
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটদান শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ভোটার উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক এবং ভোট কেনাবেচা বা কারচুপির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
ভোট প্রদান ও কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, পরিদর্শিত কেন্দ্রে প্রথম এক ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও ভোটদানে বাধা দেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছে আসেনি। সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভোটার উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। শহর এলাকার ভোটাররা সাধারণত কিছুটা দেরিতে কেন্দ্রে আসেন– এটিকে একটি ‘হ্যাবিট’ (অভ্যাস) হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, গ্রামাঞ্চলের অনেক কেন্দ্রে সকাল থেকেই উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তিনি আরও বলেন, “কিছু কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি। এটি উৎসাহব্যঞ্জক।”
ভোটার তালিকায় নাম না পাওয়া বা কারিগরি জটিলতার বিষয়ে তিনি বলেন, “হাজারে একটি টেকনিক্যাল গ্লিচ হতে পারে।” মাইগ্রেশন সংক্রান্ত সমস্যাগুলো ডাবল চেক করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান।
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “কোনো অসাধু উদ্দেশ্যে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করে কেউ সফল হতে পারবে না। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” বিভিন্ন স্থানে টাকা লেনদেনের সময় অভিযুক্তদের আটক হওয়ার বিষয়কে তিনি ‘ভালো লক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করে জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও যৌথ বাহিনী এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ মন্তব্য করেন যে, এটি বিশ্বব্যাপী একটি চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন কমিশন ভুল তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে, তবে রাজনৈতিক অধিকার ও জনউদ্দীপনা বিবেচনায় কোনো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে তিনি মূলধারার গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোট দিতে আসা এই কমিশনার মন্তব্য করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যেই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সারা দেশে ভোট গ্রহণ সুশৃঙ্খলভাবে চলছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ চলছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ভোটদান শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানিয়েছেন, ভোটার উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক এবং ভোট কেনাবেচা বা কারচুপির যেকোনো অপচেষ্টা কঠোর হস্তে দমন করা হবে।
ভোট প্রদান ও কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি জানান, পরিদর্শিত কেন্দ্রে প্রথম এক ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, এখন পর্যন্ত দেশের কোথাও ভোটদানে বাধা দেওয়ার মতো কোনো অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কাছে আসেনি। সারা দেশ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ভোটার উপস্থিতি ধীরে ধীরে বাড়ছে। শহর এলাকার ভোটাররা সাধারণত কিছুটা দেরিতে কেন্দ্রে আসেন– এটিকে একটি ‘হ্যাবিট’ (অভ্যাস) হিসেবে উল্লেখ করে তিনি জানান, গ্রামাঞ্চলের অনেক কেন্দ্রে সকাল থেকেই উল্লেখযোগ্য ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। তিনি আরও বলেন, “কিছু কেন্দ্রে পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি। এটি উৎসাহব্যঞ্জক।”
ভোটার তালিকায় নাম না পাওয়া বা কারিগরি জটিলতার বিষয়ে তিনি বলেন, “হাজারে একটি টেকনিক্যাল গ্লিচ হতে পারে।” মাইগ্রেশন সংক্রান্ত সমস্যাগুলো ডাবল চেক করার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি জানান।
ভোট কেনাবেচার অভিযোগ প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান জানিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “কোনো অসাধু উদ্দেশ্যে টাকা দিয়ে ভোট কেনার চেষ্টা করে কেউ সফল হতে পারবে না। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।” বিভিন্ন স্থানে টাকা লেনদেনের সময় অভিযুক্তদের আটক হওয়ার বিষয়কে তিনি ‘ভালো লক্ষণ’ হিসেবে অভিহিত করে জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও যৌথ বাহিনী এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার প্রসঙ্গে ইসি সানাউল্লাহ মন্তব্য করেন যে, এটি বিশ্বব্যাপী একটি চ্যালেঞ্জ। নির্বাচন কমিশন ভুল তথ্য প্রতিরোধে কাজ করছে, তবে রাজনৈতিক অধিকার ও জনউদ্দীপনা বিবেচনায় কোনো কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। এ ক্ষেত্রে তিনি মূলধারার গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোট দিতে আসা এই কমিশনার মন্তব্য করেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের লক্ষ্যেই নির্বাচন কমিশন কাজ করছে। এখন পর্যন্ত সারা দেশে ভোট গ্রহণ সুশৃঙ্খলভাবে চলছে বলে তিনি গণমাধ্যমকে আশ্বস্ত করেন।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনীতি ডটকমের প্রতিবেদকরা ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে রাজনীতি ডটকমের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, সকাল ৭টা থেকেই বিভিন্ন ভোটকেন্দ্রের সামনে ভোটাররা জড়ো হতে থাকেন। সাড়ে ৭টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ।
৩ ঘণ্টা আগে
নির্বাচন শুরুর প্রায় আধাঘণ্টা আগে থেকেই ইইউ পর্যবেক্ষক দলটি কেন্দ্রটিতে উপস্থিত হয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা তাদের সামনে ব্যালট বাক্স উল্টে–পাল্টে দেখানোর পর ভোটগ্রহণের জন্য সেট করেন। এরপর নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। একই সাথে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটেও ভোট দিবেন দেশের প্রায় পৌনে তেরো কোটি ভোটার।
৪ ঘণ্টা আগে