
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হাতে থাকা জ্বালানি জনগণকে সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি পরিস্থিতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের যেটুকু আছে, সেটা দিয়ে আমরা কীভাবে সাশ্রয়ীভাবে চালাতে পারি সেটা আলোচনা করলাম। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যাপার একটা প্রেস রিলিজ দেবো।
তিনি বলেন, আমার হাতে যে জ্বালানি আছে সেটাকে সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করতে হবে, এটাই হচ্ছে আমাদের বিকল্প। যতক্ষণ পর্যন্ত না আমার সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক না হবে, যেটা আছে সেটাকে আমরা সাশ্রয়ীভাবে চালানোর চেষ্টা করছি।
মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কারণে সারা পৃথিবীতে জ্বালানির একটা ক্রাইসিস সৃষ্টি হয়েছে। আমাদেরও শর্টেজ দেখা দিয়েছে। যেসব কমিটমেন্ট ছিল, সেগুলোর কিছু আসা বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, এই মুহূর্তে তারা আমাদের কী ধরনের কো-অপারেশন করতে পারে। আমরা তাদের জানিয়েছি, আমরা দীর্ঘমেয়াদে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আর এই ক্রাইসিস পিরিয়ডে সাপোর্টের জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। তারা বলেছে, আলোচনা করে আমাদের জানাবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা স্পট পারচেসে গেছি, কিন্তু প্রত্যাশিত রেসপন্স পাচ্ছি না। এখন আমরা মূলত ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট করছি।
তিনি বলেন, আমরা যদি সাশ্রয়ীভাবে চলি, তাহলে মার্চ মাস মোটামুটি সামাল দেওয়া যাবে। মার্চের পর যেসব কমিটমেন্ট রয়েছে, সেগুলো ঠিকঠাক হলে ক্রাইসিস থাকবে না। বাস্তবে আমাদের চাপ থাকতে পারে ঈদের ছুটি পর্যন্ত। ছুটির পর চাহিদা কমে যাবে। আশা করছি, তখন বড় ধরনের অন্ধকার পরিস্থিতি থাকবে না।
‘তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তার প্রভাব সারা পৃথিবীতেই পড়বে, কারণ আমরা গ্লোবের বাইরে নই। সাশ্রয়ের উপায়গুলো প্রেস রিলিজে জানানো হবে। বিভিন্ন সেক্টরে রেশনিং করা হবে। সীমান্তের ওপারে ডিজেল পাচার হচ্ছে, কারণ সেখানে দাম বেশি। সেটিও নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সীমান্তে ডিজেল পাচার ঠেকাতে বিজিবিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হাতে থাকা জ্বালানি জনগণকে সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহারের অনুরোধ জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।
বুধবার (৪ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান। এর আগে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুরের সঙ্গে বৈঠক করেন।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি পরিস্থিতির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আমাদের যেটুকু আছে, সেটা দিয়ে আমরা কীভাবে সাশ্রয়ীভাবে চালাতে পারি সেটা আলোচনা করলাম। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে এই ব্যাপার একটা প্রেস রিলিজ দেবো।
তিনি বলেন, আমার হাতে যে জ্বালানি আছে সেটাকে সাশ্রয়ীভাবে ব্যবহার করতে হবে, এটাই হচ্ছে আমাদের বিকল্প। যতক্ষণ পর্যন্ত না আমার সরবরাহ ব্যবস্থা ঠিক না হবে, যেটা আছে সেটাকে আমরা সাশ্রয়ীভাবে চালানোর চেষ্টা করছি।
মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর কারণে সারা পৃথিবীতে জ্বালানির একটা ক্রাইসিস সৃষ্টি হয়েছে। আমাদেরও শর্টেজ দেখা দিয়েছে। যেসব কমিটমেন্ট ছিল, সেগুলোর কিছু আসা বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি, এই মুহূর্তে তারা আমাদের কী ধরনের কো-অপারেশন করতে পারে। আমরা তাদের জানিয়েছি, আমরা দীর্ঘমেয়াদে একসঙ্গে কাজ করতে চাই। আর এই ক্রাইসিস পিরিয়ডে সাপোর্টের জন্য আমরা অনুরোধ করেছি। তারা বলেছে, আলোচনা করে আমাদের জানাবে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা স্পট পারচেসে গেছি, কিন্তু প্রত্যাশিত রেসপন্স পাচ্ছি না। এখন আমরা মূলত ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট করছি।
তিনি বলেন, আমরা যদি সাশ্রয়ীভাবে চলি, তাহলে মার্চ মাস মোটামুটি সামাল দেওয়া যাবে। মার্চের পর যেসব কমিটমেন্ট রয়েছে, সেগুলো ঠিকঠাক হলে ক্রাইসিস থাকবে না। বাস্তবে আমাদের চাপ থাকতে পারে ঈদের ছুটি পর্যন্ত। ছুটির পর চাহিদা কমে যাবে। আশা করছি, তখন বড় ধরনের অন্ধকার পরিস্থিতি থাকবে না।
‘তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তার প্রভাব সারা পৃথিবীতেই পড়বে, কারণ আমরা গ্লোবের বাইরে নই। সাশ্রয়ের উপায়গুলো প্রেস রিলিজে জানানো হবে। বিভিন্ন সেক্টরে রেশনিং করা হবে। সীমান্তের ওপারে ডিজেল পাচার হচ্ছে, কারণ সেখানে দাম বেশি। সেটিও নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। সীমান্তে ডিজেল পাচার ঠেকাতে বিজিবিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।’

সাধারণত কারিগরি ত্রুটি বা সিগন্যাল সমস্যার কারণে ট্রেন থামার নজির থাকলেও, একটি ক্ষুদ্র প্রাণীর উপস্থিতির কারণে পুরো নেটওয়ার্ক থমকে যাওয়ার ঘটনাটি বেশ চমকপ্রদ। তবে কোন স্টেশনের ঠিক কোন পয়েন্টে বিড়ালটি ঢুকেছে, রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তা নিশ্চিত করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।
১০ ঘণ্টা আগে
সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সর্বমোট ৬৭৬ টি দুর্ঘটনায় ৬৭১ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৯৬ জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ২২১টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২৩১ জন নিহত, ২১৯ জন আহত হয়েছে। যা মোট দুর্ঘটনার ৩৬ দশমিক ৫ শতাংশ, নিহতের ৩৭ দশমিক ১৩ শতাংশ ও আহতের ১৩ দশমিক ২৫ শতাংশ।
১০ ঘণ্টা আগে
পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সাভারের বিকেএসপিতে প্রাইম ব্যাংকের হয়ে ম্যাচ খেলে রাতে বিমানে চট্টগ্রামে ফেরেন নাঈম। বিমানবন্দর থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বাসায় যাওয়ার পথে লালখান বাজার এলাকায় পৌঁছালে পুলিশের একটি টহল দল তাদের গাড়ির গতিরোধ করে।
১১ ঘণ্টা আগে
বর্ষণমুখর সকাল সোয়া দশটা নাগাদ সময়ে হাজার হাজার মানুষ পাতলি খাল পাড়ে সমবেত হয়েছেন। কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে পাতলী খাল পর্যন্ত রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লাকার্ড হাতে নিয়ে নেতাকে বরণ করে শুভেচ্ছা জানান।
১২ ঘণ্টা আগে