।
মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতির বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি, নির্বাচন কমিশন `ফুল গিয়ারে' প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সিইসি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা চান ফ্রি, ফেয়ার অ্যান্ড ক্রেডিবল নির্বাচন। উনি সুষ্ঠু ভোট করতে অনেক আন্তরিক। তবে জাতীয় নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখের বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তারিখ নির্ধারিত হলে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমেই আপনারা জানতে পারবেন।
সিইসি বলেন, নানাবিধ চ্যালেঞ্জের মধ্যে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। প্রধান উপদেষ্টার সাথে নির্বাচনের তারিখ নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। নির্বাচনের তারিখ এবং শিডিউল যথাসময়ে জানতে পারবেন। এটা জানতে আপনাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে আমি বুঝতে পেরেছে উনি (প্রধান উপদেষ্টা) অত্যন্ত আন্তরিক। একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে হয়, সেটাই চান প্রধান উপদেষ্টা। এখানে উনার সঙ্গে আমাদের মত মিলে গেছে। নির্বাচন সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ করার জন্য আমরা এখন একই জায়গায় আছি।
কোন নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, আমাদের যা প্রস্তুতি এই মুহূর্তে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই নিচ্ছি। যদি স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে হয়, তাহলে আমার ভোটার লিস্ট ব্যবহার করতে পারবো। সেটা তো হতে পারে। কিন্তু আমাদের ফোকাস জাতীয় নির্বাচন। কারণ প্রধান উপদেষ্টা স্থানীয় নির্বাচনের কথা বলছেন না। উনি জাতিকে যে ওয়াদা দিচ্ছেন, দেশে-বিদেশে যে কথা বলছেন, উনি তো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কথা বলছেন না, উনি জাতীয় নির্বাচনের কথা বলছেন। আমরা উনার ওই কথাকে কেন্দ্র করেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।
কবে নির্বাচন হবে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রথমে উনি (প্রধান উপদেষ্টা) বলেছিলেন, ২০২৬ সালের প্রথম দিকে ভোট হবে। আজকেও সংবাদে দেখলাম, মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছেন, আগামী বছরের প্রথম দিকে সংসদ ভোট হবে। আমরা এই টাইমফ্রেমকে সামনে নিয়েই এগিয়ে যাচ্ছি।
সম্প্রতি লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টা ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের প্রসঙ্গে তুলে ধরে সিইসি বলেন, সেখানে যে কথা হয়েছে, সেটা আপনারাও জানেন, আমরাও জানি। লন্ডনে ফেব্রুয়ারির কথা এসেছে, আবার এপ্রিলের কথাও এসেছে। আমরা ওই টাইফ্রেমকে সামনে রেখেই প্রস্তুতি নিচ্ছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেসব এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে জরিপ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। জরিপ শেষে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে তারা দ্রুত
৯ ঘণ্টা আগে
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে জাতিসংঘে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্তাভরস লামব্রিনিদিস এবং জি৭৭ ও চীনের চেয়ার ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের মধ্যে বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ক্ষুদ্র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)। এ লক্ষ্যে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রস্তাব আহ্বান করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে
এর ফলে উপসচিব থেকে সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আগের মতো ৫০ হাজার টাকাই থাকছে। বেসামরিক প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন ও সশস্ত্র বাহিনীর প্রাধিকারভুক্ত কর্মকর্তারাও গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের এ খরচ পেয়ে থাকেন। তাদের জন্যও এ খরচ কমানোর উদ্যোগ নিয়েও তা থেক
১৩ ঘণ্টা আগে